সাজ্জাদ হুসাইন পলাশ হলেন একজন জনপ্রিয় বাংলাদেশি সংগীতশিল্পী। তিনি বাংলাদেশের বিনোদন জগতে পলাশ নামে পরিচিত।
Table of Contents
প্রারম্ভিক জীবন
সাজ্জাদ হুসাইন পলাশ ১৯৬৯ সালের ১০ আগস্ট জন্মগ্রহন করেন। ছোট বেলা থেকেই পলাশের গানের হাতে খড়ি নিজ শহর খুলনাতে। ১৯৮৯ সালে গান পাগল বন্ধুরা মিলে গড়ে তুলেন রেসপন্স। যা পলাশের প্রথম ব্যান্ড। পলাশ ছিলেন ব্যান্ডের মূল ভোকাল। ঐ বছর ই রেসপন্স নামেই বের হয় প্রথম এলবাম। কয়েকটি গান ও হিট হয়ে যায়। আলপনা যার অন্যতম।
কর্মজীবন
১৯৯০ সালে আশরাফ বাবু(অন্যতম গীতিকার ও সুরকার),আলী আহমেদ বাবু(অন্যতম গীটারিস্ট ও চীর সবুজ গান শ্রাবনের মেঘ গুলো জড়ো হলো আকাশের মূল গায়ক),প্রয়াত ইমরান মুবিন (অন্যতম বেজিস্ট ও শব্দ প্রকৌশলী),রাসেল(অন্যতম কী বর্ডিস্ট) এদের নিয়ে গড়ে তুলেন নতুন ব্যান্ড অরবিট।
সাজ্জাদ হুসাইন পলাশের প্রথম এ্যালবাম অরবিট। কথা, সুর, মিউজিক কম্পোজিশন ও গায়কিতে সুপার হিট করে এলবামটি। এলবামের লাল শাড়ী গানটি ব্যাপক জনপ্রিয়তা পায়।
এর পর থেকে পিছে ফিরে তাকাতে হয়নি পলাশকে। ব্যান্ড এর পাশাপাশি সলো ক্যারিয়ারকে শক্ত আসনে বসান নিজের অধ্যাবসায় ও যোগ্যতার বলে।
তার প্রকাশিত প্রথম একক অ্যালবাম ছিল প্রেমের ঠিকানা। তার ৩৮টি একক অ্যালবাম প্রকাশিত হয়েছে। এছাড়াও, তিনি চলচ্চিত্রের গানেও কণ্ঠ দিয়ে থাকেন। তিনি চলচ্চিত্রের দেড় হাজারেরও বেশি গানে কণ্ঠ দিয়েছেন।
পলাশের মোট গানের সংখ্যা তিন হাজার এর উপরে। এর মধ্যে ব্যান্ড এলবাম – রেসপন্স ১টি, অরবিট ২টি। সলো এলবাম ৩৬টি। তারপর মিক্সড ব্যান্ড,মিক্সড সলো,ফোক সলো,কভার সং,হিন্দি টু বাংলা রিমিক্স ও চলচ্চিত্রের গানের সংখ্যা কত তা পলাশের নিজের ই অজানা।
পুরস্কার
সাজ্জাদ হুসাইন পলাশের অ্যালবাম ভুল করেছি ভালোবেসে ২০০২ সালে প্রকাশিত হয়েছিল।এই অ্যালবামে “মা তুমি আমার আগে যেয়ো নাকো মরে” শিরোনামের একটি গান ছিল। এই গানটি পরবর্তীতে খোদার পরে মা শিরোনামের চলচ্চিত্রে ব্যবহৃত হয়। এই গানটির জন্য তিনি ২০১২ সালে শ্রেষ্ঠ পুরুষ কণ্ঠশিল্পী বিভাগে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার লাভ করেন।
গান
পলাশের পছন্দের নিজের গাওয়া ১০টি গানের তালিকা নিচে দেয়া হলোঃ
১। মা (চলচ্চিত্র পুরষ্কার প্রাপ্ত)
২। লাল শাড়ী
৩। আলপনা
৪। ব্যাস্ত নগরী
৫। তুই যদি আমার হইতিরে
৬। সুনিতা
৭। ও গাড়িয়াল ভাই
৮। বেলা শেষে
৯। আজ পাশা
১০।বন্দে মায়া লাগাইছে
