সুবহানাল্লাহ লিরিক্স । গজল । ইসলামিক গান । মশিউর রহমান । Moshiur rahman

সুবহানাল্লাহ লিরিক্স

ইসলামিক গান

মশিউর রহমান । Moshiur rahman

গানের ধরনঃ গজল

 

সুবহানাল্লাহ লিরিক্স । গজল । ইসলামিক গান । মশিউর রহমান । Moshiur rahman

 

সুবহানাল্লাহ লিরিক্স । গজল । ইসলামিক গান । মশিউর রহমান । Moshiur rahman

সুবাহানাল্লাহ আলহামদুলিল্লা
লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ।।

সুবহানাল্লাহ লিরিক্স । গজল । ইসলামিক গান । মশিউর রহমান । Moshiur rahman

তুমি বাঁচাও তুমি মারো
অবিরত ক্ষমা কর।
ধরার যে জন থাকে ধরো
তোমার মুঠোয় সবই আল্লাহ।
সুবাহানাল্লাহ আলহামদুলিল্লা,
লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ।।

তোমার রিযিক খেয়ে পড়ে
অবাধ্য হই কেমন করে।
খুঁজে না পাই কোন ভাষা
শুকুর গুজার করার আল্লাহ।
সুবাহানাল্লাহ আলহামদুলিল্লা,
লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ।।

তোমার দয়ায় নদীর ধারা,
সারা জাহান তোমার গড়া
তোমারি পথে আমার জীবন (২)
কবুল কর ওগো আল্লাহ।
সুবাহানাল্লাহ আলহামদুলিল্লা,
লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ।।

সুবহানাল্লাহ লিরিক্স । গজল । ইসলামিক গান । মশিউর রহমান । Moshiur rahman

গজল হালকা মেজাজের লঘু শাস্ত্রীয় সঙ্গীত। আবার হালকা-গম্ভীর রসের মিশ্রণে সিক্ত আধ্যাত্মিক গান। গজল প্রেমিক-প্রেমিকার গান হলেও এ গান এমন একটি শৈলী যাতে প্রেম ও ভক্তির অপূর্ব মিলন ঘটেছে।

পার্থিব প্রেমের পাশাপাশি গজল গানে আছে অপার্থিব প্রেম, যে প্রেমে স্রষ্টার প্রতি আত্মার আকূতি নিবেদিত। গজল গানে স্রষ্টা আর তার প্রেরিত মহাপুরুষদের প্রতি ভক্তির সঙ্গে মোক্ষ লাভের ইচ্ছা এসে মেলবন্ধন ঘটিয়েছে পার্থিব প্রেমের সঙ্গে।

গজল গান উর্দু ও ফার্সি ভাষায় রচিত এক ধরনের ক্ষুদ্রগীত। আমির খসরু এ গানের স্রষ্টা এবং প্রচারের ক্ষেত্রেও তার অবদান অপরিসীম। তিনি সম্রাট আলাউদ্দিন খিলজিকে প্রতিরাতে একটি করে গজল শোনাতেন।

‘গজল’ শব্দটি আরবি থেকেই চয়িত। এ শব্দের আক্ষরিক অর্থ, প্রেমিকার সঙ্গে কথোপকথন। গজলের পরিভাষায় উল্লেখ হয়েছে, ‘তারুণ্যের পরিস্থিতি বর্ণনা করুন অথবা প্রেমাস্পদের সঙ্গে সংসর্গের উল্লেখ করুন এবং ভালোবাসার চর্চা করুন কিংবা রমণীর সঙ্গে বাক্যালাপ করুন।

তাই পরিভাষায় বর্ণিত বিষয়কে অবলম্বন করে গজল রচিত গানকে ‘প্রণয়-সঙ্গীত’ বলেও চিহ্নিত করা হয়। গজল আবার ‘কাব্য-সঙ্গীত’ নামেও পরিচিত।

কারণ গজল গানে শৃঙ্গার রস যেমন মিলন আর বিরহের কথা বলে তেমনি তাতে ভক্তির কথাও উচ্চারিত হয়। দু’ধরনের ভাবের অভিব্যক্তি শৃঙ্গার রসে পরিপূর্ণতা আনে।

অন্যদিকে গজল গান রচনায় যে বাণী প্রয়োগ করা হয় তাতে সব ধরনের রসের সমাবেশ দেখা যায়। ফলে গজল গান কাব্যের গুণে সমৃদ্ধ হয়ে ওঠে। তাই গজল শৃঙ্গার রসাÍক গান হলেও এক ধরনের ‘কাব্য-সঙ্গীত’।

Leave a Comment