কানাডার প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো এবং পপ তারকা কেটি পেরির সম্পর্ক এখন আর গোপন কিছু নয়। সম্প্রতি জাপানের টোকিওতে আয়োজিত একটি মধ্যাহ্নভোজে তাদের উপস্থিতি এই সম্পর্ককে আরও এক ধাপ এগিয়ে নিয়ে গেছে। এই জুটির সাথে সময় কাটিয়েছেন জাপানের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ফুমিও কিশিদা এবং তার স্ত্রী ইউকো। ৪ ডিসেম্বর কিশিদা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তাদের একটি যৌথ ছবি শেয়ার করেন, যা মুহূর্তের মধ্যেই ভাইরাল হয়ে যায়। ছবিতে দেখা যায়, তারা একটি সুসজ্জিত ক্রিসমাস ট্রির সামনে দাঁড়িয়ে হাসছেন, যা আসন্ন উৎসবের আমেজ এবং তাদের মধ্যকার উষ্ণ সম্পর্কের ইঙ্গিত দেয়। এই বৈঠকটি বিনোদন এবং রাজনীতির জগতের দুটি ভিন্ন মেরুর মানুষকে এক বিন্দুতে মিলিয়েছে।
কেটি পেরি এবং জাস্টিন ট্রুডো, দুজনই তাদের জীবনের একটি নতুন অধ্যায় শুরু করেছেন। ট্রুডো ২০২৫ সালের শুরুর দিকে রাজনীতি থেকে অবসর নিয়েছেন এবং এখন ব্যক্তিগত জীবনে মনোনিবেশ করছেন। অন্যদিকে, কেটি পেরি গত অক্টোবরে তাদের সম্পর্কের বিষয়টি “সফট লঞ্চ” বা আনুষ্ঠানিকভাবে সামান্য প্রকাশ করার পর থেকে তারা ধীরে ধীরে জনসমক্ষে আসছেন। ছবিতে পেরির পরনে ছিল একটি আর্মি-গ্রিন স্কার্ট সেট এবং কালো টার্টলনেক, আর ট্রুডো ছিলেন তার চিরাচরিত ধূসর স্যুটে। তাদের দুজনকে বেশ সাবলীল এবং আনন্দিত দেখাচ্ছিল। এই কূটনৈতিক অথচ ব্যক্তিগত বৈঠকটি তাদের সম্পর্কের গভীরতা এবং জনসমক্ষে একে অপরের পাশে থাকার ইচ্ছাকেই প্রকাশ করে।
তাদের ব্যক্তিগত জীবনের প্রেক্ষাপট নিচে সারণীতে তুলে ধরা হলো:
| ব্যক্তি | প্রাক্তন সঙ্গী | বর্তমান অবস্থা/মন্তব্য |
| জাস্টিন ট্রুডো | সোফি গ্রেগোয়ার ট্রুডো (বিচ্ছিন্ন স্ত্রী) | ৩ সন্তানের জনক; রাজনীতি থেকে অবসরপ্রাপ্ত (২০২৫) |
| কেটি পেরি | অরলান্ডো ব্লুম (প্রাক্তন বাগদত্তা) | ১ কন্যাসন্তানের মা; সহ-অভিভাবকত্বের দায়িত্ব পালন করছেন |
ট্রুডোর বিচ্ছিন্ন স্ত্রী সোফি গ্রেগোয়ার ট্রুডো সম্প্রতি তাদের বিচ্ছেদের বিষয়ে মন্তব্য করেছেন। তিনি একটি পডকাস্টে বলেছেন যে তিনি বাইরের কোলাহলের চেয়ে নিজের মনের গান শুনতেই বেশি পছন্দ করেন, যা তার ব্যক্তিগত উন্নতির প্রতি মনোযোগ নির্দেশ করে। অন্যদিকে, কেটি পেরির প্রাক্তন বাগদত্তা অরলান্ডো ব্লুম তাদের বিচ্ছেদের পর অত্যন্ত সম্মান এবং রসবোধের সাথে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন। তিনি প্রকাশ্যে পেরির জন্য শুভকামনা জানিয়েছেন এবং তাদের সন্তানের স্বার্থে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রেখেছেন। জাপানের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীর সাথে এই হাই-প্রোফাইল লাঞ্চ প্রমাণ করে যে পেরি এবং ট্রুডো তাদের সম্পর্ককে পরবর্তী স্তরে নিয়ে যাচ্ছেন, যেখানে তারা বিশ্বনেতাদের সাথেও স্বাচ্ছন্দ্যে মিশছেন।
