দেশের মঙ্গল ও উন্নয়ন জেমসের প্রার্থনা

নতুন বছর ২০২৬-এর আগমন উপলক্ষে দেশের কল্যাণ ও মানুষের মঙ্গলকে নিজের প্রধান অঙ্গীকার হিসেবে নিয়েছেন প্রখ্যাত রক সংগীতশিল্পী নগরবাউল জেমস। তিনি মনে করেন, বর্তমান সময়ে একজন সচেতন নাগরিকের জন্য দেশের সমৃদ্ধি, নিরাপত্তা ও আন্তর্জাতিক মর্যাদা রক্ষাই সবচেয়ে বড় চাওয়া।

জেমস বলেন, “দেশে আইনশৃঙ্খলার উন্নতি, সবার জন্য নিরাপদ জীবনযাপন এবং বিশ্বের দরবারে বাংলাদেশের মর্যাদা দৃঢ় করা—এটাই নতুন বছরের আমার মূল প্রত্যাশা। ইতিবাচক পরিবর্তনের জন্য সবার ঐক্যবদ্ধ হওয়া আবশ্যক।” তিনি আরও যোগ করেন, বিশ্বের মঞ্চে মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে যা কিছু ভালো ও সার্থক, সেই সব উদ্যোগের পাশে সবার সমর্থন থাকা প্রয়োজন।

নতুন বছরের আগমনের প্রেক্ষিতে জেমস এক দার্শনিক অভিমতও প্রকাশ করেছেন। তাঁর ভাষায়, “সময় নদীর স্রোতের মতো—চাইলেও একে থামানো যায় না। বছর আসে, বছর যায়। নতুন বছরের সূচনা মানেই নতুন স্বপ্ন, আর সেই স্বপ্ন পূরণে সম্মিলিত প্রচেষ্টার বিকল্প নেই।”

ব্যক্তিগত পরিকল্পনার কথাও তুলে ধরেছেন জেমস। তিনি জানিয়েছেন, মূলত তিনি গানের মানুষ। তাই ২০২৬ সালে মঞ্চ থেকে মঞ্চে চলাফেরার মধ্যে গানকে প্রধান সময় ভাগ দেবেন। তাছাড়া ব্যস্ততার মাঝেও পরিবার ও ঘনিষ্ঠদের সঙ্গে সময় কাটানো এবং ছবি তোলার মতো কিছু শখও তিনি পূরণ করবেন।

জেমসের নতুন বছরের প্রত্যাশা ও পরিকল্পনা সংক্ষেপে:

বিষয়পরিকল্পনা / প্রত্যাশা
দেশের কল্যাণআইনশৃঙ্খলা উন্নয়ন, নিরাপদ জীবনযাপন, আন্তর্জাতিক মর্যাদা
ব্যক্তিগত জীবনপরিবার ও বন্ধুদের সময় দেওয়া, ব্যক্তিগত সম্পর্ক মজবুত করা
পেশাগত পরিকল্পনামঞ্চে গান পরিবেশন, নতুন সঙ্গীত প্রকল্পে কাজ করা
শখ ও আগ্রহছবি তোলা, সৃজনশীল কাজে সময় দেওয়া

সব মিলিয়ে, নতুন বছরে ব্যক্তিগত স্বার্থের চেয়ে দেশের কল্যাণ ও ইতিবাচক পরিবর্তনের প্রতি জেমসের দায়বদ্ধতা স্পষ্ট। সংগীতশিল্পী হিসেবে তাঁর সঙ্গীতের মাধ্যমে সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধির পাশাপাশি দেশের সমৃদ্ধিতে অবদান রাখার আকাঙ্ক্ষা প্রতিফলিত হয় তাঁর বক্তব্যে।