আমি একটা জিন্দা লাশ কাটিস না রে [ Ami Akta Jinda Lash Katis Na Re ]

আমি একটা জিন্দা লাশ কাটিস না রে [ Ami Akta Jinda Lash Katis Na Re ]
লেবেলঃ স্টুডিও গুরুকুল [ Studio Gurukul ]
প্রযোজনাঃ সঙ্গীত গুরুকুল [ Music Gurukul ]
কাভারঃ শুভ [ Shuvo ]

 

Music Gurukul Logo 512x512

 

আমি একটা জিন্দা লাশ কাটিস না রে

আমি একটা জিন্দা লাশকাটিস না রে জংলার বাঁশআমার লাইগা সাড়ে তিন হাত কবর খুঁড়িস নাআমি পীড়িতের অনলে পোড়ামরার পরে আমায় পুড়িস নাতোরা – মরার পরে আমায় পুড়িস না।।
প্রেমে পোড়া যায় না চেনাদেইখা শুধু মুখচেনা যায় যার জীবনে নাইএকটুখানি সুখহায়রে একটুখানি সুখ!
আমি যদি যাইগো মরেআমার লাশটা বুকে ধরে (২)আমার লাইগা বন্ধু তোরাকান্না জুড়িস না…আমি পীড়িতের অনলে পোড়ামরার পরে আমায় পুড়িস নাতোরা – মরার পরে আমায় পুড়িস না।
বুকের মারল অন্তরসর্বহারা শোকআমার মতো কষ্ট যেনপায় না কোন লোকহায়রে – পায়না কোন লোকমনেরে বুঝাইলাম কতহইল না যে মনের মত (২)মিছে আশায় তারই পিছেমন আর ঘুরিস না…আমি পীড়িতের অনলে পোড়ামরার পরে আমায় পুড়িস নাতোরা – মরার পরে আমায় পুড়িস না।।
Google news
গুগল নিউজে আমাদের ফলো করুন

বারী সিদ্দিকী :

বারী সিদ্দিকী (১৫ নভেম্বর ১৯৫৪ – ২৪ নভেম্বর ২০১৭) বাংলাদেশের একজন খ্যাতিমান সংগীত শিল্পী, গীতিকার ও বংশী বাদক। তিনি মূলত গ্রামীণ লোকসংগীত ও আধ্যাত্মিক ধারার গান করে থাকেন। তিনি তার গাওয়া ‘শুয়া চান পাখি, ‘আমার গায়ে যত দুঃখ সয়’, ‘সাড়ে তিন হাত কবর’, ‘পুবালি বাতাসে’, ‘তুমি থাকো কারাগারে’, ‘রজনী’, ‘আমার গায়ে যত দুঃখ সয়’, ‘ওগো ভাবিজান নাউ বাওয়া’, ‘মানুষ ধরো মানুষ ভজো প্রভৃতি গানের জন্য সবচেয়ে বেশি পরিচিত।

তিনি গোপাল দত্ত এবং ওস্তাদ আমিনুর রহমান থেকে লোক এবং শাস্ত্রীয় সঙ্গীতে পাঠ নিয়েছেন। মূলত বংশী বাদক বারী সিদ্দিকী কথাসাহিত্যিক ও চিত্রনির্মাতা হুমায়ূন আহমেদের প্রেরণায় নব্বইয়ের দশকে সঙ্গীত জগতে প্রবেশ করেন এবং অল্পদিনেই বিরহ-বিচ্ছেদের মর্মভেদী গানের মধ্য দিয়ে সাধারণ মানুষের হৃদয়ে স্থায়ী আসন করে নেন। দৈনিক আমার দেশ সংবাদপত্রকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে সিদ্দিকী বলেন, “হুমায়ূন আহমেদ আমার গাওয়ার পেছনে যথেষ্ট উৎসাহ দিয়েছিলেন। মূলত তার সাহস নিয়েই সামনে এগিয়ে যাওয়ার প্রয়াস পেয়েছি।”

১৯৯৫ খ্রিস্টাব্দে বারী সিদ্দিকী প্রখ্যাত সাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদের ‘রঙের বাড়ই’ নামের একটা ম্যাগাজিন অনুষ্ঠানে জনসমক্ষে প্রথম সঙ্গীত পরিবেশন করেন। এরপর ১৯৯৯ খ্রিষ্টাব্দে হুমায়ূন আহমেদের রচনা ও পরিচালনায় নির্মিত শ্রাবণ মেঘের দিন চলচ্চিত্রে ৭টি গানে কণ্ঠ দেন। এর মধ্যে “শুয়া চান পাখি” গানটির জন্য তিনি অতিদ্রুত ব্যাপক জনপ্রিয়তা লাভ করেন।

১৯৯৯ খ্রিষ্টাব্দে জেনেভায় অনুষ্ঠিত বিশ্ব বাঁশি সম্মেলনে ভারতীয় উপমহাদেশ থেকে একমাত্র প্রতিনিধি হিসেবে তিনি অংশগ্রহণ করেন।

আমি একটা জিন্দা লাশ

 

আমি একটা জিন্দা লাশ কাটিস না রে [ Ami Akta Jinda Lash Katis Na Re ] নিয়ে কভার ঃ

 

Leave a Comment