মাটির দেহ মাটি হবে । Matir Deho Mati Hobe Lyrics ( গজল ) – বেবি নাজনিন
সঙ্গীত গুরুকুল ডেস্ক
প্রকাশ: ১৫ই জুন ২০২২, ১:৩৯ পিএম
মাটির দেহ মাটি হবে গানটি কষ্টশিল্পী বেবি নাজনিন এর গাওয়া একটি গান। বেবী নাজনীন বাংলাদেশের একজন নেপথ্য কণ্ঠশিল্পীএবং রাজনীতিবিদ। ১৯৭৬ সাল থেকে তিনি অনেক গান গেয়েছেন। তিনি ২০০৩ সালে শ্রেষ্ঠ মহিলা গায়ক হিসাবে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার লাভ করেন। তিনি একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ছিলেন।
বেবী নাজনীনের কর্মজীবন সঙ্গীতময়। তার অসংখ্য জনপ্রিয় গানের মধ্যে ‘ঘুম ভাঙ্গায়া গেলরে মরার কোকিলে’ উল্লেখযোগ্য। এছাড়া “এলোমেলো বাতাসে উড়িয়েছি শাড়ির আঁচল”, “লোকে বলে আমার ঘরে নাকি চাঁদ এসেছে”, “ঐ রংধনু থেকে কিছু কিছু রং”, “ও বন্ধুরে তুই কতদূরে”, “মানুষ নিষ্পাপ পৃথিবীতে আসে”, “দু’চোখে ঘুম আসে না”, “কাল সারারাত ছিল স্বপনেরও রাত”, “ও বন্ধু তুমি কই কই রে”, “কই গেলা নিঠুর বন্ধুরে” গানগুলো জনপ্রিয়তা অর্জন করে।
মাটির দেহ মাটি হবে । Matir Deho Mati Hobe Lyrics | বেবী নাজনীন |
মাটির দেহ মাটি হবে লিরিক্স
ও রে মাটির দেহ মাটি হবে
মাটি হবে বিছানা মোর…
কেন বুঝনা..ও রে মাটির দেহ মাটি হবে
মাটি হবে বিছানা মোর…
কেন বুঝনা..অ রুপের ঘোমাই দেখাই
অহংকার মনে রেখ না
সচল যখন অচল হবে
পথ খুঁজে পাবে নাওরে দমের কাটা বন্ধ হলে
দমের কাটা বন্ধ হলে
দম আর নিবে না
টি টি…আর
আর সে বলবে নাও রে মাটির দেহ মাটি হবে
মাটি হবে বিছানা মোর…
কেন বুঝনা..ও রবে পরে জমিদারি
সাজানো সংসার
আসবেনা কেউ খুঁজে আমার
আত্নীয় পরিবারওরে কী হবে মোর মরন পরে
কী হবে মোর মরন পরে
খবর রাখি না… কাটে
করে বাহানাও রে মাটির দেহ মাটি হবে
মাটি হবে বিছানা মোর…
কেন বুঝনা..কত এল কত গেল
সে পথের পথিক হয়ে..
ভাবনা মন কেন তুমি
কে যাবে সেথা নিয়েওরে..পাপের করি থাকলে ভারি
পাপের করি থাকলে ভারি
ভয় তো রবে না মন…
ভয় তো রবে না…..ও রে মাটির দেহ মাটি হবে
মাটি হবে বিছানা মোর…
কেন বুঝনা..খালি হাতে যাবে নজরুল
হাতটি মুঠু করে
কেমন করে থাকবিরে তুই
বাতি ছাড়া ঐ কবরেঅ…পোকা, মাকর খাবে তরে
একা নিশিতে পেয়ে
কে করিবে মাদাত সেথাই
গিয়ে যে তর হয়ে….
তবে আমল যদি থাকে রে তর
আমল যদি থাকে রে তর
কেউ ছোবে না তর…..চিন্তা রবে না
ও রে মাটির দেহ মাটি হবে
মাটি হবে বিছানা মোর…
কেন বুঝনা..
গজল আরব থেকে এর উৎপত্তি হলেও ফার্সি ভাষায় এটি বিশেষ বিকাশ লাভ করে। পরবর্তীতে উর্দু ভাষায় এটি সমধিক জনপ্রিয়তা পায়। আরবি, ফার্সি, পশতু, উর্দু ছাড়াও হিন্দি, পাঞ্জাবী, মারাঠি, বাংলা এমনকি ইংরেজিতেও গজল লেখা হয়। প্রাথমিক দিকে ইমাম গাযালী, মওলানা জালালুদ্দিন রুমী, হাফীজ সীরাজী, ফারুখউদ্দীন আত্তার, হাকীম শানাঈ প্রমুখ গজল লিখে বেশ নাম করেন।
পরবর্তিতে আমির খসরু, মীর তাকী মীর, ইব্রাহীম জক, মীর্জা গালিব, দাগ দেলবী এবং আধুনিক কালে আল্লামা মুহাম্মদ ইকবাল, ফয়েজ আহমেদ ফয়েজ, ফিরাক গোরখপুরী গজল লেখক হিসাবে নাম করেন।
মন্তব্য