ওক রেকর্ডসের প্রতিষ্ঠাতা ও অ্যাডরের সাবেক সিইও মিন হি-জিন আগামী রবিবার সিউলের একটি ড্যান্স একাডেমিতে বিশেষ গোপন অডিশনের আয়োজন করছেন। সাম্প্রতিক সময়ে কে-পপ অঙ্গনে তাঁর প্রত্যাবর্তন নিয়ে যে আগ্রহ তৈরি হয়েছে, এই অডিশন যেন সেই আগ্রহকে আরও উসকে দিয়েছিল। অনেকে মনে করছেন, এটি তাঁর নতুন সৃজনশীল প্রকল্প ও সম্ভাব্য নতুন দল গঠনের প্রাথমিক ধাপ।
দক্ষিণ কোরিয়ার কোরিয়া হেরাল্ড জানিয়েছে যে, অক্টোবর মাসে মিন হি-জিন ওক রেকর্ডস প্রতিষ্ঠা করেন এবং অল্প সময়েই এর করপোরেট নিবন্ধন সম্পন্ন হয়। প্রতিষ্ঠানের কাজের পরিধি অত্যন্ত বিস্তৃত—নতুন শিল্পী আবিষ্কার, প্রশিক্ষণ, অ্যালবাম প্রস্তুত, ডিজিটাল ডিস্ট্রিবিউশন, কনসার্ট আয়োজন, ইভেন্ট ব্যবস্থাপনা এবং ব্র্যান্ড পরিচালনা। সব মিলিয়ে এটি আধুনিক বিনোদন ব্যবসার পূর্ণ কাঠামো বহন করে।
ওক রেকর্ডসের অংশীদার ড্যান্স স্টুডিওর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ঘোষণা অনুযায়ী, এই অনলাইন অডিশনে ২০০৬ থেকে ২০১১ সালের মধ্যে জন্ম নেওয়া প্রতিভাবান তরুণ-তরুণীরা অংশ নিতে পারবেন। আবেদনকারীর লিঙ্গ বা জাতীয়তা—কোনোটিই সীমাবদ্ধতার কারণ হবে না। ফলে ধারণা করা হচ্ছে, মিন হি-জিন তাঁর নতুন প্রোজেক্টে আন্তর্জাতিকভাবে বৈচিত্র্যময় ট্যালেন্ট যুক্ত করতে আগ্রহী। আবেদন করার শেষ সময় বৃহস্পতিবার রাত ১০টা।
নিউজিন্সের সদস্যদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক থাকার কারণে মিনকে একসময় অনেকে ‘নিউজিন্সের অভিভাবক’ বলে অভিহিত করতেন। গত ১২ নভেম্বর যখন গ্রুপটির সদস্যরা অ্যাডরে ফিরতে আগ্রহ প্রকাশ করেন, তখন মিন প্রকাশ্যেই তাঁদের সমর্থন দেন। তবুও অ্যাডর এখনো মিনজি, হান্নি ও ড্যানিয়েলের সঙ্গে আলাদা বৈঠক শেষ করেনি। বিশ্লেষকদের মতে, এই অবস্থা প্রমাণ করে যে মিন ও নিউজিন্সের পথ এখন আর এক নয়।
গত বছর নভেম্বর নিউজিন্স অ্যাডরের সঙ্গে তাদের চুক্তি বাতিল করে। এর আগে আগস্টে হাইবের সঙ্গে দ্বন্দ্বের কারণে মিন তাঁর সিইও পদ হারান। দীর্ঘ ১০ মাসের বেশি আইনি লড়াই চলে, এবং শেষে এই বছরের অক্টোবরে সিউল সেন্ট্রাল ডিস্ট্রিক্ট কোর্ট অ্যাডর ও নিউজিন্সের চুক্তিটিকে বৈধ ঘোষণা করে। এতে গ্রুপটির কার্যক্রম আবারও অ্যাডরের অধীনে নির্বিঘ্নে চলার সুযোগ তৈরি হয়।
