সঙ্গীত গুরুকুল ডেস্ক
প্রকাশ: ১৬ই ফেব্রুয়ারি ২০২২, ২:২ পিএম
মায়ের মত আপন কেহ নাই – গানটি গেয়েছেন রুমানা ইসলাম এবং গানটি লিখেছেন খান আতাউর রহমান । খান আতাউর রহমান একজন বাংলাদেশী চলচ্চিত্র অভিনেতা, গীতিকার, সুরকার, সঙ্গীত পরিচালক, গায়ক, চলচ্চিত্র নির্মাতা, চিত্রনাট্যকার, কাহিনীকার, এবং প্রযোজক।
মায়ের মত আপন কেহ নাই [Mayer moto apon keho nai]
গীতিকারঃ রুমানা ইসলাম
প্রথম রেকর্ডের কন্থশিল্পীঃ খান আতাউর রহমান ।
মায়ের মত আপন কেহ নাই রে
মায়ের মত আপন কেহ নাই
মা জননী নাইরে যাহার
ত্রিভুবনে তাহার কেহই নাইরে।।
এই দুনিয়ায় নয়ন মেলে
মাগো তোমায় দেখেছি
তোমার বুকে হেসে খেলে
তোমার কথাই শিখেছি।
তাই তো বলি তোমার মত
মরমী কেউ নাই মাগো
তোমার মত আপন কেহ নাই রে
মায়ের মত আপন কেহ
আমি আঘাত পাইলে তোমার
চোখ নামে পানি
সেই পানিতে ধুয়ে মাগো
কোলেতে লও টানি।
তুমি যেদিন থাকবে না মা
সেদিন আমার হবে কি
সুখে থাকি দুঃখে থাকি
কাহার আসবে যাবে কি।
তাই তো বলি তোমার মত
দরদী কেউ নাই মাগো
তোমার মত আপন কেহ নাইরে
মায়ের মত আপন কেহ নাই রে
মায়ের মত আপন কেহ নাই।।
এ পর্যন্ত ছয়টি একক অ্যালবাম প্রকাশ করেছেন রুমানা। এর মধ্যে একটি রবীন্দ্রনাথের গান নিয়ে, একটি দেশাত্মবোধক।
![মায়ের মত আপন কেহ নাই [Mayer moto apon keho nai] 1 YaifwwriN4BzRFCyqbslL4 মায়ের মত আপন কেহ নাই [Mayer moto apon keho nai]](https://bn.musicgoln.com/wp-content/uploads/1965/12/YaifwwriN4BzRFCyqbslL4-300x225.png)
পাশাপাশি গেয়েছেন অনেক মিক্সড অ্যালবামে। আধুনিক, ক্লাসিকাল, লালন, পল্লীগীতি, রবীন্দ্রসংগীত, নজরুলগীতিসহ সব ধরনের গানেই সিদ্ধহস্ত।গানের পাশাপাশি রুমানা একজন স্থপতি হিসেবে কাজ করছেন। এটাই তাঁর পেশা। ঘুরে বেরাতে খুব ভালোবাসেন এই শিল্পী। একটু ফুরসত পেলেই উড়াল দেন নতুন কোনো গন্তব্যের উদ্দেশ্যে। ব্রাজিল, বেলজিয়াম, অস্ট্রেলিয়া, আমেরিকা, চীনসহ প্রায় ৩০টি দেশ ঘুরেছেন।
খান আতাউর রহমান যিনি খান আতা নামে বহুল পরিচিত, ছিলেন একজন বাংলাদেশী চলচ্চিত্র অভিনেতা, গীতিকার, সুরকার, সঙ্গীত পরিচালক, গায়ক, চলচ্চিত্র নির্মাতা, চিত্রনাট্যকার, কাহিনীকার, এবং প্রযোজক। সুজন সখী (১৯৭৫) চলচ্চিত্রের জন্য তিনি শ্রেষ্ঠ চিত্রনাট্যকার হিসেবে ১ম জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার লাভ করেন।
তার অভিনীত প্রথম চলচ্চিত্র জাগো হুয়া সাভেরা । চলচ্চিত্রকার এহতেশাম পরিচালিত এ দেশ তোমার আমার তার অভিনীত প্রথম বাংলা চলচ্চিত্র। নবাব সিরাজউদ্দৌল্লা (১৯৬৭) এবং জীবন থেকে নেয়া (১৯৭০) চলচ্চিত্র দিয়ে তিনি পরিচিতি লাভ করেন। তার পিতার নাম জিয়ারত হোসেন খান এবং মাতা যোহরা খাতুন। তার মা তাকে “তারা” নামে ডাকতেন। তার মায়ের পরিবার ছিলেন মাজারের খাদিম তথা তত্ত্বাবধায়ক। ধর্মীয় উরসে তার মামা নানারকম আধ্যাত্মিক সঙ্গীত পরিবেশন করতেন। ১৯৩৭ সালে ঢাকা জিলা সঙ্গীত প্রতিযোগীতায় খান আতা প্রথম স্থান দখল করেন।
মন্তব্য