মাটির দেহ ক্ষয় করিলাম [ Matir deho khoy korilam ]

“মাটির দেহ ক্ষয় করিলাম” গানটি বাংলাদেশের একজন খ্যাতিমান সংগীত শিল্পী, গীতিকার ও বংশী বাদক বারী সিদ্দিকীর গাওয়া একটি গান ।

মাটির দেহ ক্ষয় করিলাম [ Matir deho khoy korilam ]

প্রথম রেকর্ডের কন্ঠশিল্পীঃ বারী সিদ্দিকী ।

মাটির দেহ ক্ষয় করিলাম [ Matir deho khoy korilam ]

মাটির দেহ ক্ষয় করিলাম,
তবু যদি সুখের দেখা মেলে।।
অন্তর জ্বালায় জ্বলি শুধু।।
সুখের বদলে যদি
সুখের দেখা মিলে !
মাটির দেহ ক্ষয় করিলাম
তবু যদি সুখের দেখা মেলে !
মানুষের মন খেলার পুতুল
নিজেই জানেনা
কোন কারনে ভাঙ্গে কপাল
কিছুই বুঝিনা,আমি কিছুই বুঝিনা
সব হারাইয়া একা বইয়া।।
কান্দি নদীর কূলে
YaifwwriN4BzRFCyqbslL4 মাটির দেহ ক্ষয় করিলাম [ Matir deho khoy korilam ]
আমাদেরকে গুগল নিউজে ফলো করুন

 যদি সুখের দেখা মেলে !

মাটির দেহ ক্ষয় করিলাম
তবু যদি সুখের দেখা মেলে !
ভাঙ্গা মন কখনো জানি
জোড়া লাগে না
ফাগুন এসে গা জ্বলে যায়
কিছুই মেলে না
হায় রে কিছুই মেলে না
পথ চাইয়া অন্ধ হইয়া।।
থাকি সবি ভুলে
যদি সুখের দেখা মেলে !
মাটির দেহ ক্ষয় করিলাম
তবু যদি সুখের দেখা মিলে !
অন্তর জ্বালায় জ্বলি শুধু।।
সুখের বদলে যদি
সুখের দেখা মিলে !
মাটির দেহ ক্ষয় করিলাম
তবু যদি সুখের দেখা মিলে !

বারী সিদ্দিকীঃ

মাটির দেহ ক্ষয় করিলাম গায়ক বারী সিদ্দিকী বাংলাদেশের একজন খ্যাতিমান সংগীত শিল্পী, গীতিকার ও বংশী বাদক। তিনি মূলত গ্রামীণ লোকসংগীত ও আধ্যাত্মিক ধারার গান করে থাকেন। তিনি তার গাওয়া ‘শুয়া চান পাখি, ‘আমার গায়ে যত দুঃখ সয়’, ‘সাড়ে তিন হাত কবর’, ‘পুবালি বাতাসে’ প্রভৃতি গানের জন্য সবচেয়ে বেশি পরিচিত।বারী সিদ্দিকী ১৯৫৪ সালের ১৫ নভেম্বর বাংলাদেশের নেত্রকোণা জেলায় এক সঙ্গীতজ্ঞ পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। শৈশবে পরিবারের কাছে গান শেখায় হাতেখড়ি হয়। মাত্র ১২ বছর বয়সেই নেত্রকোণার শিল্পী ওস্তাদ গোপাল দত্তের অধীনে তার আনুষ্ঠানিক প্রশিক্ষণ শুরু হয়। তিনি ওস্তাদ আমিনুর রহমান, দবির খান, পান্নালাল ঘোষ সহ অসংখ্য গুণীশিল্পীর সরাসরি সান্নিধ্য লাভ করেন।

তিনি গোপাল দত্ত এবং ওস্তাদ আমিনুর রহমান থেকে লোক এবং শাস্ত্রীয় সঙ্গীতে পাঠ নিয়েছেন। মূলত বংশী বাদক বারী সিদ্দিকী কথাসাহিত্যিক ও চিত্রনির্মাতা হুমায়ূন আহমেদের প্রেরণায় নব্বইয়ের দশকে সঙ্গীত জগতে প্রবেশ করেন এবং অল্পদিনেই বিরহ-বিচ্ছেদের মর্মভেদী গানের মধ্য দিয়ে সাধারণ মানুষের হৃদয়ে স্থায়ী আসন করে নেন।

২০১৭ সালের ২৪ নভেম্বর তিনি চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন।

 

Leave a Comment