আমি তো ভালা না (2018) [ Ami To Vala Na ] | কামরুজ্জামান রাব্বি
“আমি-তো ভালা না [ Ami To Vala Na ]” বাংলা লোকগানটি গেয়েছেন বাংলাদেশ এর কন্ঠশিল্পী কামরুজ্জামান রাব্বি । গানটি লিখেছেনমাহবুব শাহ । এটি ২০১৮ তে খুবই জনপ্রিয় হওয়া বাংলা গান ।
আমি তো ভালা না (2018) [ Ami To Vala Na ] | কামরুজ্জামান রাব্বি
গীতিকারঃ মাহবুব শাহ
সুরকারঃ মাহবুব শাহ
প্রথম রেকর্ডের কন্থশিল্পীঃ কামরুজ্জামান রাব্বি
আমি তো ভালা না লিরিক্স :
অতীতের কথা গুলো
পুরনো স্মৃতি গুলো,
অতীতের কথা গুলো
পুরনো স্মৃতি গুলো,
মনে মনে রাইখো
আমি-তো ভালা না ভালা লইয়াই থাইকো,
আমি-তো ভালা না ভালা লইয়াই থাইকো।
তুমি আমার স্বপ্ন আশা, তুমি ভালবাসা
তোমারে না পাইলে এই জীবন বৃথা, বন্ধু
এই জীবন বৃথা
তুমি আমার স্বপ্ন আশা, তুমি ভালবাসা
তোমারে না পাইলে এই জীবন বৃথা, দয়াল
এই জীবন বৃথা।
অন্তরে না রাখলেও,
অন্তরে না রাখলেও মুখে মুখে রাইখো
আমি-তো ভালা না ভালা লইয়াই থাইকো,
আমি-তো ভালা না ভালা লইয়াই থাইকো।
পথে আমি পড়ে ছিলাম বুকে টেনে নিলে
বুকে টেনে নিয়ে কেনো এতো ব্যাথা দিলে, বন্ধু
এতো ব্যাথা দিলে
পথে আমি পড়ে ছিলাম বুকে টেনে নিলে
বুকে টেনে নিয়ে কেনো এতো ব্যাথা দিলে, দয়াল
এতো ব্যাথা দিলে।
জিন্দা থাকতে না ডাকিলে ও
জিন্দা থাকতে না ডাকিলে ও মইরা গেলে ডাইকো
আমি তো ভালা না ভালা লইয়াই থাইকো,
আমি তো ভালা না ভালা লইয়াই থাইকো।
মাহবুব ভেবে বলে মায়ের কোলেই ভালা
মায়ের কোল ছেড়ে দেখি সংসারেতে জ্বালা, দয়াল
সংসারেতে জ্বালা
মাহবুব ভেবে বলে মায়ের কোলেই ভালা
মায়ের কোল ছেড়ে দেখি সংসারেতে জ্বালা, বন্ধু
সংসারেতে জ্বালা।
দুনিয়ার সবাই ভালা
দুনিয়ার সবাই ভালা তাগোই বুকে রাইখো
আমি-তো ভালা না ভালা লইয়াই থাইকো,
আমি-তো ভালা না ভালা লইয়াই থাইকো।
অতীতের কথা গুলো
পুরনো স্মৃতি গুলো,
মনে মনে রাইখো
আমি-তো ভালা না ভালা লইয়াই থাইকো।
কামরুজ্জামান’ রাব্বিঃ
কামরুজ্জামান’ রাব্বি বাংলাদেশের জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী । তিনি তার লোকগান গাওয়ার জন্য বেশ জনপ্রিয় । মাছরাঙা টেলিভিশন-এর লোকসংগীতবিষয়ক রিয়েলিটি শো ম্যাজিক বাউলিয়ানা’র দ্বিতীয় আসরে সেরা পাঁচে জায়গা করে নিয়েছিলেন রাব্বি। এরপর ‘আমিতো-ভালা না’ শিরোনামের গান দিয়ে দিয়ে আলোচনায় আসেন এ শিল্পী।
বাংলা সঙ্গীত বাংলার সহস্রাব্দ প্রাচীন ধর্মীয় ও ধর্মনিরপেক্ষ সাংগীতিক ঐতিহ্যটিকে নির্দেশ করে। ঐতিহাসিক বাংলা অঞ্চলটি বর্তমানে স্বাধীন বাংলাদেশ ও ভারতীয় রাজ্য পশ্চিমবঙ্গে বিভক্ত। বাংলা ভাষায় রচিত ও বিভিন্ন শৈলীর সুরে সমৃদ্ধ বাংলা সঙ্গীতধারাটি এই উভয় অঞ্চলেই ব্যাপক জনপ্রিয়তার অধিকারী।
বাংলার প্রাচীন সঙ্গীতকলা সংস্কৃত স্তোত্রসঙ্গীত প্রভাবিত। এই সময়কার বৈষ্ণব ভাবাশ্রিত কিছু ধর্মসঙ্গীতিগুলি আজও পূর্ব ভারতীয় মন্দিরগুলিতে গীত হয়। ত্রয়োদশ শতাব্দীতে কবি জয়দেব বিরচিত গীতগোবিন্দম্ এই জাতীয় সঙ্গীতের একটি বিশিষ্ট উদাহরণ। মধ্যযুগে নবাব ও বারো ভূঁইয়া নামে খ্যাত শক্তিশালী ভূস্বামীবর্গের পৃষ্ঠপোষকতায় প্রতিপালিত সঙ্গীতধারায় আবার হিন্দু ও মুসলমান সাংগীতিক রীতির এক অপূর্ব সমন্বয় দেখা যায়।
![আমি তো ভালা না (2018) [ Ami To Vala Na ] | কামরুজ্জামান রাব্বি 1 YaifwwriN4BzRFCyqbslL4 আমি তো ভালা না (2018) [ Ami To Vala Na ] | কামরুজ্জামান রাব্বি](https://bn.musicgoln.com/wp-content/uploads/1965/12/YaifwwriN4BzRFCyqbslL4-300x225.png)
প্রাচীন ও মধ্যযুগীয় গানগুলির অধিকাংশই ছিল ধর্মীয় সঙ্গীত। মধ্যযুগের প্রথম পাদে বিদ্যাপতি, চণ্ডীদাস, গোবিন্দদাস, জ্ঞানদাস, ও বলরামদাস প্রমুখ বৈষ্ণব পদকর্তাগণ রাধা-কৃষ্ণ বিষয়ক গানে জাগতিক ও আধ্যাত্মিক প্রেমচেতনার একটি পার্থক্য দর্শিয়েছেন।
আবার মধ্যযুগের শেষ পাদে রামপ্রসাদ সেন ও কমলাকান্ত ভট্টাচার্য প্রমুখ শাক্তপদাবলিকারগণ তাদের গানে ঈশ্বরকে শুদ্ধ মাতৃরূপে বন্দনার কথা বলেছেন। বৈষ্ণব ও শাক্তপদাবলি (শ্যামাসংগীত ও উমাসঙ্গীত) উভয়েরই মূল উপজীব্য হিন্দু ভক্তিবাদ|ভক্তিবাদী দর্শন। বৈষ্ণব সঙ্গীতে যখন জীবাত্মা-পরমাত্মাকেন্দ্রিক প্রেমভক্তির তত্ত্ব প্রচারিত হয়, তখনই শাক্তগানে তন্ত্র ও শুদ্ধা মাতৃবন্দনার এক সম্মিলন গড়ে ওঠে।