হামিন আহমেদ বাংলাদেশী সংঙ্গীত শিল্পী। তিনি ব্যান্ড দল মাইলস এর প্রতিষ্ঠাতা সদস্য।
Table of Contents
হামিন আহমেদ । বাংলাদেশী সংঙ্গীত শিল্পী
শৈশব
হামিন আহমেদ এর বাবা সংঙ্গীত পরিচালক কমল দাশগুপ্ত এবং মা নজরুল সংগীতশিল্পী ফিরোজা বেগম। তিনি প্রথমে কলকাতার একটি স্কুলে পড়াশোনা করেন। তারপরে তিনি ঢাকায় চলে আসেন এবং নটর ডেম কলেজ পড়াশোনা করেন। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এ জন প্রশাসন বিভাগে পড়াশোনা শেষ করেন। তার ছোট ভাই শাফিন আহমেদ মাইলস এর সহযোগী সদস্য।
কর্মজীবন
‘মাইলস’-এর শুরু ইংরেজি গান দিয়ে। কিন্তু তিনি ইংরেজি গান ছেড়ে বাংলা গান গাইতে রাজি ছিলেন না। কিন্তু পরবর্তীতে ১৯৯১ সালে মাইলস ‘প্রতিশ্রুতি’ নামের অ্যালবাম দিয়ে প্রথম বাংলা গানে আসি। যার বেশ কয়েকটি গান মানুষের কাছে তুমুল জনপ্রিয়তা অর্জন করে নেয়।নাটকে অভিনয় করা থেকে শুরু করে ১৯৯৪ সালে বাংলা সিনেমার মিউজিক ডিরেক্টর হিসেবেও হামিন কাজ করেছেন।
ব্যবসা
১৯৮৭ সালে আহমেদ তার নিজস্ব উদ্যোগে কম্পিউটার ব্যবসা ডেটাটেক শুরু করেছিলেন। পরে তিনি ১৯৯২ সালে এসিআইতে বাণিজ্যিক বিভাগে যোগদান করেন। ২০০২ সাল থেকে তিনি পোশাক খাতে বিনিয়োগ করেন।
ব্যক্তিগত জীবন
হামিন আহমেদের স্ত্রী সঙ্গীতশিল্পী কানিজ সুবর্ণা। তার তিন সন্তান রয়েছে। তাদের মধ্যে বড় হলেন আহনাফ আহমেদ (জন্ম ১৯৯৫)।

ক্রিকেট
ন্যাশনাল স্পোর্টিং ক্লাব দিয়ে ক্রিকেট অধ্যায় শুরু। তারপর সূর্যতরুণ, আজাদ বয়েজ, আবাহনী এবং মোহামেডান ক্লাবগুলির হয়ে তিনি ক্রিকেট খেলতেন। তখন আজাদ বয়েজের পাঁচ-ছয়জন জাতীয় দলে খেলতেন। জাতীয় দলে খেলেছে ১৯৮৬ সালে। কিন্তু ক্রিকেটকে পেশা হিসেবে নেওয়ার মতো ভরসা ছিল না। গান ও কম্পিউটার ব্যবসাও চলছিল।’ ৮৭ সালে খেলা ছেড়ে দেয়, এরপর ক্রিকেটে আর ফেরা হয়নি।
অ্যালবাম
- মাইলস
- এ স্টোপ ফার্দার
- প্রতিশ্রুতি
- প্রত্যাশা
- বেস্ট অফ মাইলস
- প্রত্তয়
- প্রয়াস
- প্রবাহ
- প্রতিধণ্ণি
- প্রতিচ্ছবি ইত্যাদি
২০০৬ সালে মাইলসের বাইরে শেষবারের মত একক গান প্রকাশ করেছিলেন হামিন আহমেদ।দীর্ঘ ১৬ বছর পর নতুন একক গান নিয়ে হাজির হয়েছেন হামিন আহমেদ।গানটির প্রথম লাইন ‘যেওনা চলে, না বলে, কিছু না বলে, যেতে নেই’। কণ্ঠ দেওয়ার পাশাপাশি এখানে গিটারও বাজিয়েছেন হামিন। মালদ্বীপে চিত্রায়িত গানচিত্রটিতে মডেলদের পাশাপাশি দেখা যাবে তাঁকেও।
