“ও ভাউজি না কন আর এগলা কথা” এটি একটি ভাওয়াইয়াগান । ভাওয়াইয়া মূলত বাংলাদেশের রংপুর এবং ভারতের পশ্চিমবঙ্গের কোচবিহারে ও আসামের গোয়ালপাড়ায় প্রচলিত এক প্রকার পল্লীগীতি।
ও ভাউজি না কন আর এগলা কথা [ O vauji na kon ar egla kotha ]
গানের জনরাঃ ভাওয়াইয়া গান
ও ভাউজি না কন আর এগলা কথা [ O vauji na kon ar egla kotha ]
ও ভাউজি না কন আর এগলা কথা
ও ভাওজি না কন আর এগুলা কথা
ওরে লাগে হিয়াতে
ওরে চক্ষু রাইতে বালিশ বিজিলে মোর
ওরে চোখের পানিতে
ও ভাওজি না কন আর এগুলা কথা
ওরে লাগে হিয়াতে
ওরে চক্ষু রাইতে বালিশ বিজিলে মোর
ওরে চোখের পানিতে
ওরে চক্ষু রাইতে বালিশ বিজিলে মোর
ওরে চোখের পানিতে
ও ভাওজি না কন আর এগুলা কথা
ওরে লাগে হিয়াতে
ওরে চক্ষু রাইতে বালিশ বিজিলে মোর
ওরে চোখের পানিতে
ওরে চক্ষু রাইতে বালিশ বিজিলে মোর
ওরে চোখের পানিতে
ওকি ওদয়াল ভাওজি ওওওও…
দেখতে কইয়্যা বছর গেলে মোর
পাত্রি না খুজিয়্যা
ওকি ওদয়াল ভাওজি ওওওও…
দেখতে কইয়্যা বছর গেলে মোর
পাত্রি না খুজিয়্যা
ওরে দাদায় আসিলে
কয়া দেম তার
দাদায় আসিলে
কয়া দেম তার
না করম রিয়্যা
এইযে কাবুল বশের কামাই খালমোর
হাওশের পিরিতে
এইযে কাবুল বশের কামাই খালমোর
হাওশের পিরিতে
ও ভাওজি না কন আর এগুলা কথা
ওরে লাগে হিয়াতে
ওরে চক্ষু রাইতে বালিশ বিজিলে মোর
ওরে চোখের পানিতে
ওকি ওদয়াল ভাওজি ওওওও…
কি সত্তিবার কি করিনু মই
ঘরথে বাড়ি নূরে বসা
ওকি ওদয়াল ভাওজি ওওওও…
কি সত্তিবার কি করিনু মই
ঘরথে বাড়ি নূরে বসা
কায় জানে তার এমন হইবে
কায় জানে তার এমন হইবে
মোর অভাগার কতা
এইযে মোর কাবুল বশের কামাই খাইয়্যে
হাওশের পিরিতি
এইযে মোর কাবুল বশের কামাই খাইয়্যে
হাওশের পিরিতি
ও ভাওজি না কন আর এগুলা কথা
ওরে লাগে হিয়াতে
ওরে চক্ষু রাইতে বালিশ বিজিলে মোর
ওরে চোখের পানিতে
ওরে চক্ষু রাইতে বালিশ বিজিলে মোর
ওরে চোখের পানিতে
ওরে চক্ষু রাইতে বালিশ বিজিলে মোর
ওরে চোখের পানিতে
ভাওয়াইয়া গানঃ
ও ভাউজি না কন আর এগলা কথা একটি ভাওয়াইয়া গান ভাওয়াইয়ামূলত বাংলাদেশের রংপুর এবং ভারতের পশ্চিমবঙ্গের কোচবিহারে ও আসামের গোয়ালপাড়ায় প্রচলিত এক প্রকার পল্লীগীতি। এসকল গানের বৈশিষ্ট্য হচ্ছে এ গানগুলোতে স্থানীয় সংস্কৃতি, জনপদের জীবনযাত্রা, তাদের কর্মক্ষেত্র, পারিবারিক ঘটনাবলী ইত্যাদির সার্থক প্রয়োগ ঘটেছে। ভাওয়াইয়া গান বাংলা লোকগানের সুরাঙ্গের প্রধান চারটি ধারার একটি। এই ধারটির বিকাশ ঘটেছে বরেন্দ্র-অঞ্চল-সহ উত্তরবঙ্গের বিশাল অঞ্চল জুড়ে। এই অঞ্চলের ভিতরে রয়েছে অখণ্ড বঙ্গদেশের কোচবিহার, জলপাইগুড়াই, দার্জিলিং-এর সমভূমি, উত্তর দিনাজপুর, রংপুর, আসামের গোয়ালপাড়া ও ধুবড়ি জেলা।
ভাওয়াইয়া গানের আকরভূমি রংপুর। বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলের নদী-নালা কম থাকায় গরুর গাড়িতে চলাচলের প্রচলন ছিল। আর গরুর গাড়ির গাড়োয়ান রাত্রে গাড়ি চলাবস্থায় বিরহ ভাবাবেগে কাতর হয়ে আপন মনে গান ধরে। উঁচু-নিচু রাস্তায় গাড়ির চাকা পড়লে তার গানের সুরে আধো-ভাঙ্গা বা ভাঁজ পড়ে। এই রকম সুরে ভাঙ্গা বা ভাঁজ পড়া গীতরীতিই ‘ভাওয়াইয়া’ গানে লক্ষণীয়।
আব্বাসউদ্দিনকে ‘ভাওয়াইয়া গানের সম্রাট‘ বলা হয় এবং প্রতিমা পান্ডে বড়ুয়াকে বলা হয় ‘ভাওয়াইয়া সম্রাজ্ঞী’।