মুর্শিদ আমার লিরিক্স,
এটি একটি গজল গান।
Table of Contents
মুর্শিদ আমার লিরিক্স | Murshid amar lyrics | Gojol
তাওহীদের ই মুর্শিদ আমার লিরিক্স
তাওহীদের-ই মুর্শিদ আমার,
মোহাম্মদের নাম,
মুর্শিদ, মোহাম্মদ এর নাম।
ওই নাম জপলেই বুঝতে পাবি
খোদায়ি কালাম,
মুর্শিদ, মোহাম্মদ এর নাম।
ওই নাম এর যে রশি ধরে
যাই আল্লার পথে,
ওই নাম এর যে ভেলায় চড়ে
ভাসি নূর এর স্রোতে।
ওই নাম এর বাতি জেলে দেখি,
আরশের মোকাম,
মুর্শিদ, মোহাম্মদের নাম।
তাওহীদের-ই মুর্শিদ আমার,
মোহাম্মদের নাম,
মুর্শিদ, মোহাম্মদ এর নাম।
ওই নামের দামান ধরে আছি
আমার কিসের ভয়,
আমার কিসের ভয়।
ওই নামের গুনে পাবো আমি
খোদার পরিচয়, পাবো খোদার পরিচয়।
তার কদম মুবারক যে আমার,
বেহেস্তী তানযান,
মুর্শিদ, মোহাম্মদ এর নাম
মুর্শিদ, মোহাম্মদের নাম।
তাওহীদের-ই মুর্শিদ আমার,
মোহাম্মদের নাম,
মুর্শিদ, মোহাম্মদ এর নাম।
Murshid amar lyrics in english
Mahammad Er Naam
Murshid Mahammad Er Nam
Oi naam joplei bujhtei pabi
Khodayi kalam Mursid Mahammad Er Nam
Oi naamer je roshi dhore
jai allahar pothe
Oi namer je bhelay chore
vashi nurer srotey
Oi naamer bati jwele dekhi arsher mokam
গজল:
গজল আরব থেকে এর উৎপত্তি হলেও ফার্সি ভাষায় এটি বিশেষ বিকাশ লাভ করে। পরবর্তীতে উর্দু ভাষায় এটি সমধিক জনপ্রিয়তা পায়। আরবি, ফার্সি, পশতু, উর্দু ছাড়াও হিন্দি, পাঞ্জাবী, মারাঠি, বাংলা এমনকি ইংরেজিতেও গজল লেখা হয়। প্রাথমিক দিকে ইমাম গাযালী, মওলানা জালালুদ্দিন রুমী, হাফীজ সীরাজী, ফারুখউদ্দীন আত্তার, হাকীম শানাঈ প্রমুখ গজল লিখে বেশ নাম করেন।
পরবর্তিতে আমির খসরু, মীর তাকী মীর, ইব্রাহীম জক, মীর্জা গালিব, দাগ দেলবী এবং আধুনিক কালে আল্লামা মুহাম্মদ ইকবাল, ফয়েজ আহমেদ ফয়েজ, ফিরাক গোরখপুরী গজল লেখক হিসাবে নাম করেন।
গজল হালকা মেজাজের লঘু শাস্ত্রীয় সঙ্গীত। আবার হালকা-গম্ভীর রসের মিশ্রণে সিক্ত আধ্যাত্মিক গান। গজল প্রেমিক-প্রেমিকার গান হলেও এ গান এমন একটি শৈলী যাতে প্রেম ও ভক্তির অপূর্ব মিলন ঘটেছে। পার্থিব প্রেমের পাশাপাশি গজল গানে আছে অপার্থিব প্রেম, যে প্রেমে স্রষ্টার প্রতি আত্মার আকূতি নিবেদিত। গজল গানে স্রষ্টা আর তার প্রেরিত মহাপুরুষদের প্রতি ভক্তির সঙ্গে মোক্ষ লাভের ইচ্ছা এসে মেলবন্ধন ঘটিয়েছে পার্থিব প্রেমের সঙ্গে।
গজল গান উর্দু ও ফার্সি ভাষায় রচিত এক ধরনের ক্ষুদ্রগীত। আমির খসরু এ গানের স্রষ্টা এবং প্রচারের ক্ষেত্রেও তার অবদান অপরিসীম। তিনি সম্রাট আলাউদ্দিন খিলজিকে প্রতিরাতে একটি করে গজল শোনাতেন।
গজল গানে কথা বেশি, সুরের প্রাধান্য কম। মূলত হালকা ধরনের গান হলেও সব ধরনের রচনাই এ গানের বিষয়বস্তু হতে পারে। উচ্চভাবপূর্ণ ও গাম্ভীর্যপূর্ণ রচনাও কোন কোন গানে দেখা যায়। এ গানে অনেকগুলো চরণ, কলি বা তুক্ থাকে। প্রথম কলি ‘স্থায়ী’ এবং বাদবাকি কলিগুলো ‘অন্তরা’
গজল ভালো গাইতে হলে ভালো ভাষা-জ্ঞান থাকা প্রয়োজন। টপ্পা ও ঠুমরির মতো গজল প্রধানত কাফি, পিলু, ঝিঝিট, খাম্বাজ, বারোয়া, ভৈরবী রাগে গাওয়া হয়। গজল গানে একটি বিশেষ আবেদন আছে, তাই এ গান শ্রোতার মনকে রসে আপ্লুত করে তোলে। গজল খুবই জনপ্রিয় গান। সম্রাট বাহাদুর শাহ জাফর, মীর্জা গালিব, দাগ, জওক, আরজু প্রমুখ অনেক কবি অজস্র সুন্দর সুন্দর গজল রচনা করে গেছেন। সম্রাট জাহাঙ্গীর, সম্রাজ্ঞী নূরজাহান, নবাব ওয়াজেদ আলী শাহর মতো ইতিহাস-প্রসিদ্ধ ব্যক্তিদের রচিত অনেক গজল গানের সন্ধান পাওয়া যায়। বাংলা ভাষায় বেশকিছু গজল রচিত হয়েছে। কাজী নজরুল ইসলাম বাংলা গজল রচনায় পথিকৃতের ভূমিকা পালন করেন।