আজ ২৯ জুলাই, কলকাতার প্রখ্যাত প্লেব্যাক শিল্পী প্রতিমা বন্দ্যোপাধ্যায়-এর প্রয়াণ দিবস। তিনি ২০০৪ সালের এই দিনে চিরবিদায় নেন, কিন্তু রেখে যান এক অনন্য সংগীত ঐতিহ্য। গুরুকুল অনলাইন লার্নিং নেটওয়ার্ক-এর “সঙ্গীত গুরুকুল“ গভীর শ্রদ্ধা ও ভালোবাসার সঙ্গে স্মরণ করছে বাংলা গানের এই বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বকে।
প্রতিমা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কণ্ঠে ছিল স্বাভাবিক কোমলতা, যা হৃদয়ের গভীরে ছুঁয়ে যেত। তাঁর গাওয়া অসংখ্য গান আজও বাঙালির আবেগ, স্মৃতি ও নস্টালজিয়ার অংশ। “তোমারে যা বলিবার ছিল”, “এমন একটা দুঃখ”, “আমি চঞ্চল হে”, “বলো গো কোন পথে”—এইসব গান আজও শ্রোতার অন্তরকে আন্দোলিত করে।
তিনি কেবল একজন গায়িকা ছিলেন না; ছিলেন এক সঙ্গীত যুগের প্রতিনিধি। তাঁর কণ্ঠে ধরা পড়েছিল রবীন্দ্রসংগীত, নজরুলগীতি, আধুনিক বাংলা গান—সব কিছুর আন্তরিক মেলবন্ধন। তাঁর রেকর্ড করা গানের সংখ্যা হাজার ছাড়িয়ে যায় এবং আজও রেডিও ও অনুষ্ঠানমঞ্চে তাঁর গান বেজে ওঠে চিরন্তন এক আবেগে।
সঙ্গীত গুরুকুল মনে করে—প্রতিমা বন্দ্যোপাধ্যায় ছিলেন বাংলা আধুনিক গানের এমন এক অধ্যায়, যাঁকে না জানলে বাংলা সংগীতচর্চা অসম্পূর্ণ থেকে যাবে। তাঁর সরল অথচ হৃদয়গ্রাহী উপস্থাপন ভঙ্গি, গভীর আবেগ আর সুরের পরিপক্বতা আমাদের প্রজন্মের কাছে এক অতুলনীয় অনুপ্রেরণা।
সঙ্গীত গুরুকুল তাঁর স্মৃতিকে গভীর শ্রদ্ধা ও ভালোবাসায় নতমস্তকে স্মরণ করে। তাঁর সুর যেন চিরকাল বাঙালির হৃদয়ে বাজতে থাকে।
#প্রতিমা_বন্দ্যোপাধ্যায় #স্মরণ_দিবস #সঙ্গীতগুরুকুল #বাংলাসংগীত #বাংলাআধুনিকগান #গুরুকুল_অনলাইন_লার্নিং_নেটওয়ার্ক #PratimaBandopadhyay #SangitGurukul #BanglaMusic #LegendarySinger
বাংলা সঙ্গীতের কালজয়ী ব্যক্তিত্ব, গানের পেছনের না-বলা গল্প ও প্রাতিষ্ঠানিক সাংস্কৃতিক প্রেক্ষাপটকে আকর্ষণীয় আখ্যানে উপস্থাপন করতে কাজ করছে ‘ফিচার ডেস্ক’। এখানে স্থান পায় প্রখ্যাত শিল্পী ও সুরকারদের জীবনভিত্তিক বিবরণী, সৃষ্টিশীল কাজের নেপথ্য ইতিহাস এবং সুরের বিবর্তনের তথ্যভিত্তিক রূপলেখ। গভীর পর্যবেক্ষণ ও প্রাসঙ্গিক বিশ্লেষণের সমন্বয়ে সঙ্গীতকে নতুন দৃষ্টিভঙ্গিতে আবিষ্কার করাই আমাদের লক্ষ্য।













![তত্ত্ব হারের পালা তিনতালা ঘর [ Harer Pala Tin tala Ghor ]](https://bn.musicgoln.com/wp-content/uploads/2024/02/হারের-পালা-তিনতালা-ঘর-1024x576.webp)

