বাংলাদেশের প্রজন্মপ্রিয় সংগীতশিল্পী মিতালী দাস সম্প্রতি তার একক নতুন গান ‘চোখেতে চোখ’-এ কণ্ঠ দিয়েছেন। গানটির কথা ও সুর রচনা করেছেন অভি মঈনুদ্দীন, সংগীতায়োজন করেছেন কেএইচ রিপন, এবং মিউজিক ভিডিও পরিচালনা করেছেন সুহেল আহমেদ। গানটি মূলত প্রেম, অনুভূতি ও মানসিক সংযোগের গল্প বলছে, যা শ্রোতার হৃদয়ে সরাসরি প্রভাব ফেলতে সক্ষম।
গানের মিউজিক ভিডিওটি চিত্রায়িত হয়েছে সিলেটের বিভিন্ন প্রাকৃতিক ও মনোরম স্থানে। সবুজ পাহাড়, নদী তীর এবং ঐতিহ্যবাহী স্থাপত্যের পটভূমিতে ভিডিওটি দর্শককে একটি আবেগময় ভ্রমণের অভিজ্ঞতা প্রদান করছে। ভিডিওর দৃশ্যগুলো গানটির অনুভূতি ও আবেগের সঙ্গে নিখুঁত মিল ঘটিয়েছে।
মিতালী দাস জানান,
“অভি দাদার কাছে যখন প্রথম গানটির কথা ও সুর শুনি, তখনই এটি আমার মনে অগাধভাবে গেঁথে যায়। সিলেটেই রিপন ভাইয়ের স্টুডিওতে আমরা সংগীতায়োজন সম্পন্ন করেছি। অবশেষে গানটি প্রকাশিত হলো এবং আমি আশা করি এটি শ্রোতা ও দর্শকের হৃদয়ে আস্তে আস্তে জায়গা করে নেবে।”
রচয়িতা অভি মঈনুদ্দীন বলেন, তিনি করোনা মহামারীর সময়কাল ২০২০ সালে গানটির রচনা শুরু করেন। তিনি উল্লেখ করেন,
“সেই সময়ের নিঃসঙ্গতা এবং মানুষের অনুভূতিগুলোই মূল প্রেরণা হয়ে দাঁড়ায় এই গানটিতে। গানটি শুধু ভালোবাসার গল্প নয়, এটি একটি সময়ের অনুভূতির প্রতিচ্ছবি।”
গান ও এর প্রকাশনার মূল তথ্য নিম্নরূপ:
| বিষয় | তথ্য |
|---|---|
| গান শিরোনাম | চোখেতে চোখ |
| শিল্পী | মিতালী দাস |
| রচয়িতা ও সুরকার | অভি মঈনুদ্দীন |
| সংগীতায়োজক | কেএইচ রিপন |
| ভিডিও পরিচালক | সুহেল আহমেদ |
| ভিডিও স্থাপন | সিলেট, বাংলাদেশ |
| প্রকাশের তারিখ | ১২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ |
| প্রকাশ মাধ্যম | ইউটিউব, চ্যানেল: মিতালী’স মিরর |
| বিশেষ উপলক্ষ | ভালোবাসা দিবস |
প্রকাশের পর গানটি ইতিমধ্যেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। বিশেষ করে সিলেটের প্রাকৃতিক দৃশ্যের সঙ্গে মিতালীর আবেগপূর্ণ কণ্ঠ দর্শককে গভীরভাবে গানটির সঙ্গে আবেগগতভাবে যুক্ত করছে।
সংগীত বিশেষজ্ঞরা মন্তব্য করছেন, গানটি বাংলা আধুনিক প্রেমের ধারায় নতুন মাত্রা যোগ করেছে। ২০২৬ সালের ভালোবাসা দিবস উদযাপনের অন্যতম সংগীতমুখর মুহূর্ত হিসেবে ‘চোখেতে চোখ’ ইতিমধ্যেই চিহ্নিত হয়েছে। গণমাধ্যম ও ভক্তরা আশা করছেন, এই গান মিতালী দাসের জনপ্রিয়তাকে আরও বৃদ্ধি করবে এবং আরও বেশি শ্রোতার হৃদয় স্পর্শ করবে।
এভাবে গানটি কেবল ভালোবাসার গল্পই তুলে ধরে না, বরং বর্তমান সময়ের অনুভূতির সঙ্গেও দর্শককে সংযুক্ত করে, যা বাংলা আধুনিক সংগীতের জন্য নতুন দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে।
