এই রাঙামাটির পথে লো [ Oi Ranga Matir Pathe Lo ]

এই রাঙামাটির পথে লো [ Oi Ranga Matir Pathe Lo ]
লেবেলঃ স্টুডিও গুরুকুল [ Studio Gurukul ]
প্রযোজনাঃ সঙ্গীত গুরুকুল [ Music Gurukul ]
কাভারঃ অন্তরা মন্ডল [ Antora Mandal ]

 

Music Gurukul Logo 512x512

 

এই রাঙামাটির পথে লো

এই রাঙামাটির পথে লো
মাদল বাজে, বাজে বাঁশের বাঁশি
মাদল বাজে, বাজে বাঁশের বাঁশি
এই রাঙামাটির পথে লো
মাদল বাজে, বাজে বাঁশের বাঁশি
মাদল বাজে, বাজে বাঁশের বাঁশি

ও বাঁশি বাজে বুকের মাঝে লো
মন লাগে না কাজে লো
রইতে না’রি ঘরে আমার
প্রাণ হলো উদাসী লো
মাদল বাজে, বাজে বাঁশের বাঁশি
মাদল বাজে, বাজে বাঁশের বাঁশি

মাদলীয়ার তালে তালে
অঙ্গ ওঠে দুলে লো
অঙ্গ ওঠে দুলে
মাদলীয়ার তালে তালে
অঙ্গ ওঠে দুলে লো
অঙ্গ ওঠে দুলে
দোল লাগে শাল পিয়াল বনে
নতুন খোপার ফুলে লো
নতুন খোপার ফুলে
দোল লাগে শাল পিয়াল বনে

নতুন খোপার ফুলে লো
নতুন খোপার ফুলে
মহুয়া বনে লুটিয়ে পরে
মাতাল চাঁদের হাসি লো
মাদল বাজে, বাজে বাঁশের বাঁশি
মাদল বাজে, বাজে বাঁশের বাঁশি
চোখে ভালো লাগে যাকে
তারে দেখবো পথের বাঁকে লো
দেখবো পথের বাঁকে
চোখে ভালো লাগে যাকে
তারে দেখবো পথের বাঁকে লো

দেখবো পথের বাঁকে
তার চাচড় কেশে পড়িয়ে দেবো
ঝুমকো জবার ফুল লো
ঝুমকো জবার ফুল
তার গলার মালার কুসুম কেড়ে
করবো কানের দুল
তার গলার মালার কুসুম কেড়ে
করবো কানের দুল
তার নাচের তালের ইশারাতে

বলবো ভালোবাসি লো
মাদল বাজে, বাজে বাঁশের বাঁশি
মাদল বাজে, বাজে বাঁশের বাঁশি
এই রাঙামাটির পথে লো
মাদল বাজে, বাজে বাঁশের বাঁশি
মাদল বাজে, বাজে বাঁশের বাঁশি
মাদল বাজে, বাজে বাঁশের বাঁশি

 

Google news
গুগল নিউজে আমাদের ফলো করুন

 

কাজী নজরুল ইসলাম :

কাজী নজরুল ইসলাম (২৪ মে ১৮৯৯ – ২৯ আগস্ট ১৯৭৬; ১১ জ্যৈষ্ঠ ১৩০৬ – ১২ ভাদ্র ১৩৮৩ বঙ্গাব্দ) বিংশ শতাব্দীর প্রধান বাঙালি কবি ও সঙ্গীতকার। তার মাত্র ২৩ বছরের সাহিত্যিক জীবনে সৃষ্টির যে প্রাচুর্য তা তুলনারহিত। সাহিত্যের নানা শাখায় বিচরণ করলেও তার প্রধান পরিচয় তিনি কবি।

তার জীবন শুরু হয়েছিল অকিঞ্চিতকর পরিবেশে। স্কুলের গণ্ডি পার হওয়ার আগেই ১৯১৭ খ্রিষ্টাব্দে তিনি ব্রিটিশ ভারতীয় সেনাবাহিনীতে যোগ দিয়েছিলেন। মুসলিম পরিবারের সন্তান এবং শৈশবে ইসলামী শিক্ষায় দীক্ষিত হয়েও তিনি বড় হয়েছিলেন একটি ধর্মনিরপেক্ষ সত্তা নিয়ে। একই সঙ্গে তার মধ্যে বিকশিত হয়েছিল একটি বিদ্রোহী সত্তা। ১৯২২ খ্রিস্টাব্দে ব্রিটিশ সরকার তাকে রাজ্যদ্রোহিতার অপরাধে কারাবন্দী করেছিল। তিনি ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের অধীন অবিভক্ত ভারতের বিদ্রোহী কবি হিসেবে পরিচিত হয়েছিলেন।

যে নজরুল সুগঠিত দেহ, অপরিমেয় স্বাস্থ্য ও প্রাণখোলা হাসির জন্য বিখ্যাত ছিলেন, ১৯৪২ খ্রিষ্টাব্দে তিনি মারাত্মকভাবে স্নায়বিক অসুস্থতায় আক্রান্ত হয়ে পড়লে আকস্মিকভাবে তার সকল সক্রিয়তার অবসান হয়। ফলে ১৯৭৬ খ্রিষ্টাব্দে মৃত্যু অবধি সুদীর্ঘ ৩৪ বছর তাকে সাহিত্যকর্ম থেকে সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন থাকতে হয়। বাংলাদেশ সরকারের প্রযোজনায় ১৯৭২ খ্রিষ্টাব্দে তাকে সপরিবারে কলকাতা থেকে ঢাকা স্থানান্তর করা হয়। ১৯৭৬ সালে তাকে বাংলাদেশের জাতীয়তা প্রদান করা হয়। এখানেই তিনি মৃত্যুবরণ করেন।

বিংশ শতাব্দীর বাঙালির মননে কাজী নজরুল ইসলামের মর্যাদা ও গুরুত্ব অপরিসীম। বাংলাদেশে তাকে “জাতীয় কবি“ হিসাবে মর্যাদা দেওয়া হয়। তার কবিতা ও গানের জনপ্রিয়তা বাংলাভাষী পাঠকের মধ্যে তুঙ্গস্পর্শী। তার মানবিকতা, ঔপনিবেশিক শোষণ ও বঞ্চনার বিরুদ্ধে দ্রোহ, ধর্মীয়গোঁড়ামির বিরুদ্ধতা বোধ এবং নারী-পুরুষের সমতার বন্দনা গত প্রায় একশত বছর যাবৎ বাঙালির মানসপীঠ গঠনে ভূমিকা রেখে চলেছে।

এই রাঙামাটির পথে লো

 

 

এই রাঙামাটির পথে লো [ Oi Ranga Matir Pathe Lo ] নিয়ে কভার ঃ

 

Leave a Comment