অনিরুদ্ধ রবিচন্দ্রন যিনি অনিরুদ্ধ নামেও পরিচিত, একজন ভারতীয় সঙ্গীত সুরকার এবং গায়ক, যিনি মূলত তামিল চলচ্চিত্রে কাজ করেন। তিনি তামিল অভিনেতা রবি রাঘবেন্দ্রের ছেলে। তিনি দুটি ফিল্মফেয়ার পুরস্কার, নয়টি সিমা পুরস্কার, ছয়টি এডিসন পুরস্কার এবং পাঁচটি বিজয় পুরস্কার জিতেছেন।
Table of Contents
অনিরুদ্ধ রবিচন্দ্রন । ভারতীয় সঙ্গীত সুরকার এবং গায়ক
প্রাথমিক জীবন
অনিরুদ্ধ রবিচন্দ্রন ১৯৯০ সালের ১৬ অক্টোবর ভারতের চেন্নাই তে জন্মগ্রহন করেন। তার বাবার নাম রবি রাঘবেন্দ্র হলেন একজন ভারতীয় অভিনেতা যিনি তামিল চলচ্চিত্র এবং টেলিভিশন সিরিয়ালে উপস্থিত হন। তার মায়ের নাম লক্ষ্মী রাঘবেন্দ্র।অনিরুদ্ধ দশ বছর বয়স থেকেই সঙ্গীত রচনা শুরু করেন। ২১ বছর বয়সে চলচ্চিত্র ৩-এর জন্য প্রথম গান রচনা করেন।
তিনি এ.আর. রহমানের গানে অনুপ্রানিত হয়ে গান রচনা শুরু করেন। স্কুলে পড়াশুনা কালীন তিনি জিঙ্ক নামক একটি কর্নাটিক ফিউশন ব্যান্ডএর অংশ হিসেবে একটি সঙ্গীত ভিত্তিক রিয়্যালিটি শো অহ লা লা লা তে অংশগ্রহন করেছিলেন। তিনি লন্ডনের ট্রিনিটি কলেজ অব মিউজিক থেকে শাস্ত্রীয় পিয়ানো শিখেছেন। তিনি কলেজে থাকাকালিন চিরকুট নামে একটি ফাঙ্ক রক ব্যান্ডের সদস্য ছিলেন।
কর্মজীবন
অনিরুদ্ধ রবিচন্দ্রনের প্রথম গান “হোয়াই দিস কোলাবেরি ডি”, যা ২০১২ সালের চলচ্চিত্র ৩-এর জন্য রচিত হয়েছিল, গানটি বিশ্বজুড়ে ভাইরাল হয়েছিল এবং ইউটিউবে ৩০০ মিলিয়নেরও বেশি ভিউ অর্জন করেছে। এ.আর. মুরুগাদোস তাকে সুপারস্টার থালাপথি বিজয় অভিনীত কাত্থি (২০১৪)-তে সঙ্গীত রচনা করার জন্য চুক্তিবদ্ধ করেন,[৪] যার মধ্যে ভাইরাল হিট “সেলফি পুল্লা” অন্তর্ভুক্ত ছিল।
২০১৬ সালে তিনি সনি মিউজিকের সাথে একটি রেকর্ড চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন, যা তার স্বতন্ত্র অ্যালবাম এবং লাইভ কনসার্ট প্রকাশ করে। ২০১৭ সালে টাইমস অব ইন্ডিয়া তাকে চেন্নাইয়ের মোস্ট ডিজায়ারেবল ম্যান হিসাবে উল্লেখ করেছিল। ২০১৮ সালে তিনি আবারও এই খেতাব অর্জন করেন, প্রথম সঙ্গীতশিল্পী হিসেবে পরপর দুইবার তিনি এই খেতাব অর্জন করেন।
পুরস্কার
- ফিল্মফেয়ার পুরস্কার
- সিমা পুরস্কার
- এডিসন পুরস্কার
- বিজয় পুরস্কার

