অলকা দাশ হচ্ছেন বাংলাদেশের সঙ্গীত শিল্পে একজন শাস্ত্রীয় সঙ্গীতশিল্পী যিনি ১৯৪৬ সালে কুমিল্লায় জন্মগ্রহণ করেন। জাতীয় গণমাধ্যমে বেশিরভাগ সময়েই অপ্রচলিত রাগ রাগিণীসমূহ গাইবার জন্য তিনি সুপরিচিত।বর্তমানে অলকা দাশ নজরুল সঙ্গীত এর তালিকাভুক্ত অন্যতম সিনিয়র শিল্পী। তিনি উচ্চাংগ সংগীত শিল্পী হিসেবে পরিচিত।
Table of Contents
পরিবার
অলকা দাশের পিতা পণ্ডিত সুরেন্দ্র নারায়ণ দাশ একজন শাস্ত্রীয় সঙ্গীতশিল্পী ছিলেন। পিতার কাছেই ছোটবেলা শাস্ত্রীয় সংগীতে অলকা দাশের হাতেখড়ি। তার কাকা, সুধীন দাশ বাংলাদেশের একজন সঙ্গীতজ্ঞ এবং সঙ্গীত গবেষক।সুধীন দাশের কাছে কিছুদিন তিনি নজরুলগীতি শিখেন। তবে সংগীত শিক্ষার সিংহভাগই তিনি তার পিতার কাছ থেকে লাভ করেন। তার ছোট ভাই, মানস কুমার দাশ সুব্রত দাশ, তাপস কুমার দাশ প্রতিষ্ঠিত নজরুল সংগীত শিল্পী। তার ভাইপো দীপাঞ্জন দাশ নজরুল সংগীতের প্রতিশ্রুতিশীল শিল্পী।
প্রাথমিক ও কর্মজীবন
১৯৬৩ সালে বাংলাদেশ বেতারে উচ্চাংগ সংগীতের শিল্পী হিসেবে তালিকাভুক্তির মাধ্যমে অলকা দাশ তার কর্মজীবন শুরু করেন। পরবর্তীতে, ১৯৬৭ সালে তিনি বাংলাদেশ টেলিভিশনে তালিকাভুক্ত হন। উভয় গণমাধ্যমে তিনি ধ্রুপদী সঙ্গীত এবং নজরুল সঙ্গীত-এর তালিকাভুক্ত তথা বর্তমানে অন্যতম সিনিয়র শিল্পী।
পিতা গায়নাচার্য সুরেন্দ্র নারায়ণ দাশের জীবনাবসানের পর ১৯৮৬ সাল থেকে, তিনি সংগীত শিক্ষার্থী সম্মিলনের অধ্যক্ষের দায়িত্ব পালন করে চলেছেন, যা বাংলাদেশের সব থেকে পুরনো সংগীত বিদ্যালয়সমূহের অন্যতম। উক্ত সংগীত প্রতিষ্ঠাণটি গায়নাচার্য সুরেন্দ্র নারায়ণ দাশ ১৯৪২ সালে তালপুকুর পাড়, কুমিল্লায় প্রতিষ্ঠা করেন।
সাহিত্যিক কাজ
- ২০১৫-এ, রাগ মঞ্জরী নামে তিনি একটি শাস্ত্রীয় সংগীতের বই প্রকাশ করেন।
- ২০১১-এ, তিনি রাগ মঞ্জূষা নামের গানের বইটি, সম্পাদক হিসেবে প্রকাশ করেন। এই বইটি তার পিতা পণ্ডিত সুরেন্দ্র নারায়ণ দাশ কর্তৃক রচিত হয়েছিল।
পুরস্কার এবং সম্মাননা
- জেলা শিল্পকলা পদক ২০১৪
- সংগীত নিকেতন সম্মাননা ২০১৪
- বিনয় সাহিত্য সম্মাননা ২০১৩
- নজরুল সংগীত শিল্প পরিষদ, ঢাকা কর্তৃক নজরুল সম্মাননা ২০১১
- লক্ষ্যাপার আজীবন সম্মাননা-২০১৯