মার্কিন তরুণ সংগীতশিল্পী সাবরিনা কার্পেন্টার সাম্প্রতিক বছরগুলোতে ধারাবাহিক সাফল্যের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক সঙ্গীতজগতে নিজের অবস্থান আরও শক্ত করেছেন। ২০২৪ সালে তাঁর ‘এসপ্রেসো’ গানটি ব্যাপক জনপ্রিয়তা পাওয়ার পর, চলতি বছরে ফেব্রুয়ারিতে প্রথম গ্র্যামি মনোনয়ন পান তিনি। এর কিছুদিন পর ‘এক্সপ্রেসো’ ও ‘শর্ট অ্যান্ড সুইট’ গানের জন্য দু’টি পুরস্কার তাঁর ঝুলিতে যুক্ত হয়। গত বছরের সেপ্টেম্বরে শুরু হওয়া বিশ্বভ্রমণমূলক মঞ্চযাত্রা শেষ হয় এই বছরের মার্চে।
জুনে প্রকাশের পর ‘ম্যানচাইল্ড’ গানটি সংগীতের বিভিন্ন চার্টে ঝড় তোলে। এর ধারাবাহিকতায় ২৯ আগস্ট বাজারে আসে তাঁর সপ্তম স্টুডিও অ্যালবাম ‘ম্যানস বেস্ট ফ্রেন্ড’। অ্যালবামটি প্রকাশের মাত্র দুই দিন আগে স্পটিফাই নিজেদের প্রতিবছরের সর্বাধিক শোনা শিল্পীর তালিকা প্রকাশ করে, যেখানে পঞ্চম স্থানে উঠে আসেন সাবরিনা।
ভ্যারাইটিকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, পুরো বছর কীভাবে গেল বা কাজের মূল্যায়ন—এসব নিয়ে তিনি খুব বেশি ভাবেন না। নিজের ইচ্ছামতো কাজ করাই তাঁকে অনুপ্রাণিত করে। নতুন বছরে তাঁর কাছ থেকে কোনো নতুন গান নাও আসতে পারে বলেও উল্লেখ করেন।
তবে প্রশংসার পাশাপাশি নতুন অ্যালবাম নিয়ে সমালোচনাও হয়েছে। প্রচলিত ‘ভালো মেয়ে’র ভাবমূর্তি থেকে বেরিয়ে তিনি গানের কথায় যৌনতার দিকটি স্পষ্টভাবে তুলে ধরেছেন। এতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নানা প্রতিক্রিয়া জন্ম নিলেও তিনি বিষয়টি গুরুত্ব দেন না।
রোলিং স্টোনকে দেওয়া বক্তব্যে সাবরিনা বলেন, অভিযোগকারীদের অনেকেই বলেন যে তিনি বারবার একই বিষয়ে গান করেন, অথচ এই গানগুলো জনপ্রিয় করেছেন শ্রোতারাই। তাঁর মতে, শ্রোতাদের আগ্রহই বিষয়টিকে সামনে আনছে এবং তাঁর মঞ্চ পরিবেশনাতেও তার প্রভাব থাকে।
সংগীত ছাড়াও অন্যান্য সৃজনশীল দায়িত্বেও যুক্ত রয়েছেন তিনি। ‘অ্যালিস ইন ওয়ান্ডারল্যান্ড’ অবলম্বনে নির্মিত একটি নতুন সংগীতধর্মী চলচ্চিত্রে অভিনয় করছেন সাবরিনা, একই সঙ্গে প্রযোজক হিসেবে কাজ করে তাঁর সৃষ্টিশীলতার নতুন পরিচয় প্রতিষ্ঠা করছেন।
এজে