যমুনা কি বলতে পারে [ Jomuna ki bolte pare ]

যমুনা কি বলতে পারে [ Jomuna ki bolte pare ]
লেবেল: স্টুডিও গুরুকুল || [ Studio Gurukul ||
প্রযোজনা: সঙ্গীত গুরুকুল || Music Gurukul ||
কাভার: মনিকা দেবনাথ কথা || Monika Debnath Kotha ||
তবলা : রতন দাস
কিবোর্ড : নন্দন চৌধুরী
মুল শিল্পী : শিপ্রা বসু
কথা : সুনীল বরণ

 

যমুনা কি বলতে পারে

যমুনা কি বলতে পারে
কতবার কেঁদেছে রাধা
যমুনা কি বলতে পারে
কতবার কেঁদেছে রাধা
যমুনা কি বলতে পারে
আনমনে চলতে গিয়ে
আনমনে চলতে গিয়ে
কোন পথে পেয়েছে বাধা

যমুনা কি বলতে পারে
কতবার কেঁদেছে রাধা
যমুনা কি বলতে পারে
অঙ্গে সোনা ছিল যত
কলঙ্কে দ্বিগুণ তত
অঙ্গে সোনা ছিল যত
কলঙ্কে দ্বিগুণ তত
ও কালি চন্দন হত অবিরত
ও কালি চন্দন হত অবিরত
কালিন্দীর ওই কালো জলে
কালিন্দীর ওই কালো জলে

ভেসে গেল নীরব কাঁদা
যমুনা কি বলতে- পারে
কতবার কেঁদেছে রাধা
যমুনা কি বলতে পারে
ধন্য প্রেমে জরজর
আনন্দ অধিক আরো
ধন্য প্রেমে জরজর
আনন্দ অধিক আরো
পিরিতি সুন্দরতর মনোহর
পিরিতি সুন্দরতর মনোহর

গুণধর রুপ লাগি
দিবানিশি হয়েছে সফল
যমুনা কি বলতে -পারে
কতবার কেঁদেছে রাধা
যমুনা কি বলতে -পারে
কতবার কেঁদেছে রাধা
যমুনা কি বলতে পারে

 

Google news
গুগল নিউজে আমাদের ফলো করুন

 

শিপ্রা বসু :

শিপ্রা বসু (ইংরেজি: Sipra Bose)  (৯ নভেম্বর ১৯৪৫ — ২২ এপ্রিল, ২০০৮) হিন্দুস্তানি   উচ্চাঙ্গ সঙ্গীতের খ্যাতনামা  ভারতীয়  বাঙালি শিল্পী। অসাধারণ কারুকার্যময় সুরেলা কণ্ঠের  অধিকারী হয়ে উচ্চাঙ্গ সঙ্গীতের পাশাপাশি ঠুমরি, গজল, দাদরা প্রভৃতি রাগাশ্রয়ী  সঙ্গীতে সমান পারদর্শী ছিলেন।

শিপ্রা বসুর জন্ম বৃটিশ ভারতের অধুনা পশ্চিমবঙ্গের কলকাতায় ১৯৪৫ খ্রিস্টাব্দের ৯ ই নভেম্বর এক সঙ্গীতানুরাগী পরিবারে। কৈশোরে তার সঙ্গীতে হাতেখড়ি আচার্য চিন্ময় লাহিড়ীর কাছে। বিরল প্রতিভার গুণে আর সঙ্গীতাচার্যের তালিমে তিনি হিন্দুস্তানি উচ্চাঙ্গ সঙ্গীতের এবং সেই সাথে লঘু শাস্ত্রীয় সঙ্গীতের  অসামান্য শিল্পী হিসাবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। পরে লক্ষৌ ঘরানায় সামিল হয়ে শিক্ষা নেন গজল রানী বেগম আখতারের কাছে প্রায় পনের বছর। এরপর বেনারস ঘরানার তালিম ন্যায়না  দেবীর কাছ থেকে।

শিপ্রা বসু নিজের অধ্যবসায়ে  তার আকর্ষণীয় কণ্ঠে, বিশুদ্ধ ও  সাবলীল উর্দু উচ্চারণে আর অসামান্য  গায়কীতে এক অনন্য গজল গায়িকা হিসাবে প্রতিষ্ঠা লাভ করেন ।  তবে তাঁকে হিন্দুস্তানি  উচ্চাঙ্গ সঙ্গীতের  মূল তালিম দেন বিশ্ববন্দিত ও যশস্বী পণ্ডিত রবিশঙ্কর। ১৯৮০ খ্রিস্টাব্দ হতে  পণ্ডিতজির কাছে তালিম নিয়ে মাইহার ঘরানাতেও দক্ষতা অর্জন করেন। ‘গুরুশিষ্য পরম্পরায়’ সঙ্গীত সাধনার মধ্য দিয়ে এক কিংবদন্তি সঙ্গীতশিল্পী হিসাবে  নিজের স্থান গড়ে তোলেন নিজের অধ্যবসায় আর দক্ষতায়।

তিনি তার পঁয়তাল্লিশ বছরের সঙ্গীত জীবনে দেশের বিভিন্ন স্থানে, ইয়োরোপের বহু দেশ, যুক্তরাজ্য, কানাডা অস্ট্রেলিয়া, আফ্রিকা পরিভ্রমণ করেন এবং  সঙ্গীত পরিবেশন করে সুনাম অর্জন করেন। এইচ এম ভি থেকে তার গানের রেকর্ড প্রকাশিত হয়।

তিনি “Rhyme Records” USA – An evening with Sipra Bose এর জন্য   ২০০১ -২০০২ খ্রিস্টাব্দে  ভারতের হিন্দুস্থানী উচ্চাঙ্গ  শাস্ত্রীয় সঙ্গীতের মহিলা শিল্পী হিসাবে গ্রামি অ্যাওয়ার্ড এর জন্য মনোনয়নও পেয়েছিলেন। আকাশবাণী ও দূরদর্শনেও তিনি সঙ্গীত পরিবেশন করেছেন। ভজন, রাগপ্রধান বাংলা গান ও বৈঠকি গানে তিনি চিরস্মরণীয় অবদান রেখে গেছেন। ছায়াছবিত নেপথ্যে কণ্ঠদান করেছেন।

 

 

 

যমুনা কি বলতে পারে [ Jomuna ki bolte pare ] নিয়ে কভার ঃ

 

Leave a Comment