ত্রি-বট গান [ Tribot Song, Music Genre ] গীত ধারা । সঙ্গীত

ত্রি-বট গান গীত ধারা নিয়ে আজকের আলোচনা। তারানা গীতশৈলীর মতো, তবে গায়কিতে পার্থক্য বিদ্যমান এবং খেয়াল অঙ্গে গাওয়া হয় এমন একটি গীতশৈলীকে ত্রি-বট বা তিরবট বলা হয়ে থাকে। এই গানে সাধারণত তিনটি অংশ থাকা বিশেষ প্রয়োজন, সেগুলো হচ্ছে ক) গানের বাণী, খ) তারানা এবং গ) – পাখোয়াজের বোল। উল্লিখিত তিনটি অংশের আবির্ভাব হয় বলেই এই শৈলীর গানকে ত্রি-বট নামে অভিহিত করা হয়েছে।

অনেক ত্রি-বট রচয়িতা গুণী সংগীতমণ্ডলী তাঁদের সৃষ্টিতে ক) তারানা, খ) সরগম, গ) পাখোয়াজের বোল – এই তিনটি অংশের আবির্ভাব ঘটিয়ে থাকেন। এই শৈলীর গানে তান করা দোষণীয় নয়।

কোনো কোনো ত্রি-বট রচয়িতা গানের ভাষার মধ্যে ‘ত্রি-বট’ শব্দটি উল্লেখের মধ্য দিয়ে এই গীতশৈলীকে স্পষ্ট করে থাকেন। বর্তমান যুগে তারানা গানের সমাদর অধিক লাভ করায় ত্রি-বট শৈলীর গান তেমন আর শোনা যায় না।

দেরে না দ্রিম তানন
তারে তারে দানি
তাদারে তাদারে দানি
তন নন দেরে নন।।

তারে তারে তানাদ্রিম তান দেরেনা
তানা দেরে না তনতাদারে তাদিয়ান।।

মর সন্ সর ক্ষপ
র্রর্ম পম পন র্সর্স
র্মর্ম র্রর্স নধ পক্ষ
রক্ষ পম রম রস।।

ধা গদি ঘেনে ধা গদি ঘেনে তেটে কতা গদি ঘেনে ধা গদি ঘেনে ধা গদি ঘেনে ॥

[ঠাট : কল্যাণ, রাগ : শুদ্ধ সারং, বাদীস্বর : ঋষভ (র), সমবাদীস্বর : পঞ্চম (প), অঙ্গ : পূর্বাঙ্গ প্রধান, জাতি : ঔড়ব-ষাড়ব, গায়ন সময় দিবা দ্বিতীয় প্রহর, আরোহী : ন স র ক্ষ প ন র্স, অবরোহী: স ন ধ প ক্ষ প রমর সস তাল: ত্রিতাল (৮ মাত্রা)।]

 

Leave a Comment