শফিক তুহিন বাংলাদেশী সংগীত শিল্পী, সুরকার ও গীতিকার। সেরা গীতিকার হিসেবে তিনি ২০১১ সালে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার লাভ করেন। এছাড়া শ্রেষ্ঠ গীতিকার ও সুরকার হিসেবে চারবার সিটিসেল-চ্যানেল আই মিউজিক অ্যাওয়ার্ডস পুরস্কার পেয়েছেন। তিনি সহস্রাধিক গান রচনা করেছেন এবং দুই শতাধিক গানের সুরারোপ করেছেন।
Table of Contents
শফিক তুহিন । বাংলাদেশী সংগীত শিল্পী, সুরকার ও গীতিকার
জন্ম ও শিক্ষাজীবন
শফিক তুহিনের জন্ম ১৯৭৬ সালের ২৭ জুলাই চুয়াডাঙ্গা জেলার সদর উপজেলার সাদেক আলী মল্লিক পাড়ায়। তার বাবার নাম এম, এ সবুর এবং মায়ের নাম হালিমা খাতুন। পরিবারের সদস্য চার ভাই দুই বোন। তিনি দর্শনা কেরু উচ্চ বিদ্যালয় থেকে মাধ্যমিক এবং ঢাকা বিজ্ঞান কলেজ থেকে উচ্চ মাধ্যমিক পড়াশোনা করেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মৃত্তিকা বিজ্ঞানে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি লাভ করেন তিনি।
কর্মজীবন
শফিক তুহিন বর্তমানে গীতিকার, সংগীত পরিচালক ও কণ্ঠশিল্পী হিসেবে কাজ করছেন।‘প্রাণপাখি ময়না’ গান দিয়ে গীতিকার থেকে গায়ক হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেন তিনি। অডিও অ্যালবামের চেয়ে তিনি ইদানীং চলচ্চিত্রের গানের সুর ও সংগীত পরিচালনা নিয়ে বেশি ব্যস্ত।

তার জনপ্রিয় গানগুলোর মধ্যে রয়েছে এর বেশি ভালোবাসা যায় না, সূর্য মুচকি হাসে, জ্বলে জ্বলে জোনাকি, তোমার চোখের আঙ্গিনায়, পাগলামী, সুস্মিতা, অন্যরকম ভালোবাসা, বৈরাগী, বেহায়া মন, বলতে বলতে চলতে চলতে, চিঠি, ছোট গল্প, না বলা ভালবাসা, বৈশাখী শুভেচ্ছা নিও, চন্দ্রিমা ইত্যাদি।
অ্যালবাম
- স্বপ্ন এবং তুমি
- এর বেশি ভালোবাসা যায়না (ভিডিও)
- শফিক তুহিন ডট কম
- পাগলামী
- পবিত্র প্রেম
- আঙুলে আঙুল
- চুপকথা রুপকথা
- প্রকাশিত বই
- এর বেশি ভালবাসা যায় না (২০১১)
পুরস্কার ও সম্মাননা
- ২০১১ সালের জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার অনুষ্ঠানে অন্যান্য বিজয়ীদের সঙ্গে শফিক তুহিন
- জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার, (২০১১)
- সিটিসেল-চ্যানেল আই মিউজিক অ্যাওয়ার্ডস, (২০০৬), (২০১১), (২০১৩) (২০১৬)
- বাংলাদেশ টেলিভিশন রিপোর্টস ইউনিট পুরস্কার (২০০৭)
- বাংলাদেশ চলচ্চিত্র সাংবাদিক সমিতি (বাচসাস) পুরস্কার, (২০০২)
- বাংলাদেশ কালচারাল রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন পুরস্কার, (২০০৩)
- সিজেএফবি পুরস্কার, (২০০৪)
- বিনোদন বিচিত্রা পারফরমেন্স পুরস্কার, (২০১১)
- টেলিভিশন রিপোর্টাস অ্যাসোসিয়েশন পুরস্কার, (২০০৭)
