বিখ্যাত গায়িকা চ্যাপেল রোন এই সময়ের সবচেয়ে আলোচিত ব্যক্তি। তবে চ্যাপেল এবং বিতর্ক যেন একে অপরের সাথেই হাত ধরাধরি করে চলেছে। চলতি বছরের গ্র্যামি পুরস্কার অনুষ্ঠানেই ঊর্ধ্বাঙ্গ উন্মুক্ত পোশাকে উপস্থিত হওয়ায় তিনি ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়েছিলেন। সেই বিতর্ক ধীরে ধীরে কমতে না কমতেই, এবার নতুন একটি ঘটনা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে উত্তেজনার সৃষ্টি করেছে।
ঘটনাটি ঘটেছে ব্রাজিলের সাও পাওলো শহরের একটি হোটেলে। ব্রাজিলিয়ান ফুটবলার হর্গিনহো ফ্রেলো অভিযোগ তুলেছেন যে, তার স্ত্রী ক্যাথরিন হার্ডিং ও ১১ বছর বয়সী মেয়ে সেই হোটেলে অবস্থান করার সময় চ্যাপেল রোনও সেখানে ছিলেন। হর্গিনহোর দাবি, তার মেয়ে গায়িকাকে দেখে উচ্ছ্বসিত হয়ে কাছে যেতে চাইলে এক নিরাপত্তারক্ষী শিশুটির সঙ্গে রূঢ় আচরণ করেন। পরিস্থিতি এমন হয় যে, শিশুটি ভয় পেয়ে কেঁদে ফেলেন।
হর্গিনহো সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ক্ষোভ প্রকাশ করে লিখেছেন, “ভক্তদের ছাড়া একজন শিল্পী কিছুই না। এমন আচরণ কখনও গ্রহণযোগ্য নয়।”
এই বিতর্কের উত্তাপে চ্যাপেল রোন নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেন। ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে তিনি জানান, ঘটনার সময় তিনি নিজে উপস্থিত ছিলেন না। যে নিরাপত্তারক্ষী অভিযুক্ত হয়েছেন, তিনি চ্যাপেলের ব্যক্তিগত টিমের অংশ ছিলেন না এবং মা ও শিশুটিকে তিনি দেখেননি। চ্যাপেল বলেন, “কারও উদ্দেশ্য সম্পর্কে ভুল ধারণা করে এমন আচরণ করা ঠিক নয়। আমি শিশুদের ক্ষতি চাই না। যদি তারা অস্বস্তি বোধ করে থাকে, তা দুঃখজনক। এমন আচরণ তাদের প্রাপ্য ছিল না।”
এই ঘটনায় সমালোচক ও ভক্তরা দুই ভাগে বিভক্ত হয়েছেন। কেউ চ্যাপেলের পক্ষ নেন, কেউ আবার নিরাপত্তা ব্যবস্থার রূঢ়তার সমালোচনা করেন। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এমন পরিস্থিতিতে দ্রুত পরিস্থিতি স্পষ্ট করা জরুরি।
ঘটনার সময়সূচি
| তারিখ | স্থান | ব্যক্তিরা | ঘটনার সারমর্ম |
|---|---|---|---|
| ২০২৬ সালের মার্চ | সাও পাওলো, ব্রাজিল | চ্যাপেল রোন, হর্গিনহো ফ্রেলো, ক্যাথরিন হার্ডিং, ১১ বছরের মেয়ে | হোটেলে শিশু ও নিরাপত্তারক্ষীর মধ্যে উত্তেজনা; চ্যাপেল ঘটনা প্রত্যক্ষ করেননি |
| পরবর্তীতে | অনলাইন | সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারকারীরা | হর্গিনহো অভিযোগ, চ্যাপেল বক্তব্য, বিতর্ক সৃষ্টি |
অনেকের মতে, চ্যাপেল ইতিমধ্যেই তার অবস্থান ব্যাখ্যা করেছেন, তাই বিষয়টি এখানেই শেষ করা উচিত। তবে সামাজিক সচেতনতা ও শিশুদের নিরাপত্তা নিয়ে এই ঘটনা নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
এভাবেই চ্যাপেল রোনের জীবন এখনও বিতর্কের ছায়া ত্যাগ করতে পারেনি। গ্র্যামি বিতর্কের রেশ কাটার আগেই নতুন একটি ঘটনা তাঁকে আবার আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে নিয়ে এসেছে।
