নতুন আয়োজনে বাজেরে বাজে ঢোল আর ঢাক গান উন্মোচন

দেড় দশক আগে সোনিয়ার কণ্ঠে প্রথম প্রকাশিত হয়েছিল জনপ্রিয় পয়লা বৈশাখের গান ‘বাজেরে বাজে ঢোল আর ঢাক’। বাংলা নববর্ষের সঙ্গে নিবিড়ভাবে যুক্ত এই গানটি দীর্ঘ সময় ধরে শ্রোতাদের হৃদয়ে অমলিন প্রভাব রেখেছে। প্রকাশের প্রায় ১৮ বছর পর, এবার গানচিল প্রযোজনা প্রতিষ্ঠানের উদ্যোগে নতুন আয়োজনে গানটির সংস্করণ তৈরি করা হয়েছে, যা আধুনিক সাউন্ড ও সময়োপযোগী ভিজ্যুয়াল উপস্থাপনা যুক্ত করে নতুন প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে করা হয়েছে।

মূল গানের কথা লিখেছেন কবির বকুল, এবং সুর ও সংগীতায়োজন করেছিলেন শওকত আলী ইমন। নতুন সংস্করণেও গানটির সুর ও সংগীতায়োজনের দায়িত্বে আছেন ইমন। তিনি জানিয়েছেন, “নতুন সংস্করণে গানটিকে আধুনিক সাউন্ড ও নতুন কণ্ঠের মাধ্যমে উপস্থাপন করেছি, যাতে এটি নতুন প্রজন্মের কাছে আরও সহজে পৌঁছাতে পারে। মূল আবহ বজায় রেখেই নতুন স্পর্শ সংযোজন করেছি।”

গানটিতে কণ্ঠ দিয়েছেন শওকত আলী ইমন, ঝিলিক, লুইপা, আতিয়া আনিসা এবং জাকিয়া সুলতানা কর্নিয়া। ভিডিও নির্মাণ করেছেন চন্দন রায় চৌধুরী, যা গানটির ভিজ্যুয়াল আবেদনকে আরও শক্তিশালী করেছে।

প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান গানচিলের কর্ণধার আসিফ ইকবাল বলেন, “পয়লা বৈশাখের সঙ্গে গানটির ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে। নতুন আয়োজনে গানটি প্রকাশের মাধ্যমে আমরা আশা করি তরুণ শ্রোতাদের মন জয় করতে পারব। গানটির মূল আবহ ধরে রেখে আধুনিক স্পর্শ যোগ করা হয়েছে। এটি বৈশাখের উদযাপনকে আরও প্রাণবন্ত করে তুলবে।”

নতুন সংস্করণটি আগামীকাল, ৯ এপ্রিল, গানচিলের ইউটিউব চ্যানেল-এ প্রকাশিত হবে।

নিচের টেবিলে নতুন সংস্করণের প্রধান তথ্য সংক্ষেপে তুলে ধরা হলো—

সূচকতথ্যমন্তব্য
গানবাজেরে বাজে ঢোল আর ঢাকপয়লা বৈশাখের প্রিয় গান
মূল কণ্ঠসোনিয়া১৮ বছর আগের সংস্করণে মূল কণ্ঠ
নতুন কণ্ঠশওকত আলী ইমন, ঝিলিক, লুইপা, আতিয়া আনিসা, জাকিয়া সুলতানা কর্নিয়াআধুনিক উপস্থাপনা ও সহযোগী কণ্ঠ
সংগীতায়োজনশওকত আলী ইমনমূল আবহ বজায় রেখে নতুন সাউন্ড সংযোজন
ভিডিও নির্মাতাচন্দন রায় চৌধুরীসময়োপযোগী ভিজ্যুয়াল উপস্থাপনা
প্রকাশ মাধ্যমগানচিল ইউটিউব চ্যানেল৯ এপ্রিল প্রকাশের জন্য নির্ধারিত

সারসংক্ষেপে, নতুন আয়োজনে গানটি মূল আবহ বজায় রেখে আধুনিক সাউন্ড, নতুন কণ্ঠ এবং সময়োপযোগী ভিডিওর মাধ্যমে পুনরায় শ্রোতাদের সামনে এসেছে। গানটি নতুন প্রজন্মের কাছে বৈশাখের উৎসব ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যকে আরও প্রাণবন্তভাবে পৌঁছে দেবে এবং বাংলাদেশের সংগীত ও সংস্কৃতির সঙ্গে শ্রোতাদের সংযোগকে আরও শক্তিশালী করবে।