তাল এর ধারণা [ Concept of Taal / Tala ] | সঙ্গীত শিক্ষা

তাল এর ধারণা [ Concept of Taal / Tala ] আজকের আলোচ্য বিষয়। তাল এর ধারণা [ Concept of Taal / Tala] ক্লাসটি প্রাথমিক ও মাধ্যমিক পর্যায় [Primary and Secondary Level Students] শিক্ষার্থীদের সঙ্গীত বিষয়ের সিলেবাস অনুযায়ী করা হয়েছে। এই ক্লাসটির মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের পাঠ্যক্রম অনুযায়ী নিজেদের তৈরি করতে সুবিধা হবে। এই সিরিজটি নিয়মিত পেতে আমাদের চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন।

 

তাল এর ধারণা [ Concept of Taal / Tala ]

তাল হলো ভারতীয় শাস্ত্রীয় সঙ্গীতে বা নৃত্যে একটি ছন্দের নিয়ামক এবং ছন্দের অংশাদির আপেক্ষিক লঘুত্ব বা গুরুত্বের নির্ধারক। তালের নির্দিষ্ট মাত্রা সমষ্টিকে কতকগুলি ছোট বা বড়, সমান বা অসমান বিভাগ এ বিভক্ত করা হয়। এই বিভাগ দুই বা ততোধিক মাত্রার হতে পারে। এর মধ্যে তালের প্রথম বিভাগের প্রথম মাত্রাকে সম্ বলা হয়।

 

তাল । ধারণা । হিন্দুস্থানি শাস্ত্রীয় সঙ্গীত

 

সঙ্গীতের সময়ে সম্ কে অন্য মাত্রা থেকে পৃথক করে বোঝানোর জন্য বিশেষ জোর বা ঝোঁক দেওয়া হয়। সম্ কে বোঝানোর জন্য + বা X চিহ্ন ব্যবহার করা হয়। তালের একটি বিভাগের প্রথম মাত্রার নাম ফাঁক বা খালি। একে ০ চিহ্ন দিয়ে বোঝানো হয়। সঙ্গীতের সময় শব্দ না করে হাতের ইঙ্গিতে ফাঁক কে অন্য মাত্রা থেকে পৃথক করে বোঝানো হয়।

তালের বিভাগগুলির মধ্যে যে গুলির প্রথম মাত্রায় হাতে তালি দিয়ে শব্দ করে দেখানো হয়, তাদের তালি বা ভরী বলে। ফাঁক ছাড়া আর সব বিভাগের প্রথম মাত্রায় তালি দেওয়া হয়। তালের প্রথম থেকে শেষ মাত্রা পর্যন্ত বাজানোর পর আবার প্রথম থেকে শুরু হলে তাকে আবর্তন বলে। 

 

Google news
গুগল নিউজে আমাদের ফলো করুন

 

যে সব তালের পদবিভাগ গুলি সমান মাত্রার দ্বারা গঠিত,তাকে সমপদী তাল বলে। যেমন: দাদরা তালটি ০৬ মাত্রা দ্বারা গঠিত,এর পদবিভাগটি হচ্ছে– ধা ধি না । না তি না।। আর্থাৎ তিন তিন করে সামান মাত্রা নিয়ে এর পদবিভাজন করা হয়েছে। কাহারবা,ত্রিতাল,চৌতাল,খেমটা, একতাল, তাল খামস, ইত্যাদিও সমপদী তাল। যে সব তালের পদবিভাগ গুলি অসমান সেই সব তালকে বিসমপদী তাল বলা হয়। যেমন তেওড়া তালটি ০৭ মাত্রার এবং এর পদবিভাজনটি হচ্ছে– ধা ধি না । ধি না । ধি না ।। অর্থাৎ তিন দুই দুই করে অসমান ভাবে পদ বিভাজন করা হয়েছে।

ঝাপতাল, দোবাহার, রূপক তাল ইত্যদিও বিসমপদী তাল। সমান সংখ্যক মাত্রা বিশিষ্ট যে কোন বোল বা বাণী পর পর তিনবার বাজিয়ে গদের মুখে আসাকে তিহাই বলে। তেহাই দুই প্রকার। যথা: দমদার তেহাই ও বেদমদার তেহাই। যে তেহাই এর মধ্যবর্তী সময়ে দম নেয়ার অবকাশ থাকে তাকে দমদার তেহাই বলে। যে তেহাই এর মধ্যবর্তী সময়ে দম নেয়ার অবকাশ থাকেনা তাকে বেদমদার তেহাই বলে।

 

তাল এর ধারণা [ Concept of Taal / Tala ] নিয়ে বিস্তারিত ঃ

 

Leave a Comment