একা লিরিক্স | Eka lyrics | শিরোনামহীন ১৯৯৬ সালে গঠিত ঢাকা ভিত্তিক বাংলা রক ব্যান্ড। ১৯৯০-এর দশকের শেষের দিকে ঢাকার আন্ডারগ্রাউন্ড সঙ্গীত থেকে উঠে এসে প্রোগ্রেসিভ রক, সাইকেডেলিক রক এবং লোক ধাঁচের সঙ্গীতের জন্য তারা খ্যাতি অর্জন করে। গানের দর্শন, সুর এবং জনবহুল সরাসরি পরিবেশনার জন্য দলটি বাংলা প্রোগ্রেসিভ রক ধারার শীর্ষস্থানীয় ব্যান্ডগুলির একটি হয়ে ওঠে।
Table of Contents
একা লিরিক্স | Eka lyrics | Bondho Janala | শিরোনামহীন
শিরোনামঃ একা
কথাঃ তুষার
কন্ঠঃ তুহীন
সুরঃ তুষার
ব্যান্ডঃ শিরোনামহীন
অ্যালবামঃ বন্ধ জানালা
একা লিরিক্স :
রাত্রি ক্লান্ত জীর্ন শীর্ন আঁধো চাঁদের আলো
পিচ ঢালা পথ কখনো ধূসর কখনও বা কালো
সারাটা পথ জুড়ে আমি একা
হেটে যাই আকাশ তারার পানে চেয়ে
নীল জোছনায় স্মৃতিরো ভীড়ে
হারিয়ে যায় মন আধারে।
আধাঁর রাতে নেমে আসে শিশিরের ছায়া
নিভে গেছে দূর কোন স্মৃতিরও মায়া
নিঃসীম চারপাশ কোনো সাড়া নেই
তবু এক দীপ্তি রয়ে গেছে…..
যত দূরে যেতে চাই নিলীমার পথে
আরো দূরে সরে যায় রাতের আকাশে
চুপচাপ শহরে নিশ্বাস ফেলে আসি
এই নিরব বাতাসে ……..
ইতিহাস
১৯৯৬–২০০৪: প্রারম্ভিক বছর[উৎস সম্পাদনা]
গঠন[উৎস সম্পাদনা]
বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বুয়েট) স্থাপত্য প্রকৌশল বিষয়ে অধ্যয়নকালে জুয়েলের সঙ্গে পরিচত ছিলেন জিয়াউর রহমান জিয়া। ইতোপূর্বে জিয়া ১৯৯২ গঠিত থ্র্যাশোল্ড নামের একটি থ্রাশ মেটাল ঘরানার ব্যান্ডে বাজাতেন। নব্বইয়ের দশকের মাঝামাঝি বুলবুল হাসানের সাথে জিয়ার সাক্ষাত ঘটে। বুলবুল সে সময় ছায়ানটে অধ্যয়নরত।১৯৯৬ সালে তারা তিনজন মিলে একটি ব্যান্ড গঠন করেন। মূল কণ্ঠে বুলবুল এবং গিটারে জুয়েল ও জিয়া মিলে প্রথমদিকে তারা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় আঙিনা, টিএসসি, মধুর ক্যান্টিন, হাকিম চত্বর, আর্টস ক্যাফেটেরিয়া এবং কাছাকাছি জনাকীর্ণ স্থানে ঘরোয়া পরিবেশনে অংশ নিতে থাকে।শুরু থেকেই গান লেখা আর সুর করতেন জিয়া।
প্রাথমিকভাবে তারা প্রায় পঞ্চাশটি গান তৈরি করে। ১৯৯৬ সালের পহেলা বৈশাখে,ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি মিলনায়তনে পদাতিক নাট্য সংসদের আয়োজনে শিরোনামহীন নামে তারা প্রথম মঞ্চে পরিবশেন করে।শিক্ষাঙ্গণভিত্তিক প্রাথমিক জনপ্রিয়তা লাভের পর তারা একের পর এক পরিবেশনের আমন্ত্রণ পেতে শুরু করে। এর কিছুদিন পর চারুকলা অনুষদ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বকুলতলায় পরিবেশন করে শিরোনামহীন। সে সময়ে ব্যান্ডটির বাদ্যযন্ত্রেও পরিবর্তন আসে। তারা পরিবেশনায় প্লাগ্ড গিটার, সরোদ ও ড্রাম ব্যবহার শুরু করে। সে সময়ের মঞ্চে পরিবেশনকৃত সব গানই তাদের নিজেদের রচিত ছিল বলে শ্রুোতাদের আগ্রহের বিষয় হয়ে ওঠে। তাদের ভিন্নধর্মী সঙ্গীতশৈলী ও গানের কথা সেসময় তাদের খ্যাতি অর্জনে সহায়তা করে।

রবীন্দ্রসঙ্গীত ও নজরুলগীতিতে পারদর্শী তাদের তৎকালীন ভোকাল বুলবুল ব্যান্ডের সাথে নিজেকে মানিয়ে তুলতে না পারায় ২০০০ সালে দল ত্যাগ করেন। ব্যান্ডে ভোকাল হিসেবে যোগ দেন মহিন।এরপর সম্পূর্ণ বাদ্রযন্ত্র সমন্বয়ে শিরোনামহীন পরিবেশনা শুরু করে। একই বছর “স্টার সার্চ: বেনসন অ্যান্ড হেজেস” প্রতিযোগিতায় রানার্সআপ হয় শিরোনামহীন।অন্যদিকে মহিন দেশ ত্যাগ করায়, ২০০০ সালের ডিসেম্বরে নতুন ভোকাল হিসেবে মহিনের স্থলাভিষিক্ত হন তানজির তুহিন। জিয়া এবং তুহিন দুজনই সে সময়ে বুয়েটে সহপাঠী ছিলেন। ২০০৩ সালে ফারহান করিম (সরোদ) ও ইয়াসির তুষার (গিটার) ও কাজী আহমাদ শাফিন (ড্রাম) দলে যোগদান করেন।