কার্লি পিয়ার্সের হৃদরোগের লড়াই: রিকর্সিভ পেরিকার্ডাইটিসের অভিজ্ঞতা
কান্ট্রি মিউজিকের জনপ্রিয় তারকা কার্লি পিয়ার্স সম্প্রতি প্রকাশ করেছেন যে তিনি রিকর্সিভ পেরিকার্ডাইটিস—হৃদয়ের চারপাশের টিস্যুর প্রদাহ—এর সঙ্গে দীর্ঘদিন লড়াই করছেন। ৩৫ বছর বয়সী এই গায়িকা ২০২৪ সালে “টুডে” শোতে এই স্বাস্থ্যসংক্রান্ত সমস্যার কথা প্রথমবার বিস্তারিতভাবে জানিয়েছেন।
পেরিকার্ডাইটিস মায়ো ক্লিনিক অনুযায়ী এক ধরনের যন্ত্রণাদায়ক অবস্থা, যা হৃদয়ের চারপাশের পেরিকার্ডিয়াম (টিস্যু) প্রদাহিত হওয়ার কারণে ঘটে। পিয়ার্স জানিয়েছেন, “আমি একটি খুব কষ্টকর বুকব্যথা অনুভব করছিলাম, যা শুধুমাত্র যদি আমি সামনে ঝুঁকে থাকি, তবেই কিছুটা আরাম পেতাম। এটি পেরিকার্ডাইটিসের একটি ক্লাসিক উপসর্গ।”
তিনি আরও বলেন, “যখন আমি পিছনে শোয়ে থাকি, ব্যথাটা আরও বেড়ে যেত কারণ হৃদয়ের চারপাশের দেয়ালটি স্ফীত হয়ে যেত। এছাড়া শ্বাসকষ্টও অনুভব করতাম, যেমনটা মনে হতো যেন স্ট্র দিয়ে শ্বাস নিচ্ছি।”
যদিও তিনি ২০২৪ সালে এই সমস্যার কথা প্রকাশ করেছিলেন, পিয়ার্স জানিয়েছেন যে প্রায় পাঁচ বছর ধরে এটি তাকে বিরক্ত করছিল। তিনি বলেন, “আমি এখন ভালো আছি। আমি সুস্থ, এবং আমার নতুন স্বাভাবিক জীবনের সন্ধানে আছি। ২০২০ সাল থেকে রিকর্সিভ পেরিকার্ডাইটিসের কারণে বেশ কয়েকটি জ্বালাপোড়া সহ্য করেছি।”
কার্লি পিয়ার্সের পরিবারেও হৃদরোগের ইতিহাস রয়েছে। ফক্স নিউজের প্রতিবেদন অনুযায়ী, তার বাবা তখন পিয়ার্স ১৯ বছর বয়সী ছিলেন, একটি উইডো মেকার হার্ট অ্যাটাক থেকে বেঁচে যান। পিয়ার্স শোতে বলেছেন, “আমি আমার বাবার অভিজ্ঞতা থেকে অনেক কিছু শিখেছি। হৃদরোগের সঙ্গে লড়াই করতে গিয়ে বাবার সমর্থন আমার জন্য অনেক গুরুত্বপূর্ণ ছিল।”
পিয়ার্সের এই অভিজ্ঞতা কেবল তার স্বাস্থ্যসংক্রান্ত সংগ্রামই তুলে ধরে না, বরং ফ্যান ও শ্রোতাদের জন্যও একটি সতর্কবার্তা হিসেবে কাজ করে। এটি স্মরণ করিয়ে দেয় যে হৃদরোগ শুধুমাত্র বয়স্কদের জন্য নয়—যুবক ও তরুণদের মধ্যেও এটি হঠাৎ ঘটতে পারে, এবং সতর্কতা, চিকিৎসা ও পরিবারের সমর্থন গুরুত্বপূর্ণ।
সংক্ষেপে:
| বিষয় | তথ্য |
|---|---|
| শিল্পী | কার্লি পিয়ার্স |
| বয়স | ৩৫ বছর |
| রোগ | রিকর্সিভ পেরিকার্ডাইটিস (হৃদয় চারপাশের টিস্যুর প্রদাহ) |
| প্রকাশের সময় | ২০২৪, “টুডে” শো |
| সমস্যার স্থায়িত্ব | প্রায় ৫ বছর |
| উপসর্গ | বুকব্যথা, শ্বাসকষ্ট |
| পরিবারের ইতিহাস | বাবা: উইডো মেকার হার্ট অ্যাটাক থেকে বেঁচে গিয়েছিলেন |
কার্লি পিয়ার্সের সাহসী প্রকাশ ভক্তদের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি করেছে এবং একই সঙ্গে হৃদরোগের সঙ্গে লড়াই করা মানুষের জন্য অনুপ্রেরণা হিসেবে কাজ করছে।
