দে দে পাল তুলে দে (2014) [De De Pal Tule De] | আবদুর রহমান বয়াতী
“দে দে পাল তুলে দে” গ্রামবাংলার খুবই জনপ্রিয় একটি গান । গানটি লিখেছিলেন আবদুর রহমান বয়াতী এবং গানের গলা দিয়েছেন কন্ঠশিল্পী (ফকিরা ব্যান্ড) এর তিমির বিশ্বাস । গানটি বাংলার ফোক গানের মধ্যে অন্যতম জনপ্রিয় গান ।
দে দে পাল তুলে দে [De De Pal Tule De]
গীতিকারঃ আবদুর রহমান বয়াতী
সুরকারঃ আবদুর রহমান বয়াতী
প্রথম রেকর্ডের কন্ঠশিল্পীঃ তিমির বিশ্বাস
দে দে পাল তুলে দে (2014) [De De Pal Tule De] | আবদুর রহমান বয়াতী
দে দে পাল তুলে দে লিরিক্স :
দে দে পাল তুলে দে
মাঝি হেলা করিস না
ছেড়ে দে নৌকা
আমি যাবো মদিনা
দুনিয়ায় নবী এলো
মা আমিনার ঘরে
হাসিলে হাজার মানিক
কাঁদিলে মুক্তা ঝড়ে
ও দয়াল মুর্শিদ যার সখা
তার কিসের ভাবনা
আমার হৃদয় মাঝে কাবা
নয়নে মদিনা
ও নূরের রৌশনীতে
দুনিয়া গেছে ভরে
সে নূরের বাতি জ্বলে
মদিনার ঘরে ঘরে
দয়াল মুর্শিদ যার সখা
তার কিসের ভাবনা
আমার হৃদয় মাঝে কাবা
নয়নে মদিনা
দে দে পাল তুলে দে
মাঝি হেলা করিস না
ছেড়ে দে নৌকা
আমি যাবো মদিনা ।
![দে দে পাল তুলে দে (2014) [De De Pal Tule De] | আবদুর রহমান বয়াতী 1 YaifwwriN4BzRFCyqbslL4 দে দে পাল তুলে দে (2014) [De De Pal Tule De] | আবদুর রহমান বয়াতী](https://bn.musicgoln.com/wp-content/uploads/1965/12/YaifwwriN4BzRFCyqbslL4-300x225.png)
আবদুর রহমান বয়াতী:
আবদুর রহমান বয়াতী ছিলেন বাংলাদেশের একজন প্রসিদ্ধ লোকসঙ্গীত শিল্পী। তিনি একাধারে অসংখ্য জনপ্রিয় লোকগানের শিল্পী, গীতিকার, সুরকার এবং সঙ্গীত পরিচালক৷ শিল্পকলায় বিশেষ অবদানের জন্য তিনি ২০১৫ সালে একুশে পদক লাভ করেছেন। তিনি ১৯৩৯ সালে ব্রিটিশ ভারতের ঢাকার সূত্রাপুর থানার দয়াগঞ্জে জন্মগ্রহণ করেন ।
তিনি ১৯৮২ সালে ‘আবদুর রহমান বয়াতি’ নামে বাউল দল গড়ে তোলেন। তিনি দোতারা, হারমোনিয়াম, খঞ্জনি ও ভায়োলিন বাজাতে পারতেন। তিনি বাংলাদেশ ছাড়াও ভারত, নেপাল, যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, জাপান, অস্ট্রেলিয়া, অস্ট্রিয়া, কানাডা, চীন, সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়ন ও মধ্যপ্রাচ্যসহ বিশ্বের ৪২টি দেশ বাউল গান পরিবেশন করেছিলেন ।
১৯ আগস্ট ২০১৩ সালে রাজধানীর জাপান-বাংলাদেশ ফ্রেন্ডশিপ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।
তিমির বিশ্বাসঃ
তিমির বিশ্বাস বাংলা ও হিন্দি উভয় চলচ্চিত্রেরই একজন ভারতীয় প্লেব্যাক গায়ক। ফকিরা ব্যান্ডের প্রধান গায়কও তিনি।
তিমিরের জন্ম ২০ নভেম্বর ১৯৮২ সালে বাবা-মা স্বপন বিশ্বাস এবং সুক্লা বিশ্বাসের ঘরে। তিমির কখনোই সঙ্গীতের কোনো আনুষ্ঠানিক প্রশিক্ষণ নেননি। চার থেকে পাঁচ বছর বয়সে তিনি টেলিভিশনে দেখানো বিজ্ঞাপনের জিঙ্গেলগুলো গাইতেন। এটা দেখে তার মা তাকে তার গুরুজীর কাছে নিয়ে গেলেন, কিন্তু তিমির গান গাওয়ায় উৎসাহ পাননি। বলা হয়েছিল যে তিনি এমন কণ্ঠে গান গাইতে পারেন না।