অস্ট্রিয়ান পাওয়ার মেটাল ব্যান্ড ড্রাগনি ফের একবার তাদের ভক্তদের জন্য নতুন সঙ্গীত নিয়ে হাজির হয়েছে। সম্প্রতি তারা প্রকাশ করেছে নতুন সিঙ্গেল “শ্যাডো অ্যান্ড ফ্লেম”, যা তাদের প্রিয় পপ-কালচার থেকে প্রাপ্ত অনুপ্রেরণার পুনরাবিষ্কারের সূচনা করছে। এর আগে ইতিহাসের বিভিন্ন ঘটনাকে ফ্যান্টাসি আঙ্গিকে পুনর্গঠনের মাধ্যমে দুটি অ্যালবাম প্রকাশ করেছিল ব্যান্ডটি। এবার তারা ডাইভার্সিভ ও ভিডিও গেমের জগতে পা দিয়েছে, বিশেষ করে সমালোচকদের প্রশংসিত Elden Ring এবং তার DLC Shadow of the Erdtree থেকে সৃষ্টিশীল অনুপ্রেরণা নিয়েছে। ২০২৫ সালের গ্রীষ্মে গাওয়া এই ট্র্যাকটি নিশ্চিতভাবেই দীর্ঘদিনের ভক্ত ও নতুন শ্রোতাদের মন কাড়বে।
ড্রাগনি এই নতুন ধারা আরও প্রাণবন্ত করার জন্য তাদের স্থায়ী দলকে সম্প্রসারিত করেছে। ব্যান্ডে যোগ দিয়েছেন অসাধারণ কণ্ঠশিল্পী মারিয়া নেশ, যিনি দ্বিতীয় লিড সিঙ্গার হিসেবে নতুন মাত্রা যোগ করেছেন। এছাড়া UNLEASH THE ARCHERS এর ব্রিটনি স্লাইস এই সিঙ্গেলে অংশ নিয়ে ট্র্যাকটিকে একটি মহাকাব্যিক উচ্চতায় নিয়ে গেছেন। ড্যানিশ সঙ্গীতজ্ঞ লাসে এলকজেয়ার আবারও সিনেম্যাটিক আর্কেস্ট্রেশন দিয়েছেন, আর কিংবদন্তি প্রযোজক জ্যাকব হ্যানসেন নিশ্চিত করেছেন যে, গানটির শব্দ এবং প্রোডাকশন হবে অনন্য ও শক্তিশালী।
ফ্রন্টম্যান সিগফ্রিড সামার জানান, “আমি সবসময় FromSoftware এর গেমের ভক্ত। Elden Ring আমাদের অনেক প্রেরণা দিয়েছে। আমাদের পূর্ববর্তী গান ‘Kiln of the First Flame’ ও ‘Lords of the Hunt’ Dark Souls এবং Bloodborne থেকে অনুপ্রাণিত। ‘Shadow and Flame’ সেই থিম্যাটিক ট্রিলজি সম্পূর্ণ করছে। মারিয়া আমাদের দলের নতুন সদস্য হিসেবে যোগ দিয়েছেন, আর ব্রিটনির অবদান গানটিকে এক অনন্য মাত্রা দিয়েছে।”
কভার আর্টওয়ার্ক তৈরি করেছেন স্ট্যান ডেকার, যা Shadow of the Erdtree DLC-এর Scadutree এবং আগুনে লিপ্ত সাপের প্রতীকী চিত্র Messmer কে মিলে এক রহস্যময়, অন্যজগতের আবহ তৈরি করেছে।
ভক্তদের জন্য সুখবর, ড্রাগনি ২০২৬ সালে ইউরোপের বৃহৎ সফরে যাচ্ছেন। তারা Ensiferum এবং Freedom Call এর সঙ্গে লন্ডনের The Dome, প্যারিসের La Machine Du Moulin Rouge সহ বিভিন্ন ভেন্যুতে এবং Full Metal Mayrhofen, Epic Fest, ও Warriors Of Steel Festival-এ পারফর্ম করবেন।
“Shadow and Flame” দিয়ে ড্রাগনি পুনরায় প্রমাণ করছে, কেন তারা ইউরোপের অন্যতম উদ্ভাবনী ও কল্পনাপ্রবণ পাওয়ার মেটাল ব্যান্ড। গেমিং ও মেটালকে একসাথে মিশিয়ে তারা তৈরি করছে একটি রোমাঞ্চকর সঙ্গীতানুভূতি, যা শ্রোতাদের কল্পনার জগতে টেনে নেবে।