শিল্পীদের সমর্থন, সৃষ্টিশীলতায় নতুন সূচনার আশাবাদী জেফার

নতুন বছর মানেই নতুন আশা, নতুন স্বপ্ন এবং নতুন অঙ্গীকার। সাধারণ মানুষের মতোই বিনোদন অঙ্গনের তারকাদেরও থাকে স্বপ্ন। বিশেষ করে ২০২৬ সালে তাদের লক্ষ্য কীভাবে আরও অর্থবহ, সৃষ্টিশীল এবং শ্রোতাপ্রিয় করে তোলা যায়—এ বিষয়ে বক্তব্য দিয়েছেন সংগীত ও অভিনয়শিল্পী জেফার রহমান

জেফার রহমান বলেন, “ভালো কিছুর প্রত্যাশা নিয়ে প্রতিটি বছরের সূচনা করি। এই বছরও চাইব এমন কিছু কাজ করতে, যা দর্শক ও শ্রোতার প্রত্যাশা পূরণ করবে।” তিনি আরও যোগ করেন, “খ্যাতির মোহে নয়, বরং শ্রোতা হৃদয় স্পর্শ করার জন্যই শিল্পীজীবন বেছে নিয়েছি। একইভাবে অভিনয় শখ হলেও পর্দায় ভিন্ন ধরনের কাজ তুলে ধরতে চাই। তবে এর জন্য প্রয়োজন সকল শ্রেণির দর্শক ও শ্রোতার সমর্থন।”

জেফার রহমান বিশেষভাবে নারী শিল্পীদের প্রতি সমর্থনের আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেন, “প্রতিটি কাজেই সমর্থন চাই। সাম্প্রতিক সময়ে এ বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করেছি। নারী শিল্পীদের সামাজিক বাধা পেরিয়ে এগিয়ে যেতে সাহায্য করতে হবে। যখন নেতিবাচক মন্তব্য কানে আসে, তখন হতাশার ছায়া পড়ে। তাই অতীত চিন্তাধারার বদল ঘটুক, সৃষ্টিশীল কাজে সবাই উৎসাহ জোগাক—এটাই আমাদের চাওয়া।”

তিনি আরও জানিয়েছেন, ২০২৬ সালে তিনি নতুন ধরণের সংগীত ও নাট্যশিল্পের প্রয়াস চালাবেন। এতে মূল লক্ষ্য হবে শ্রোতার হৃদয় স্পর্শ করা এবং শিল্পকে সমাজের সঙ্গে আরও সংযুক্ত করা।

নিচের টেবিলে তার ২০২৬ সালের প্রধান পরিকল্পনা সংক্ষেপে তুলে ধরা হলো:

কাজের ধরনলক্ষ্যপ্রয়োজনীয় সমর্থনলক্ষ্য শ্রোতা
সংগীত রেকর্ডিংনতুন অ্যালবাম প্রকাশশ্রোতা সমর্থন, সহযোগী শিল্পীসঙ্গীতপ্রেমী ও তরুণ শ্রোতা
অভিনয়ভিন্ন ধরনের নাটক/ছোট চলচ্চিত্রদর্শকের উৎসাহ, সহকর্মী শিল্পীনাট্য ও চলচ্চিত্র প্রেমী
নারী শিল্পী উদ্যোগবিশেষ প্রশিক্ষণ ও উদ্যোগসামাজিক ও মানসিক সমর্থননারী শিল্পী ও সাধারণ মানুষ
সৃষ্টিশীল কর্মশালানতুন ধারার সংগীত ও অভিনয় শিক্ষাঅংশগ্রহণ ও সহযোগিতাশিল্পকলা শিক্ষার্থী ও উৎসাহী দর্শক

জেফারের এই বক্তব্যে স্পষ্ট, তিনি চান শিল্পের প্রতি ইতিবাচক মনোভাব তৈরি হোক। পাশাপাশি তিনি উদ্বুদ্ধ করেছেন, সব শ্রেণির দর্শক-শ্রোতার সমর্থনই হবে শিল্পী ও শিল্পের সত্যিকারের শক্তি। নতুন বছরকে কেন্দ্র করে এই আহ্বানই যেন নতুন ধারা সৃষ্টি করে—যেখানে সৃষ্টিশীল কাজের প্রতি উৎসাহ বাড়ে এবং সকলের অংশগ্রহণে শিল্প জীবন্ত হয়ে ওঠে।