রাগ ভাটিয়ার উত্তর ভারতীয় সঙ্গীত পদ্ধতিতে রাগ বিশেষ। এই রাগে দুই মধ্যম ব্যবহৃত হয়। এটি বক্র প্রকৃতির রাগ। এই রাগের স, ধ, প, ধ, ম রাগ প্রকাশক বিন্যাস হিসেবে বিবেচনা করা হয়। এই রাগে শুদ্ধ মধ্যমের প্রাধান্য রয়েছে, তারপরেও তীব্র মধ্যম ব্যবহারের দ্বারা এই রাগের বিশেষ রূপ প্রকাশ পায়। এই কারণে একে মারবা ঠাটের অন্তর্গত করা হয়েছে।
রাগ ভাটিয়ার
আরোহণ: স, ঋস, ধপ, ধম, পপ, হ্মধর্স
অবরোহণ : নধপ, ধম পগ, পগ ঋস
ঠাট : মারবা।
জাতি : ষাড়ব (গান্ধার বর্জিত)-সম্পূর্ণ
বাদীস্বর : ম
সমবাদী স্বর : স
অঙ্গ : পূর্বাঙ্গ।
সময় : রাত্রির শেষ প্রহর ।
পকড় : সধ, প, ধম, পগ, ঋস।
সমপ্রকৃতির রাগ : ভংখার ।
তথ্যসূত্র:
উচ্চাঙ্গ ক্রিয়াত্মক সঙ্গীত। শক্তিপদ ভট্টাচার্য। নাথ ব্রাদার্স। ২২ সেপ্টেম্বর ১৯৮৭।
