বাংলাদেশের বুকে মুজিব [ Bangladesher buke mujib ]

বাংলাদেশের বুকে মুজিব [ Bangladesher buke mujib ]

“বাংলাদেশের বুকে মুজিব থাকবে চিরকাল” গানটি গেয়েছেন ছাত্রলীগের উপ- সাংস্কৃতিক সম্পাদক শিল্পী জসীম উদ্দীন। গানটি বাংলাদেশ এর জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর জন্য গাওয়া । জসীম উদ্দীন কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সাংস্কৃতিক বিষয়ক উপ সম্পাদকের দায়িত্বে আছেন।তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সংগীত বিভাগ থেকে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর প্রথম শ্রেণীতে উত্তীর্ণ হয়েছেন।তিনি বাংলাদেশ টেলিভিশন,বাংলাদেশ বেতার এবং বেসরকারি টেলিভিশনগুলোর সংগীতানুষ্ঠানের নিয়মিত শিল্পী।

বাংলাদেশের বুকে মুজিব থাকবে চিরকাল [ Bangladesher buke mujib cover by Babul Hosain ]

গীতিকারঃ শিল্পী জসীম উদ্দীন । 

কণ্ঠশিল্পীঃ শিল্পী জসীম উদ্দীন ।

বাংলাদেশের বুকে মুজিব লিরিক্স :

ওরে এই বাঙ্গালীর মুক্তির লাইগা আআআ…

যরল কতো চোখের জল।

বাংলাদেশের এর বুকে মুজিব থাকবে চিরকাল

এই বাঙ্গালীর মুক্তির লাইগা আআআ…

ওরে এই বাঙ্গালীর মুক্তির লাইগা আআআ…

যরল কতো চোখের জল।

বাংলাদেশের এর বুকে মুজিব থাকবে চিরকাল

বাংলাদেশের এর বুকে মুজিব থাকবে চিরকাল

এই দেশেরই আলো ছায়ায় মুজিব তোমার জন্ম ওওও..

ওওওও ওও ওওওওওও

এই দেশেরই আলো ছায়ায় মুজিব তোমার জন্ম

তুমি, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু এই দেশ হইল গণ্য ওও

তোমার দেখা সপ্ন আমরা..

তোমার দেখা সপ্ন আমরা..

হইতে দিব না বিফল

বাংলাদেশের এর বুকে মুজিব থাকবে চিরকাল

বাংলাদেশের এর বুকে মুজিব থাকবে চিরকাল

বাংলাদেশের মাঠে ঘাঠে মুজিব জয়গান….

হিন্দু, মুসলিম বৌদ্ধ খ্রিষ্টান এক মায়ের সন্তান

বাংলাদেশের মাঠে ঘাঠে মুজিব জয়গান

হিন্দু, মুসলিম বৌদ্ধ খ্রিষ্টান এক মায়ের সন্তান

সবুজ শ্যামল এই দেশটা ভাই..

সবুজ শ্যামল এই দেশটা ভাই..

বিধাতার এ দান

দীর্ঘ নয় মাস যুদ্ধ কইরা জরল কতো প্রাণ।।

বাংলাদেশের এর বুকে মুজিব থাকবে চিরকাল

বাংলাদেশের এর বুকে মুজিব থাকবে চিরকাল

ওরে এই দেশের ই মুক্তির লাইগা

এই বাঙ্গালীর মুক্তির লাইগা

যরল কতো চোখের জল..

বাংলাদেশের এর বুকে মুজিব থাকবে চিরকাল

বাংলাদেশের এর বুকে মুজিব থাকবে চিরকাল

বাংলাদেশের এর বুকে মুজিব থাকবে চিরকাল

শেখ মুজিবুর রহমানঃ

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান  সংক্ষিপ্তাকারে শেখ মুজিব বা বঙ্গবন্ধু, ছিলেন বাংলাদেশের প্রথম রাষ্ট্রপতি ও দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম প্রভাবশালী রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব। তিনি ভারত বিভাজন আন্দোলনে সক্রিয় অংশগ্রহণ করেন এবং পরবর্তীকালে পূর্ব পাকিস্তানকে স্বাধীন দেশ হিসেবে প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে কেন্দ্রীয়ভাবে নেতৃত্ব প্রদান করেন।

শেখ মুজিবের রাজনৈতিক জীবনের সূচনা ঘটেছিল ১৯৩৯ খ্রিষ্টাব্দে মিশনারি স্কুলে পড়ার সময় থেকে। ঐ বছরই বিদ্যালয় পরিদর্শনে আসেন তদানীন্তন বেঙ্গল প্রেসিডেন্সির মুখ্যমন্ত্রী শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হক এবং খাদ্যমন্ত্রী ও পরবর্তীকালে বাংলা প্রদেশ ও পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালনকারী হোসেন শহীদ সোহ্‌রাওয়ার্দী। ঐ সময় বিদ্যালয়ের ছাদ সংস্কারের দাবি নিয়ে একটি দল তাদের কাছে যায়। দলটির নেতৃত্ব দিয়েছিলেন শেখ মুজিব স্বয়ং।

 

YaifwwriN4BzRFCyqbslL4 বাংলাদেশের বুকে মুজিব [ Bangladesher buke mujib ]
আমাদেরকে গুগল নিউজে ফলো করুন

 

১৯৪০ খ্রিষ্টাব্দে লাহোর প্রস্তাব উত্থাপনের পর মুসলিম লীগ পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার জন্য মাঠে নেমে পড়ে। মুসলিম লীগের তরুণ ছাত্রনেতা শেখ মুজিব এ সময় পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে নিজেকে যুক্ত করেছিলেন।১৯৪৬ খ্রিষ্টাব্দের ১৬ই আগস্ট প্রত্যক্ষ সংগ্রাম দিবস পালনের সময় কলকাতায় ভয়ানক হিন্দু-মুসলিম দাঙ্গার সূত্রপাত হয়। মুজিব মুসলিমদের রক্ষা এবং দাঙ্গা নিয়ন্ত্রণে আনার জন্য হোসেন শহীদ সোহ্‌রাওয়ার্দীর সাথে বিভিন্ন রাজনৈতিক তৎপরতায় শরিক হন। ঐ সময় সোহ্‌রাওয়ার্দী, আবুল হাশিম, শরৎচন্দ্র বসু প্রমুখের নেতৃত্বে ভারত ও পাকিস্তান কর্তৃত্বের বাইরে অবিভক্ত স্বাধীন বাংলা গঠনের যে “যুক্তবঙ্গ আন্দোলন” সংগঠিত হয়, শেখ মুজিব তাতেও যুক্ত হন।

বাংলাকে অন্যতম রাষ্ট্রভাষা করার দাবি নিয়ে প্রতিষ্ঠিত আন্দোলনে অংশ নেয়ার মাধ্যমে শেখ মুজিবের রাজনৈতিক তৎপরতার সূচনা ঘটে। ১৯৪৮ খ্রিষ্টাব্দের ২৩শে ফেব্রুয়ারি করাচিতে পাকিস্তান গণপরিষদের অধিবেশনে উর্দু বা ইংরেজিতে বক্তব্য দেয়ার প্রস্তাব নাকচ করেন পূর্ব পাকিস্তানের কংগ্রেসের সদস্য ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত। তিনি বাংলাকেও গণপরিষদের ভাষা করার দাবি তুলে ধরেন। ঐ সময় পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী লিয়াকত আলী খান ও পূর্ব পাকিস্তানের মুখ্যমন্ত্রী খাজা নাজিমউদ্দিন বাংলা ভাষার বিরোধিতা করলে প্রস্তাবটি বাতিল হয়ে যায়।

১৯৭৫ খ্রিষ্টাব্দের ১৫ই আগস্ট প্রত্যূষে একদল সেনা কর্মকর্তা ট্যাঙ্ক দিয়ে রাষ্ট্রপতির ধানমন্ডিস্থ বাসভবন ঘিরে ফেলে এবং শেখ মুজিবুর রহমান ও তার পরিবার এবং ব্যক্তিগত কর্মচারীদের হত্যা করে। কিন্ত জাটির পিতা সবার মনে বেঁচে থাকবে যতদিন রইবে এই বাংলা । 

Leave a Comment