এলিস-বেক্সটর ও দ্য প্রোক্লেইমার্স ফেস্টিভালের প্রধান শিরোনাম

সোফি এলিস-বেক্সটর ও দ্য প্রোক্লেইমার্স গিলফেস্ট ২০২৬-এর হেডলাইনার

২০২৬ সালের গ্রীষ্মে, স্টোক পার্ক, গিল্ডফোর্ডে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে দক্ষিণ ইংল্যান্ডের অন্যতম জনপ্রিয় সঙ্গীত উৎসব গিলফেস্ট, যা এবার আরও দারুণ ও আকর্ষণীয় হয়ে ফিরে এসেছে। এই বছর ফেস্টিভালের প্রধান হেডলাইনার হিসেবে উপস্থিত থাকছেন আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন ব্রিটিশ গায়িকা সোফি এলিস-বেক্সটর এবং স্কটিশ রক ব্যান্ড দ্য প্রোক্লেইমার্স। দর্শকরা ৪ ও ৫ জুলাই এই দুই দিনের অনুষ্ঠান উপভোগ করতে পারবেন, যেখানে প্রতিটি মুহূর্তে বাজবে সঙ্গীতের সুরের রংধনু।

ফেস্টিভাল আয়োজকরা জানান, প্রধান হেডলাইনারদের সঙ্গে সঙ্গে আরও পারফর্ম করবেন রুডিমেন্টাল, কুলা শেকার এবং দ্য লটারি উইনারস, যা পুরো ইভেন্টটিকে আরও বৈচিত্র্যময় ও প্রাণবন্ত করবে।

সোফি এলিস-বেক্সটর, যিনি তাঁর বিখ্যাত হিট গান “Murder on the Dancefloor” এর জন্য পরিচিত, শনিবার ফেস্টিভালের মঞ্চে উপস্থিত হয়ে দর্শকদের মুগ্ধ করবেন। অন্যদিকে, দ্য প্রোক্লেইমার্স, স্কটিশ ভাইদের ব্যান্ড রবিবারের প্রধান আকর্ষণ হিসেবে দর্শকদের জন্য বিশেষ সঙ্গীতানুষ্ঠান উপস্থাপন করবে।

গিলফেস্টের প্রতিষ্ঠাতা টনি স্কট বিবিসি রেডিও সারিকে জানান, “আমরা অত্যন্ত উত্তেজিত। গিলফেস্ট আবারও ফিরে আসছে, এবং এটি সত্যিই এক অসাধারণ অভিজ্ঞতা হবে।” উল্লেখযোগ্য, ফেস্টিভালটি ২০২৪ সালে ১০ বছরের বিরতির পর পুনরায় আয়োজন করা হয়, কারণ আগের পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠান দেউলিয়া হয়ে পড়েছিল।

গত বছরের ফেস্টিভাল হেডলাইনার ছিলেন দ্য জ্যাকসনস এবং রেজারলাইট, এবং ২০২৪ সালে মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন দ্য স্ট্রেঞ্জলার্সস্যাম রাইডার। ২০২৬ সালের ফেস্টিভালটি বড় আকারে আয়োজন করা হয়েছে, যেখানে থাকবে মোট সাতটি মিউজিক স্টেজ, যা দর্শকদের জন্য সঙ্গীতের ভিন্ন ভিন্ন ধারা উপভোগের সুযোগ সৃষ্টি করবে।

২০২৬ সালের গিলফেস্ট হাইলাইটস

তারিখহেডলাইনারঅন্যান্য শিল্পী
৪ জুলাই ২০২৬সোফি এলিস-বেক্সটররুডিমেন্টাল, কুলা শেকার, দ্য লটারি উইনারস
৫ জুলাই ২০২৬দ্য প্রোক্লেইমার্সরুডিমেন্টাল, কুলা শেকার, দ্য লটারি উইনারস

গিলফেস্ট ২০২৬ দর্শকদের জন্য কেবল একটি সঙ্গীত উৎসব নয়, বরং এটি হবে শিল্প ও সংস্কৃতির এক অনন্য মিলনস্থল। সোফি এলিস-বেক্সটরদ্য প্রোক্লেইমার্সের উপস্থিতি ফেস্টিভালের এই সংস্করণকে আরও স্মরণীয় করে তুলবে, যেখানে দর্শকরা পাবেন চমৎকার লাইভ পারফরম্যান্স, বিশেষ প্রযোজনার মঞ্চদৃশ্য এবং গান-বাজনার রোমাঞ্চকর অভিজ্ঞতা।

এই ফেস্টিভালটি কেবল সঙ্গীতপ্রেমীদের জন্য নয়, বরং পুরো অঞ্চলের সাংস্কৃতিক জীবনে একটি উল্লেখযোগ্য মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হবে।