তোমার টানে সারা বেলা [Tomar Tane Sara Belar Gane] | রূপঙ্কর বাগচী

তোমার টানে সারা বেলা [Tomar Tane Sara Belar Gane] | রূপঙ্কর বাগচী

“তোমার-টানে সারা বেলার গানে” গানটি লিখেছেন রূপঙ্কর বাগচী । রূপঙ্কর বাগচী ভারতীয় বাংলার এক জনপ্রিয় শিল্পী। তিনি ভারতীয় বাংলা ছবিতে অনেক গান করেছেন। 

তোমার টানে সারা বেলা [Tomar Tane Sara Belar Gane] | রূপঙ্কর বাগচী

গীতিকার: রূপঙ্কর বাগচী 

সুরকার: রূপঙ্কর বাগচী

তোমার টানে সারা বেলার গানে লিরিক্স :

তোমার-টানে সারা বেলার গানে

ভোরের অন্তমিল নিশীথ জানে (x2)

তোমার-টানে সারা বেলার গানে

নিষেধ মানবে দিবা নিশি হৃদয়

তোমার কান্না সেকি আমারও নয় (x2)

কালের হিসাব দেবে কোন সঞ্চয়

কি যন্ত্রনা পথিক প্রানে

তোমার-টানে সারা বেলার গানে

তোমার সঙ্গে একা দেখে হবে

আমার সুজন তুমি কথা দেবে (x2)

ঝড়ের খোঁজে তুমি সঙ্গী হবে

তুমিই পাবে অধীর প্রানে

তোমার-টানে সারা বেলার গানে

ভোরের অন্তমিল নিশীথ জানে

তোমার-টানে সারা বেলার গানে

Tomar Tane Sara Belar Gane lyrics :

Tomar Tane Sara Belar Gaane
Bhorer onto mil nishit jaane
Tomar Tane Sara Belar Gaane
Bhorer onto mil nishit jaane
Tomar tane Sara belar gane

Nishedh manbe diba nishi hridoy
Tomar kanna seki amaro noy
Nishedh manbe diba nishi hridoy
Tomar kanna seki Amaro noy
Kaaler hishab debe kon sonchoy
Ki jontrono pothik prane
Tomar tane sara belar gaane

Tomar songe eka dekha hobe
Amar sujon tumi kotha debe
Tomar songe eka dekha hobe
Amar sujon tumi kotha debe
Jhorer khoje tumi songi hobe
Tumi pabe odhir prane

Tomar Tane Sara Belar Gaane
Bhorer onto mil nishit jaane
Tomar Tane Sara Belar Gaane

রূপঙ্কর ‘বাগচীঃ

রূপঙ্কর’ বাগচী ভারতীয় বাংলার এক জনপ্রিয় শিল্পী। তিনি ভারতীয় বাংলা ছবিতে অনেক গান করেছেন। রূপঙ্কর ‘বাগচী তার অন্যতম জনপ্রিয় গান গুলার মধ্যে জাতিস্মর  এর “এ তুমি কেমন তুমি” এই গানের জন্য ৬১ তম জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার লাভ করেন । রূপঙ্কর’ বাগচী জন্মগ্রহণ করেন ভারতীয় এক সঙ্গীত পরিবারে। রূপঙ্কর বাগচী তার বাবা রিথেন্দ্র নাথ বাগচী এর কাছ থেকে ক্লাসিকাল গান শিখেন, আর তার মা সুমিত্রা বাগচী এর কাছ থেকে রবীন্দ্রসংগীত শিখেন। রূপঙ্কর বাগচী ক্লাসিক্লাল সঙ্গীত শিখেন সুকমার মিত্র এর কাছ থেকে আর আধুনিক গান শিখেন জটিলেশ্বর মুখোপাধ্যায় এর কাছ থেকে।

বাংলা সঙ্গীত বাংলার সহস্রাব্দ প্রাচীন ধর্মীয় ও ধর্মনিরপেক্ষ সাংগীতিক ঐতিহ্যটিকে নির্দেশ করে। ঐতিহাসিক বাংলা অঞ্চলটি বর্তমানে স্বাধীন বাংলাদেশ ও ভারতীয় রাজ্য পশ্চিমবঙ্গে বিভক্ত। বাংলা ভাষায় রচিত ও বিভিন্ন শৈলীর সুরে সমৃদ্ধ বাংলা সঙ্গীতধারাটি এই উভয় অঞ্চলেই ব্যাপক জনপ্রিয়তার অধিকারী।

বাংলার প্রাচীন সঙ্গীতকলা সংস্কৃত স্তোত্রসঙ্গীত প্রভাবিত। এই সময়কার বৈষ্ণব ভাবাশ্রিত কিছু ধর্মসঙ্গীতিগুলি আজও পূর্ব ভারতীয় মন্দিরগুলিতে গীত হয়। ত্রয়োদশ শতাব্দীতে কবি জয়দেব বিরচিত গীতগোবিন্দম্ এই জাতীয় সঙ্গীতের একটি বিশিষ্ট উদাহরণ। মধ্যযুগে নবাব ও বারো ভূঁইয়া নামে খ্যাত শক্তিশালী ভূস্বামীবর্গের পৃষ্ঠপোষকতায় প্রতিপালিত সঙ্গীতধারায় আবার হিন্দু ও মুসলমান সাংগীতিক রীতির এক অপূর্ব সমন্বয় দেখা যায়।

প্রাচীন ও মধ্যযুগীয় গানগুলির অধিকাংশই ছিল ধর্মীয় সঙ্গীত। মধ্যযুগের প্রথম পাদে বিদ্যাপতি, চণ্ডীদাস, গোবিন্দদাস, জ্ঞানদাস, ও বলরামদাস প্রমুখ বৈষ্ণব পদকর্তাগণ রাধা-কৃষ্ণ বিষয়ক গানে জাগতিক ও আধ্যাত্মিক প্রেমচেতনার একটি পার্থক্য দর্শিয়েছেন।

আবার মধ্যযুগের শেষ পাদে রামপ্রসাদ সেন ও কমলাকান্ত ভট্টাচার্য প্রমুখ শাক্তপদাবলিকারগণ তাদের গানে ঈশ্বরকে শুদ্ধ মাতৃরূপে বন্দনার কথা বলেছেন। বৈষ্ণব ও শাক্তপদাবলি (শ্যামাসংগীত ও উমাসঙ্গীত) উভয়েরই মূল উপজীব্য হিন্দু ভক্তিবাদ|ভক্তিবাদী দর্শন। বৈষ্ণব সঙ্গীতে যখন জীবাত্মা-পরমাত্মাকেন্দ্রিক প্রেমভক্তির তত্ত্ব প্রচারিত হয়, তখনই শাক্তগানে তন্ত্র ও শুদ্ধা মাতৃবন্দনার এক সম্মিলন গড়ে ওঠে।

অষ্টাদশ ও ঊনবিংশ শতাব্দীতে বাংলায় বাউল নামে এক অধ্যাত্মবাদী চারণকবি সম্প্রদায়ের আবির্ভাব ঘটে। মনে করা হয়, তান্ত্রিক কর্তাভজা সম্প্রদায় ও ইসলামি সুফি দর্শনের ব্যাপক প্রভাব পড়েছিল এঁদের গানে।

বাউলরা তাদের চিরন্তন অন্তর্যামী সত্ত্বা মনের মানুষ-এর ঘুরে ঘুরে গান গাইতেন এবং ধর্মে ধর্মে অযৌক্তিক ভেদাভেদ ও আনুষ্ঠানিকতার কথা তুলে ধরতেন। কুষ্টিয়ার লালন ফকিরকে সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাউল মনে করা হয়। তিনি ঊনবিংশ শতাব্দীর ব্যক্তিত্ব ছিলেন। বাউল সঙ্গীতের আরও কয়েকজন বিশিষ্ট নাম হলেন মধ্যযুগের হাসন রাজা এবং আধুনিক যুগের বাউলসম্রাট শাহ আবদুল করিম ও বাউল-সম্রাট পূর্ণদাস বাউল

 

 

Leave a Comment