হৃদয় খান একজন বাংলাদেশী গায়ক এবং সুরকার। ২০০৮ সালে তার প্রথম অ্যালবাম “হৃদয় মিক্স” প্রকাশিত হয়। তিনি বাংলাদেশের সুরকার। প্রথম অ্যালবাম প্রকাশের পর আর তাকে পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি।
Table of Contents
হৃদয় খান । বাংলাদেশী গায়ক এবং সুরকার
জন্ম ও পরিচয়
হৃদয় খান ১৯৯১ সালের ০৩ জানুয়ারি ঢাকায় জন্মগ্রহণ করেন। পরিবারে দুই ভাই ও এক বোনের মাঝে হৃদয় বড়।ছোট ভাই প্রত্যয় খান একজন গায়ক,সুরকার ও সংগীত পরিচালক।মা শেফালী খান ও তার বাবা রিপন খান, যিনি বাংলাদেশের “জিঙ্গেল কিং” নামে পরিচিত। তার দাদা মইনুল ইসলাম খান একজন সঙ্গীতশিল্পী এবং সঙ্গীত প্রশিক্ষক ছিলেন।পুরো পরিবারই সঙ্গীতের সঙ্গে জড়িত।
সংগীত জীবন
হৃদয় খানের গান গাওয়া কিংবা কম্পোজিশনের শুরু কিশোর বয়সে। তার দাদা ছিলেন গানের ওস্তাদ। বসার ঘরে ছেলেমেয়েদের তিনি নিয়মিত গান শেখাতেন। সেই পথ ধরে বাবা রিপন খানও হলেন নামকরা সঙ্গীতশিল্পী। লিটল জুয়েলস স্কুলেই তার পড়াশোনার হাতেখড়ি।
২০০৮ সালে হৃদয় খানের ‘হৃদয় মিক্স’ অ্যালবামটি প্রকাশ পেলে কয়েকটি গান রাতারাতি জনপ্রিয়তা লাভ করে। এরপর ২০০৯ সালে ‘বল না’ প্রকাশ পায়। বছর দুই বিরতি নিয়ে ২০১১ সালে প্রকাশ পায় ‘ছোঁয়া’ অ্যালবাম। এসব অ্যালবামের গানগুলো সে সময় তরুণ প্রজন্মের মুখে মুখে ছিল। অ্যালবামের বাইরে প্লেব্যাকেও কণ্ঠ দিয়েছেন এ শিল্পী।
হৃদয় খান শেষবার সিনেমার গানে কণ্ঠ দিয়েছিলেন ২০১৯ সালের মার্চে। সে সময় বাংলাদেশি গায়ক-অভিনেতা তাহসান রহমান খান ও পশ্চিম বাংলার অভিনেত্রী শ্রাবন্তী চট্টোপাধ্যায় অভিনীত এবং মুহাম্মদ মোস্তফা কামাল রাজ পরিচালিত ‘যদি একদিন’ সিনেমায় একটি গান গেয়েছিলেন তিনি।
সম্প্রতি অভিনেতা মীর সাব্বির পরিচালিত ‘রাত জাগা ফুল’ সিনেমার একটি গানে কন্ঠ দিয়েছেন তিনি। ‘মনে থাকে মনের মানুষ’ শিরোনামে গানটি লিখেছেন মীর সাব্বির। অন্যদিকে, কণ্ঠ দেয়ার পাশাপাশি গানটির সুর ও সংগীত পরিচালনা করেছেন হৃদয় খান।

ব্যক্তিগত জীবন
হৃদয় খান ২০১০ সালে জনপ্রিয় মডেল ও অভিনেত্রী সুজানা জাফর এর প্রেমে পরেন। প্রায় তিন বছর প্রেম করার পর ২০১৪ সালের ১ আগস্ট দুজনে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন । কিন্তু বিয়ের মাত্র আট মাসের মধ্যে দাম্পত্য কলহের জের ধরে ৬ এপ্রিল ২০১৫ সালে একে অপরের থেকে বিচ্ছেদ হয়ে যান।
