নদী ভরা ঢেউ লিরিক্স | Nodi Bhora Dheu Lyrics | বাংলার সঙ্গীত জগতে তো বটেই, বিশ্বের নিরিখেও ভবা পাগলা এক অনন্য নজির। তার গান মানিকগঞ্জ জেলাসহ বাংলাদেশ ও ভারতে বিভিন্নস্থানে পরিচিতি লাভ করে ও গীত হয়ে আসছে। তিনি অসংখ্য শ্যামা সঙ্গীত, ভাব, গুরুতত্ত্ব, দেহতত্ত্ব, ও সৃষ্টিতত্ত্বের গান রচনা ও সুর করেছেন। জাত-পাতে অবিশ্বাসী ভবার কাছে অন্তরের শুচিতাই ছিল গানের মূল আলেখ্য।
নদী ভরা ঢেউ লিরিক্স | Nodi Bhora Dheu Lyrics | ভাবা পাগলা | Bhaba Pagla
শিরোনামঃ নদী ভরা ঢেউ লিরিক্স [ Nodi Bhora Dheu Lyrics ]
গান: নদি ভোরা ধেউ বোঝো না তো কেউ (নদী ভরা ঢেউ)
গায়কঃ কৃষ্ণ দাস বৈরাগ্য
মূল গায়ক ও গীতিকারঃ ভাবা পাগলা
নদী ভরা ঢেউ লিরিক্স
Vorsa kori e vobo kandari
Halti chariya ekhon dao dao re
Nodi vora dheu
Bojho na toh keu
Keno tori nije bao bao re
Vorsa kori e vobo kandari
Halti chariya tare dao dao re
Nodi vora dheu
Bojho na toh keu
Keno tori nije bao bao re
Nodi vora dheu

Baite jano na keno dhoro haal
Mono majhi re tui boroi matal
Bujhaye bolo tare jete hobe pare
Bujhaye bolo tare jete hobe pare
Obelar bela pane chao chao re
Nodi vora dheu
Bojho na toh keu
Keno tori nije bao bao re
Nodi vora dheu
Baite chilo tori pagla voba
Vanga tori jole doba doba
Chubani kheye dhoreche paye
Chubani kheye dhoreche paye
Ohe kandari amay bachao bachao
Nodi vora dheu
Bojho na toh keu
Keno tori nije bao bao re
Nodi vora dheu
লোকসঙ্গীত নিয়ে বিস্তারিতঃ
লোক সঙ্গীত
ভবা পাগলা (১৮৯৭-১৯৮৪) আসল নাম ‘ভবেন্দ্র মোহন সাহা’। তার জন্ম আনুমানিক ১৮৯৭ খৃস্টাব্দে। তার পিতার নাম ‘গজেন্দ্র কুমার সাহা’। ভবা পাগলারা ছিলেন তিন ভাই এক বোন। তিনি দেখতে ছিলেন একরকম হালকা পাতলা গড়ন, গায়ের রঙ উজ্জ্বল শ্যামবর্ণ, মাথায় ঝাঁকড়া চুল, চিবুকে এক গোছা দাঁড়ী।
গানের ভণিতায় তিনি নিজেকে ভবা বা ভবেণ বলে উল্লেখ করেছেন। মানিকগঞ্জ অঞ্চলে তিনি ভবা পাগলা নামে খ্যাত। তাঁর গান মুহাম্মদ মনসুর উদ্দিন ও অধ্যাপক উপেন্দ্রনাথ ভট্টাচার্যের দৃষ্টি আকর্ষণ করে ছিল অনেক আগেই। অধ্যাপক উপেন্দ্রনাথ ভট্টাচার্য ‘বাংলার বাউল ও বাউল গানে’ তাঁর দুটি গান ছেপেছিলেন। মুহাম্মদ মনসুর উদ্দিন ‘হারামণির সপ্তম খণ্ডে’ ভবা পাগলা সম্পর্কে লিখেছেন, ভবা পাগলা এক জন নামকরা বাউল গান রচয়িতা।
তিনি সাটুরিয়া থানার (বর্তমানে উপজেলা) অন্তর্গত আমতা গ্রামের অধিবাসী ছিলেন। স্বাধীনতার পর (অর্থাৎ ১৯৪৭ এর পর ১৯৭১) তিনি বাংলাদেশ ত্যাগ করে ভারতে চলে যান। তাঁর গান মানিকগঞ্জ জেলা সহ বাংলাদেশ ও ভারতে বিভিন্ন স্থানে পরিচিতি লাভ করে ও গীত হয়ে আসছে। তিনি মূলত শ্যামা সঙ্গীত, ভাব গান, গুরুতত্ত্বের গান, দেহতত্ত্বের গান, ও সৃষ্টিতত্ত্বের গান রচনা এবং সুর নিজেই করেছেন।
তিনি ১৯৪৭-এ ভারতে চলে যান এবং বর্ধমানে কালনাতে অবস্থান করতেন। ভবা পাগলা ১৯৮৪ খৃস্টাব্দে দেহ ত্যাগ করেন।