লাইভ নেশন-এর রাজস্ব ৮.৫ বিলিয়ন ডলার, কনসার্টের চাহিদায় ব্যাপক বৃদ্ধি

লাইভ নেশন ২০২৫ সালের তৃতীয় ত্রৈমাসিকে ১১ শতাংশ প্রবৃদ্ধি রেকর্ড করেছে, যার ফলে তাদের রাজস্ব পৌঁছেছে ৮.৫ বিলিয়ন ডলারে। এই ব্যাপক প্রবৃদ্ধি বিশ্বব্যাপী লাইভ ইভেন্টের প্রতি অটুট চাহিদাকে নির্দেশ করে।

অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জের মধ্যেও কোম্পানির এই শক্তিশালী পারফরম্যান্স লাইভ মিউজিক শিল্পের প্রবৃদ্ধি অব্যাহত থাকার প্রমাণ। রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, লাইভ মিউজিক শিল্প অন্যান্য খাতের তুলনায় বেশ ভালো পারফর্ম করছে।

আর্থিক সাফল্য এবং ভবিষ্যতের প্রত্যাশা

কোম্পানির অপারেটিং ইনকাম ২৪ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে তৃতীয় ত্রৈমাসিকে ৭৯৩ মিলিয়ন ডলার হয়েছে। একই সাথে, ডেফার্ড রেভিনিউ (পূর্ববর্তী ইভেন্টের টিকিট বিক্রির অর্থ) ৩৭ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ৩.৫ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে। এটি ভবিষ্যতে আরও ইভেন্টের জন্য বিপুল পরিমাণ টিকিট বিক্রির ইঙ্গিত দেয়, যা লাইভ নেশনকে তার সবচেয়ে সফল বছর হওয়া নিশ্চিত করছে।

লাইভ নেশন জানিয়েছে, এখন তাদের আন্তর্জাতিক অডিয়েন্সও প্রায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অডিয়েন্সের সমান হয়ে উঠেছে, যা তাদের বিশ্বব্যাপী পৌঁছানোর ক্ষমতার প্রশস্ততা দেখায়।

আইনি চ্যালেঞ্জের মধ্যে প্রবৃদ্ধির যাত্রা

এই আর্থিক সাফল্যের মধ্যেই লাইভ নেশন বিভিন্ন আইনি চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের ডিপার্টমেন্ট অফ জাস্টিস কোম্পানির বিরুদ্ধে একটি অ্যান্টিট্রাস্ট মামলা দায়ের করেছে, যেখানে অভিযোগ করা হচ্ছে তারা বাজারে একচেটিয়া অবস্থান তৈরি করেছে। তবে, লাইভ নেশন এই অভিযোগগুলো অস্বীকার করে আসছে এবং তাদের বিরুদ্ধে এই ধরনের অভিযোগের বিরোধিতা করছে।

অন্যদিকে, ফেডারেল ট্রেড কমিশন (এফটিসি) লাইভ নেশনকে টিকিট স্কাল্পিং (টিকিটের অবৈধ বিক্রি) সংক্রান্ত অভিযোগে অভিযুক্ত করেছে। যদিও লাইভ নেশন এই দাবি অস্বীকার করেছে, তবুও তারা এই সমস্যা রোধে বেশ কিছু নতুন পদক্ষেপ নিয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে একাধিক অ্যাকাউন্ট নিষিদ্ধ করা এবং তাদের ট্রেডডেস্ক প্ল্যাটফর্ম বন্ধ করা।

এই আইনি চ্যালেঞ্জের মধ্যেও লাইভ নেশন-এর রাজস্ব বৃদ্ধির মাধ্যমে এটি প্রমাণিত হয়েছে যে, লাইভ মিউজিকের প্রতি চাহিদা অব্যাহত রয়েছে। এর ফলে, কোম্পানির আর্থিক অবস্থা দৃঢ় হলেও ভবিষ্যতে তারা আরও বড় একটি অবস্থানে থাকবে।