শুধু একবার বলো লিরিক্স,
গানটি তে কণ্ঠ দিয়েছেন সাবিনা ইয়াসমিন ও খালিদ হাসান মিলু ।
Table of Contents
শুধু একবার বলো লিরিক্স | shudu ekbar bolo lyrics | sabina yasmin | khalid hasan milu
শুধু একবার বলো ভালোবাসি লিরিক্স
শুধু একবার
শুধু একবার
শুধু একবার বলো ভালোবাসি
শুধু একবার
শুধু একবার
শুধু একবার বলো ভালোবাসি
যদি বল একবার
এ জীবনে শতবার
হাসি মূখে পরবো মরণ ও ফাঁসি
শুধু একবার
শুধু একবার
শুধু একবার বলো ভালোবাসি
এই বুকের ভেতরে যে মন
সে মনে আমি যে কখন
শুধু তোমার ছবি একেছি
শুধু তোমার ছবি একেছি..
সেই প্রথম দেখারি ক্ষণে
আমার ছোট্ট এ পাগল মনে
আমি তোমারই নাম লিখেছি
আমি তোমারই নাম লিখেছি..
মন চায় সারাক্ষণ, ছেড়ে বাধা বন্ধন
তোমারই কাছে শুধু ছুটে আসে
শুধু একবার
শুধু একবার
শুধু একবার বলো ভালোবাসি
আজ তোমার আমার এ জীবন
একই সুরে যে বাধা এখন
এই বাধন খুলে দিওনা
এই বাধন খুলে দিওনা..
তুমি দিলে দুচোখে স্বপন
তুমি আমারই চির আপন
এই স্বপ্ন ভেঙ্গে দিওনা
এই স্বপ্ন ভেঙ্গে দিওনা..
দুটি মন বার বার, করে শুধু তোলপার
এ হৃদয়ে বাজে, প্রেমেরই বাশি
শুধু একবার
শুধু একবার
শুধু একবার বলো ভালোবাসি
যদি বল একবার
এ জীবনে শতবার
হাসি মূখে পরবো মরণ ও ফাঁসি
শুধু একবার
শুধু একবার
শুধু একবার বলো ভালোবাসি
যদি বল একবার
এ জীবনে শতবার
হাসি মূখে পরবো মরণ ও ফাঁসি
শুধু একবার, শুধু একবার
শুধু একবার বলো ভালোবাসি
সাবিনা ইয়াসমিন:
সাবিনা ইয়াসমিন (জন্ম: ৪ সেপ্টেম্বর ১৯৫৪) একজন বাংলাদেশি নেপথ্য সঙ্গীতশিল্পী। বাংলাদেশের চলচ্চিত্রের গানের পাশাপাশি তিনি দেশাত্মবোধক গান থেকে শুরু করে উচ্চাঙ্গ, ধ্রুপদী, লোকসঙ্গীত ও আধুনিক বাংলা গানসহ বিভিন্ন ধারার নানান আঙ্গিকের সুরে গান গেয়ে নিজেকে দেশের অন্যতম সেরা সঙ্গীতশিল্পী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছেন.।
চলচ্চিত্রের গানে কণ্ঠ দিয়ে তিনি ১৪টি জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার ও ৬টি বাচসাস পুরস্কার অর্জন করেছেন। শিল্পকলার সঙ্গীত শাখায় অবদানের জন্য বাংলাদেশ সরকার তাকে ১৯৮৪ সালে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক রাষ্ট্রীয় সম্মাননা একুশে পদক এবং ১৯৯৬ সালে সর্বোচ্চ বেসামরিক রাষ্ট্রীয় সম্মাননা স্বাধীনতা পুরস্কারে ভূষিত করে।
সাবিনা শৈশব থেকে গানের তালিম নেওয়া শুরু করেন। তিনি সাত বছর বয়সে প্রথম মঞ্চানুষ্ঠানে অংশ নেন এবং খেলাঘর নামে একটি বেতার অনুষ্ঠানে ছোটদের গান করতেন। ১৯৬২ সালে নতুন সুর চলচ্চিত্রে রবীন ঘোষের সুরে ছোটদের গানে অংশ নেন। চলচ্চিত্রে পূর্ণ নেপথ্য সঙ্গীতশিল্পী হিসেবে তার আত্মপ্রকাশ ঘটে ১৯৬৭ সালে আগুন নিয়ে খেলা চলচ্চিত্রের মধ্য দিয়ে।
খালিদ হাসান মিলু:
খালিদ হাসান মিলু (৬ এপ্রিল, ১৯৬০ – ২৯ মার্চ, ২০০৫)[২] ছিলেন একজন বাংলাদেশী সঙ্গীতশিল্পী। ১৯৮০ সালের প্রথমার্ধে তার সঙ্গীত জীবন শুরু হয়। মিলুর প্রকাশিত একক এ্যালবাম সংখ্যা ১২ টি এবং মিক্সড ও ডুয়েট
এ্যালবাম সংখ্যা প্রায় ১২০ টি। তিনি প্রায় ২৫০ টি চলচ্চিত্রে কণ্ঠে দিয়েছেন। তিনি সর্বমোট প্রায় ১৫০০ এর মতো গানে কণ্ঠ দিয়েছেন।[৩] ১৯৯৪ সালে ‘হৃদয় থেকে হৃদয়’ চলচ্চিত্রের গানে কণ্ঠ দিয়ে তিনি জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারে শ্রেষ্ঠ পুরুষ কণ্ঠশিল্পী বিভাগে পুরস্কার লাভ করেন।
মিলুর সঙ্গীত জীবন শুরু হয় ১৯৮০ সালের প্রথমার্ধে। মিলুর প্রকাশিত একক এ্যালবাম সংখ্যা ১২ টি, মিক্সড-ডুয়েট এ্যালবাম সংখ্যা প্রায় ১২০ টি। তিনি প্রায় ২৫০ টি চলচ্চিত্রে কণ্ঠে দিয়েছেন। তিনি সর্বমোট প্রায় ১৫০০ এর মতো গানে কণ্ঠ দিয়েছেন। ১৯৮০ সালে তার প্রথম এ্যালবাম ‘ওগো প্রিয় বান্ধবী’ প্রকাশিত হয়। তার প্রকাশিত অন্যান্য উল্লেখযোগ্য এ্যালবাম সমূহ হলোঃ ‘আহত হৃদয়’, ‘শেষ খেয়া’, ‘নীলা’, ‘শেষ ভালোবাসা’, ‘মানুষ’, ‘অচিন পাখী’ ও ‘আমি একা বড় একা’।