নকীব খান হলেন বাংলাদেশী সঙ্গীতশিল্পী, গীতিকার ও সুরকার।
Table of Contents
প্রারম্ভিক জীবন
নকীব খান ১৯৬০ সালের ১৮ মার্চ চট্টগ্রাম জেলার লোহাগাড়া উপজেলার চুনতি ইউনিয়নে জন্মগ্রহণ করেন। তার বাবার নাম আইয়ুব খান ও মায়ের নাম আক্তার জাহান খান।তাঁর বড় ভাই সুরকার ও গীতিকার জালাল উদ্দিন খান জিল্লু এবং ছোট ভাই শাহবাজ খান পিলু ড্রামার, ভোকালিস্ট ও গীতিকার।
শিক্ষা জীবন
নকীব খান চট্টগ্রামের কাজেম আলী স্কুল থেকে মাধ্যমিক, চট্টগ্রাম কলেজ থেকে উচ্চ মাধ্যমিক এবং চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একাউন্টিং বিষয়ে স্নাতক সম্পন্ন করেন।
সঙ্গীত জীবন
নকীব খান কিশোরজীবনেই ব্যান্ড সংগীতের সাথে যুক্ত হয়ে পড়েন। বালার্ক নামের ব্যান্ডে গায়ক ও পিয়ানোবাদক হিসেবে সঙ্গীতাঙ্গনে আত্মপ্রকাশ ঘটে। এরপরে ১৯৭৪ সালে “সোলস্” এ যুক্ত হন। তার যোগদানের পর নিজেদের সুর ও কথায় গান কম্পোজ শুরু হয়।
সোলস্ এ দশ বছর কাজ করার পর চট্টগ্রাম ছেড়ে তিনি ঢাকায় চলে আসেন এবং ১৯৮৫ সালে রেঁনেসা নামে ব্যান্ড গড়ে তুলেন। এর তিন বছর পর ১৯৮৮ সালে ব্যান্ডটির প্রথম অ্যালবাম রেনেসাঁ বাজারে আসে। পরবর্তীতে ১৯৯৩ সালে তৃতীয় বিশ্ব নামে দ্বিতীয়, ১৯৯৮ সালে ৭১-এর রেনেসাঁ নামে তৃতীয় এবং ২০০৪ সালে একুশ শতকের রেনেসাঁ নামে চতুর্থ অ্যালবাম প্রকাশ হয়।
তার উল্লেখযোগ্য গানের মধ্যে রয়েছে – নিজ কণ্ঠে ‘মন শুধু মন ছুঁয়েছে’, আইয়ুব বাচ্চুর কণ্ঠে ‘এখন অনেক রাত’, ‘তুমি বললে’, কুমার বিশ্বজিতের কণ্ঠে ‘তোরে পুতুলের মতো করে সাজিয়ে’, ক্লোজআপ ওয়ান থিম সং ‘যদি লক্ষ্য থাকে অটুট’।
ব্যক্তিগত জীবন
নকীব খান ১৯৯৩ সালে নুসরাত খানকে বিয়ে করেন। বর্তমানে তিনি এক কন্যা ও এক পুত্র সন্তানের জনক। তার মেয়ের নাম ফাবিহা খান এবং ছেলের নাম জারিফ খান। পেশাগত জীবনে নকীব খান নেসলে বাংলাদেশ-এর কর্পোরেট বিষয়ক পরিচালক হিসেবে কর্মরত আছেন। এর আগে প্রায় আট বছর চাকরি জীবনের শুরুতে ফিলিপস বাংলাদেশ লিমিটেড এবং বিওসি বাংলাদেশ লিমিটেড-এ চাকরি করেন। এছাড়াও, তিনি মিউজিক কম্পোজার সোসাইটি বাংলাদেশ এর সভাপতি হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন।
