আমার সোনা বন্ধু [ Amar Shona Bondhure ]

“আমার সোনা বন্ধু” গানটি লিখেছেন বাংলাদেশ এর সংগীতশিল্পী এবং গীতিকার মুজিব পরদেশী । গানটি গেয়েছেন  ইমরান মাহমুদুল । গানটি বাংলা চলচিত্র আসামি থেকে নেয়া হয়েছে ।

আমার সোনা বন্ধু [ Amar Shona Bondhure ]

গীতিকারঃ মুজিব পরদেশী

সুরকারঃ মুজিব পরদেশী

প্রথম রেকর্ডের কন্ঠশিল্পীঃ ইমরান মাহমুদুল

আমার সোনা বন্ধু [ Amar Shona Bondhure ]

আমার সোনা বন্ধুরে তুমি কোথায় রইলারে

আমার-সোনা বন্ধুরে তুমি কোথায় রইলারে

দিনে রাইতে তোমায় আমি,

দিনে রাইতে তোমায় আমি  খুঁইজা মরিরে

আমার-সোনা বন্ধুরেতুমি কোথায় রইলারে

আমার-সোনা বন্ধুরেতুমি কোথায় রইলারে

প্রথম দেখার কালে বন্ধু কথা দিয়েছিলে

প্রথম দেখার কালে বন্ধু কথা দিয়েছিলে

ভুলিবেনা মোরেএই জীবন গেলে

ভুলিবেনা মোরেএই জীবন গেলে

যদি না পাই তোমারেআমার জীবনের তরে

যদি না পাই তোমারেআমার জীবনের তরে

সোনার জীবন অঙ্গার হইব,

সোনার জীবন অঙ্গার হইব তোমার লাইগারে

আমার সোনা বন্ধুরেতুমি কোথায় রইলারে

আমার সোনা বন্ধুরেতুমি কোথায় রইলারে

ভুলতে পার বন্ধু তুমিআমি ভুলি নাই

ভুলতে পার বন্ধু তুমিআমি ভুলি নাই

পরকালে যেন বন্ধুএকবার তোমায় পাই

মরণকালে যেন বন্ধুএকবার তোমায় পাই

যদি না পাই সেকালে প্রেম যাইব বিফলে

যদি না পাই সেকালেপ্রেম যাইব বিফলে

তখন কিন্তু বলব আমি,

তখন কিন্তু বলব আমি

প্রেম কিছুই নারে .

আমার-সোনা বন্ধুরেতুমি কোথায় রইলারে

আমার-সোনা বন্ধুরেতুমি কোথায় রইলারে

আমার প্রাণের বন্ধুরেতুমি কোথায় রইলারে

ইমরান মাহমুদুলঃ

মোঃ মাহমুদুল হক ইমরান, ইমরান মাহমুদুল বা ইমরান নামেও পরিচিত, একজন বাংলাদেশী সঙ্গীত রচয়িতা এবং প্লেব্যাক গায়ক যার গান বিভিন্ন অ্যালবাম এবং চলচ্চিত্রে প্রদর্শিত হয়েছে। ইমরান ১৯৯১ সালের ৫ সেপ্টেম্বর ঢাকার যাত্রাবাড়ীর কোনপাড়ায় জন্মগ্রহণ করেন । মাহমুদুল আরফিন রুমির কাছে কম্পোজিশন ও সাউন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং শিখে ২০০৮ সালে সাবিনা ইয়াসমিনের সঙ্গে ভালোবাসার লাল গোলাপ চলচ্চিত্রে গান গেয়ে ক্যারিয়ার শুরু করেন। তার প্রথম স্টুডিও অ্যালবাম ছিল আরফিন রুমি রচিত শপনোলোক। এ অ্যালবামে তার সঙ্গে গেয়েছেন সাবিনা ইয়াসমিন, নিঝু ও সাবরিনা পোরশি ।

মুজিব পরদেশীঃ

আমার সোনা বন্ধু এর গীতিকার মুজিব পরদেশী পিতার নাম ইউসুফ আলী মোল্লা। তিনি পাকিস্তানের করাচিতে ব্যবসা করতেন। মুজিব পরদেশী করাচীতে জন্মগ্রহণ করেন। ৬ বোন,৩ ভাইয়ের মধ্যে তিনি সবার বড়। ১৯৬৫ সালে ১১ বছর বয়সে ঢাকায় চলে আসেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে তিনি মাস্টার্স ডিগ্রী লাভ করেন।

করাচীতে ওস্তাদ আশিক আলীর কাছে তবলা শেখা শুরু করেন। শৈশবেই শাস্ত্রীয় সঙ্গীতে তালিম নিয়েছেন ওস্তাদ গোলাম হায়দার আলী খান, ওস্তাদ ফজলুল হক, ওস্তাদ আমানুল্লাহ’র নিকট। তবলা শিখেছেন ওস্তাদ মনির হোসেন খান ও ওস্তাদ সাজ্জাদ হোসেন খানের কাছে। তিনি দীর্ঘদিন গান করছেন লোকগীতির কিংবদন্তী আবদুল আলীমের সাথে। তিনি গণমানুষের জন্য গান করেছেন। তিনি স্বাধীন বাংলা বেতারকেন্দ্রের শিল্পী ছিলেন ।

Leave a Comment