খর কুটার এক বাসা বাধলাম লিরিক্স [ Khorkutar Ek Basa Badhlam ] – “খর কুটার এক বাসা বাধলাম” গানটি বাংলা ছায়া ছবি “মোল্লা বাড়ির বউ” এর গান। গানটি গেয়েছেন সঙ্গিত শিল্পি “মনির খান [ Monir Khan ]”
খর কুটার এক বাসা বাধলাম লিরিক্স
খরকুটার এক বাসা বাধলাম বাবুই পাখির মতো,
এই হৃদয়ের ভালবাসা দিলাম আছে যত।
খরকুটার এক বাসা বাধলাম বাবুই পাখির মতো,
এই হৃদয়ের ভালবাসা দিলাম আছে যত।
একটা ময়না পাখি সেই বাসায়,
পুষি কত ভালবাসায়,
তারে চোখে চোখে রাখি।
উইড়া যেন না যায় আমার পোষা ময়না পাখি।
পাখি চোখে চোখে রাখি।
উইড়া যেন না যায় আমার পোষা ময়না পাখি।
খরকুটার এক বাসা বাধলাম বাবুই পাখির মতো,
এই হৃদয়ের ভালবাসা দিলাম আছে যত।
ফাঁক পাইলে সেই ময়না পাখি যদি গো পালায়!
ফাঁক পাইলে সেই ময়না পাখি যদি গো পালায়,
সকাল বিকাল তাই পাখিরে পুষি দুধ কলায়।
পাখির সনে আমার সনে,
ভাব হয়েছে মনে মনে।
পাখির সনে আমার সনে,
ভাব হয়েছে মনে মনে।
তবুও ভয়ে থাকি।
উইড়া যেন না যায় আমার পোষা ময়না পাখি।
পাখি চোখে চোখে রাখি।
উইড়া যেন না যায় আমার পোষা ময়না পাখি।
খরকুটার এক বাসা বাধলাম বাবুই পাখির মতো,
এই হৃদয়ের ভালবাসা দিলাম আছে যত।
কোন ফাঁকে পালাইয়া গেল পাইলাম না রে টের,
পাখিটা হইলো না আপন কপালেরই ফের।
কোন ফাঁকে পালাইয়া গেল পাইলাম না রে টের,
পাখিটা হইলো না আপন কপালেরই ফের।
ভাবের বুঝি অভাব ছিল,
তাই এমন প্রতিশোধ নিল।
ভাবের বুঝি অভাব ছিল,
তাই এমন প্রতিশোধ নিল।
কান্দাইলো দুই আঁখি।
উইড়া গেছে খাঁচা ছেড়ে আমার পোষা পাখি।
আমি দুঃখ কোথায় রাখি।
উইড়া গেছে খাঁচা ছেড়ে আমার পোষা পাখি।
খরকুটার এক বাসা বাধলাম বাবুই পাখির মতো,
এই হৃদয়ের ভালবাসা দিলাম আছে যত।
খরকুটার এক বাসা বাধলাম বাবুই পাখির মতো,
এই হৃদয়ের ভালবাসা দিলাম আছে যত।
একটা ময়না পাখি সেই বাসায়,
পুষেছিলাম কত আসায়,
আমি দুঃখ কোথায় রাখি।
উইড়া গেছে খাঁচা ছেড়ে আমার পোষা পাখি।
আমি দুঃখ কোথায় রাখি।
উইড়া গেছে খাঁচা ছেড়ে আমার পোষা পাখি।
উইড়া গেছে খাঁচা ছেড়ে আমার পোষা পাখি।
উইড়া গেছে খাঁচা ছেড়ে আমার পোষা পাখি।
“মনির খান” কে নিয়ে বিস্তারিত ঃ
মনির খান বাংলাদেশের একজন জনপ্রিয় সঙ্গীতশিল্পী। ১৯৯৬ সালে তোমার কোন দোষ নেই নামক একক অ্যালবাম নিয়ে সঙ্গীতাঙ্গনে পদার্পণ করেন। সুদীর্ঘ সঙ্গীত জীবনে তিনি ৪২টি একক অ্যালবাম এবং ৩০০ এর অধিক দ্বৈত ও মিশ্র অ্যালবাম প্ৰকাশ করেছেন। তিনি ৩ বার শ্রেষ্ঠ পুরুষ কণ্ঠশিল্পী হিসেবে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার (বাংলাদেশ) অর্জন করেন, বিজয়ী চলচ্চিত্রের নাম যথাক্রমে: প্রেমের তাজমহল (২০০১), লাল দরিয়া (২০০২) ও দুই নয়নের আলো (২০০৫)।
১৯৮৯ সালে মনির খান খুলনা রেডিওতে অডিশন দিয়ে আধুনিক গানের শিল্পী হিসেবে তালিকাভুক্ত হন। ১৯৯১ সালের আগস্ট মাস পর্যন্ত তিনি এখানে একজন নিয়মিত শিল্পী হিসেবে গান করেন।
১৯৯১ সালের ৫ই সেপ্টেম্বর এখান থেকে এন. ও. সি নিয়ে তিনি ঢাকায় চলে আসেন। ঢাকাতে আসার পরও তিনি বেশ কিছু গুরুজনদের কাছে গান শিখেছেন। তাদের মধ্যে রয়েছেন আবুবক্কার সিদ্দিক, মঙ্গল চন্দ্র বিশ্বাস, সালাউদ্দীন আহমেদ, অনুপ চক্রবর্তীসহ আরও অনেকে। তিনি যখন যার মধ্যে ভাল কিছু পেয়েছেন সেগুলি নিজের আয়ত্বে নেয়ার চেষ্টা করেছেন।
এইভাবে বেশ কিছুদিন যাবার পর তিনি অডিও মার্কেটে একটি স্থান নেবার কথা ভাবলেন। চিন্তা অনুযায়ী কাজ শুরু করলেন। মূলত কুটি মনসুরের উৎসাহে উৎসাহিত হয়ে মনির খান বাজারে নিজের গাওয়া গানের অ্যালবাম বের করার সিদ্ধান্ত নিলেন। জনপ্রিয় সুরকার, গীতিকার এবং সঙ্গীত পরিচালক মিল্টন খন্দকারের সান্নিধ্য পাবার চেষ্টা করলেন।
মিল্টন খন্দকার মনির খানের গান শুনে খুশী হয়ে তার কণ্ঠে গাওয়া গানের একটি ক্যসেট বের করতে রাজি হলেন। ক্যাসেট বের করার উদ্দেশ্যে মনির আরও ভাল ভাবে গান চর্চার মাধ্যদিয়ে নিজেকে একজন পরিপূর্ণ শিল্পী হিসেবে তৈরী করতে চেষ্টা করলেন। নিজেকে প্রস্তুত করতে মনির খানের সময় লেগেছিল ১৯৯২ থেকে ১৯৯৬ পর্যন্ত দীর্ঘ চার বছর।
১৯৯৬ সালে বিউটি কর্নার থেকে তার ১২টি গানের প্রথম একক অ্যালবাম তোমার কোন দোষ নেই বের হয়। অ্যালবামটি দারুণ জনপ্রিয়তা পায়। অ্যালবামটি জনপ্রিয়তা পাবার পর মনির খান রাতারাতি বিখ্যাত হয়ে গেলেন। এরপর মনির খান আর থেমে থাকেননি। তিনি একের পর গানের অ্যালবাম বের করেছেন এবং প্রতিটি অ্যালবামে সফলতা পেয়েছেন।