গ্র্যামি অ্যাওয়ার্ডসের লালগালিচা এবার আলোচিত হয়ে উঠেছে পপ গায়িকা চ্যাপেল রোন-এর সাহসী উপস্থিতির কারণে। “পিঙ্ক পনি ক্লাব” দিয়ে পরিচিতি পাওয়া এই গায়িকা এ বছর তার গান ‘দ্য সাবওয়ে’-র জন্য দুটি মনোনয়ন পেয়েছিলেন। লালগালিচায় তিনি সাহসী, টপলেস লুকের পোশাকে হাজির হয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মুহূর্তের মধ্যে ভাইরাল হয়েছেন।
ফটোগ্রাফারদের সামনে তাঁর নির্ভীক পোজ যতটা নজর কাড়েছিল, বাস্তব সম্প্রচারে তিনি সামঞ্জস্য রেখে একটি পোশাক পরে ঊর্ধ্বাঙ্গ ঢেকে নেন। ‘ই!’ নেটওয়ার্কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে যদিও লুক ঢেকে রাখার চেষ্টা করা হয়েছিল, তবে তখনও রেড কার্পেটে নেওয়া ছবি এবং ভিডিও দ্রুত ভাইরাল হয়ে গেছে।
এর আগে ২০২৫ সালে জনপ্রিয় পডকাস্ট ‘কল হার ড্যাডি’-তে চ্যাপেল স্বীকার করেছিলেন, দৈনন্দিন জীবনে তিনি তুলনামূলকভাবে সংযত পোশাক পরেন। তবে ক্যারিয়ারের শুরুতে মঞ্চে এবং ব্যক্তিগত স্টাইলে তিনি অনেক বেশি সাহসী ছিলেন।
চ্যাপেল রোনের নাম আলোচনায় এসেছে শুধু তার সাহসী পোশাকের কারণে নয়। গত বছরের গ্র্যামিতে সেরা নতুন শিল্পী হিসেবে পুরস্কার গ্রহণের সময় তিনি শিল্পীদের ন্যায্য মজুরি, স্বাস্থ্যবিমা এবং কর্মী হিসেবে মর্যাদা নিশ্চিত করার বিষয়েও জোরালো বক্তব্য রেখেছিলেন।
চ্যাপেল রোনের সংক্ষিপ্ত সময়রেখা
| বছর | ঘটনা | বিবরণ |
|---|---|---|
| ২০১৪ | ইউটিউবে প্রথম গান | ‘গাই ইয়ং’ প্রকাশ, প্রথম আলোচনায় নয় |
| ২০১৭ | এক্সটেন্ডেড প্লে | ‘স্কুল নাইটস’ প্রকাশ |
| ২০২২ | জনপ্রিয়তার উত্থান | একের পর এক গান প্রকাশ, তরুণ প্রজন্মের মধ্যে পরিচিতি বৃদ্ধি |
| ২০২৩ | প্রথম অ্যালবাম | ‘দ্য রাইজ অ্যান্ড দ্য ফল অফ আ মিডওয়েস্ট প্রিন্সেস’, ৯ গান, বহু মনোনয়ন |
| ২০২৬ | নতুন সাফল্য | ‘গুড লাক, বেবি!’ প্রকাশ, বিলবোর্ড ও স্পটিফাই চার্টে সাফল্য |
চ্যাপেল মূলধারার সংগীত সমালোচকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে পেরেছেন তার প্রথম অ্যালবাম ‘দ্য রাইজ অ্যান্ড দ্য ফল অফ আ মিডওয়েস্ট প্রিন্সেস’ (২০২৩) দিয়ে। অ্যালবামটি পপ রক, নিউ ওয়েভ, লোকসংগীত ও রকের মিশ্রণে তৈরি, যা তরুণ শ্রোতাদের মধ্যে বেশ জনপ্রিয়তা পেয়েছে। চলতি বছরের এপ্রিলে প্রকাশিত গান ‘গুড লাক, বেবি!’ তাকে আরও এক ধাপ এগিয়ে দিয়েছে।
চ্যাপেল রোন নিজেই গান লিখেন এবং তাঁর সঙ্গীতে প্রেম, সম্পর্ক ও যৌনতার খোলামেলা বর্ণনা লক্ষ্য করা যায়। সংগীত সমালোচকরা মনে করেন, এ কারণেই তিনি তরুণদের মধ্যে এত জনপ্রিয়। দ্য নিউইয়র্ক টাইমস তুলনা করেছে তাকে লিজা মিনেলির সঙ্গে। তিনি প্রেরণা হিসেবে উল্লেখ করেছেন ব্রিটিশ গায়িকা কেট বুশকে, এছাড়া এলি গোল্ডিং, লর্দে ও লানা দেল রে-কেও।
চ্যাপেল রোনের সাহসী লালগালিচার উপস্থিতি, সামাজিক সচেতনতার বক্তব্য এবং সংগীতের খোলামেলা প্রকাশ—এগুলো মিলিয়ে তিনি কেবল তরুণ প্রজন্মের নয়, পুরো শিল্প জগতের নজর কাড়ছেন।
এই পুনর্লিখনে মূল তথ্য সমৃদ্ধ করা হয়েছে, সময়রেখা ও টেবিলের মাধ্যমে তার সংগীত ক্যারিয়ারের ধাপগুলো স্পষ্ট করা হয়েছে এবং শব্দ সংখ্যা ৪০০-এর বেশি রাখা হয়েছে।
