বুঝলোনা রে সোনা বন্ধু [ Bujhlona re sona bondhu ]

“বুঝলোনা রে সোনা বন্ধু”  এটি একটি ভাওয়াইয়াগান । ভাওয়াইয়া মূলত বাংলাদেশের রংপুর এবং ভারতের পশ্চিমবঙ্গের কোচবিহারে ও আসামের গোয়ালপাড়ায় প্রচলিত এক প্রকার পল্লীগীতি।

বুঝলোনা রে সোনা বন্ধু [ Bujhlona re sona bondhu ]

গানের জনরাঃ ভাওয়াইয়া গান

বুঝলোনা রে সোনা বন্ধু [ Bujhlona re sona bondhu ]

বুঝলোনারে সোনা বন্ধু

ওরে দুঃখ দিল মনে

ওহর নিশি কাটে আমার বন্ধুয়ার বিহনে

বুঝলোনারে সোনা বন্ধু

বুঝলোনারে সোনা বন্ধু

ওরে দুঃখ দিল মনে

 

ওহর নিশি কাটে আমার বন্ধুয়ার বিহনে

ওহর নিশি কাটে আমার বন্ধুয়ার বিহনে

 

বন্ধুর জন্য সপে দিলাম

জীবন আর যৌবন

তবু আমি পাইলামনারে

প্রাণ বন্ধুয়ার মন

বন্ধুর জন্য সপে দিলাম

জীবন আর যৌবন

তবু আমি পাইলামনারে

প্রাণ বন্ধুয়ার মন

তোমার দেখা পাইতাম যদি

তোমার দেখা পাইতাম যদি

আমার এই জনমে

বুঝলোনারে সোনা বন্ধু

ওরে দুঃখ দিল মনে

ওহর নিশি কাটে আমার বন্ধুয়ার বিহনে

 

জানতাম নারে প্রাণ বন্ধু

তোর পিরিতের জ্বালা

মরিলাম তোর প্রেমের বিষে

অন্তর হইলো কালা

জানতাম নারে প্রাণ বন্ধু

তোর পিরিতের জ্বালা

মরিলাম তোর প্রেমের বিষে

অন্তর হইলো কালা

বন্ধুর বীণে প্রাণ বাঁচে না

বন্ধুর বীণে প্রাণ বাঁচে না

বুঝাই যে কেমনে

ওহর নিশি কাটে আমার বন্ধুয়ার বিহনে

ওহর নিশি কাটে আমার বন্ধুয়ার বিহনে

বুঝলোনারে সোনা বন্ধু

বুঝলোনারে সোনা বন্ধু

ওরে দুঃখ দিল মনে

ওহর নিশি কাটে আমার বন্ধুয়ার বিহনে

ওহর নিশি কাটে আমার বন্ধুয়ার বিহনে

ওহর নিশি কাটে আমার বন্ধুয়ার বিহনে

ওহর নিশি কাটে আমার বন্ধুয়ার বিহনে

ভাওয়াইয়া গানঃ

বুঝলোনা রে সোনা বন্ধু একটি ভাওয়াইয়া গান ভাওয়াইয়ামূলত বাংলাদেশের রংপুর এবং ভারতের পশ্চিমবঙ্গের কোচবিহারে ও আসামের গোয়ালপাড়ায় প্রচলিত এক প্রকার পল্লীগীতি। এসকল গানের বৈশিষ্ট্য হচ্ছে এ গানগুলোতে স্থানীয় সংস্কৃতি, জনপদের জীবনযাত্রা, তাদের কর্মক্ষেত্র, পারিবারিক ঘটনাবলী ইত্যাদির সার্থক প্রয়োগ ঘটেছে। ভাওয়াইয়া গান বাংলা লোকগানের সুরাঙ্গের প্রধান চারটি ধারার একটি। এই ধারটির বিকাশ ঘটেছে বরেন্দ্র-অঞ্চল-সহ উত্তরবঙ্গের বিশাল অঞ্চল জুড়ে। এই অঞ্চলের ভিতরে রয়েছে অখণ্ড বঙ্গদেশের কোচবিহার, জলপাইগুড়াই, দার্জিলিং-এর সমভূমি, উত্তর দিনাজপুর, রংপুর, আসামের গোয়ালপাড়া ও ধুবড়ি জেলা।

ভাওয়াইয়া গানের আকরভূমি রংপুর। বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলের নদী-নালা কম থাকায় গরুর গাড়িতে চলাচলের প্রচলন ছিল। আর গরুর গাড়ির গাড়োয়ান রাত্রে গাড়ি চলাবস্থায় বিরহ ভাবাবেগে কাতর হয়ে আপন মনে গান ধরে। উঁচু-নিচু রাস্তায় গাড়ির চাকা পড়লে তার গানের সুরে আধো-ভাঙ্গা বা ভাঁজ পড়ে। এই রকম সুরে ভাঙ্গা বা ভাঁজ পড়া গীতরীতিই ‘ভাওয়াইয়া’ গানে লক্ষণীয়।

আব্বাসউদ্দিনকে ‘ভাওয়াইয়া গানের সম্রাট‘ বলা হয় এবং প্রতিমা পান্ডে বড়ুয়াকে বলা হয় ‘ভাওয়াইয়া সম্রাজ্ঞী’।

Leave a Comment