জীবনে কি পাবো না [ Jibone ki pabo na ]

জীবনে কি পাবো না [ Jibone ki pabo na ]
লেবেলঃ স্টুডিও গুরুকুল [ Studio Gurukul ]
প্রযোজনাঃ সঙ্গীত গুরুকুল [ Music Gurukul ]
কাভারঃ মঞ্জুরুল কেমি [ Manjurul Kemi ]

 

Music Gurukul Logo 512x512

 

জীবনে কি পাবো না

জীবনে কি পাব না
ভুলেছি সে ভাবনা
সামনে যা দেখি, জানি না সেকি
আসল কি নকল সোনা
জীবনে কি পাব না
ভুলেছি সে ভাবনা
সামনে যা দেখি, জানি না সেকি
আসল কি নকল সোনা

যদি সব ছাড়িয়ে
দুটি হাত বাড়িয়ে
হারাবার খুশিতে, যাই শুধু হারিয়ে
যদি সব ছাড়িয়ে
দুটি হাত বাড়িয়ে
হারাবার খুশিতে, যাই শুধু হারিয়ে
যেতে যেতে কারো ভয়ে
থমকে দাঁড়াবো না
সামনে যা দেখি, জানি না সেকি
আসল কি নকল সোনা

জীবনে কি পাব না
ভুলেছি সে ভাবনা
সামনে যা দেখি, জানি না সেকি
আসল কি নকল সোনা

ভাল আর মন্দের
দ্বন্দ জানি না

কে ভাল কে মন্দ যে তার খবর রাখি না

ভাল আর মন্দের
দ্বন্দ জানি না
কে ভাল কে মন্দ যে তার খবর রাখি না
কে তুমি নন্দিনী? আগে তো দেখিনি
চলেছ এই পথে
রূপে যে রঙ্গিনী
চিনে নিতে যদি চাও
একটু থামো না
সামনে যা দেখি, জানি না সেকি
আসল কি নকল সোনা

জীবনে কি পাব না
ভুলেছি সে ভাবনা
সামনে যা দেখি, জানি না সেকি
আসল কি নকল সোনা

 

Google news
গুগল নিউজে আমাদের ফলো করুন

 

 

মান্না দে :

প্রবোধ চন্দ্র দে ডাক নাম মান্না দে (জন্ম: মে ১, ১৯১৯; মৃত্যু: ২৪ অক্টোবর, ২০১৩ ) ছিলেন ভারতীয় উপমহাদেশের অন্যতম সেরা সংগীত শিল্পী এবং সুরকারদের একজন। হিন্দি, বাংলা, মারাঠি, গুজরাটিসহ প্রায় ২৪টি ভাষায় তিনি ষাট বছরেরও অধিক সময় সংগীত চর্চা করেছিলেন। আলিপুরদুয়ারে তাঁর গুণগ্রাহী দেবপ্রসাদ দাস নিজের বাড়িতে মান্না দে সংগ্রহশালা তৈরি করেছেন।

বৈচিত্র্যের বিচারে তাঁকেই ভারতীয় গানের ভুবনে সবর্কালের অন্যতম সেরা গায়ক হিসেবে স্বীকার করে থাকেন অনেক বিশেষজ্ঞ সংগীত বোদ্ধা। কলকাতায় ২০১৯ খ্রিস্টাব্দে এই কিংবদন্তি সংগীত শিল্পী তথা সুরকারের জন্ম শতবর্ষ অত্যন্ত শ্রদ্ধার সঙ্গে পালন করা হয়। কলকাতাতেই প্রায় একশো অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিল। উত্তর কলকাতায় তাঁর বাসস্থানের কাছে মর্মর মূর্তি স্থাপন করা হয়।

মান্না দে গায়ক হিসেবে ছিলেন আধুনিক বাংলা গানের জগতে সর্বস্তরের শ্রোতাদের কাছে ব্যাপকভাবে জনপ্রিয় ও সফল সংগীত ব্যক্তিত্ব। এছাড়াও, হিন্দি এবং বাংলা সিনেমায় গায়ক হিসেবে অশেষ সুনাম অর্জন করেছেন। মোহাম্মদ রফি, কিশোর কুমার, মুকেশের মতো তিনিও ১৯৫০ থেকে ১৯৭০ খ্রিস্টাব্দের দশক পর্যন্ত ভারতীয় চলচ্চিত্র জগতে সমান জনপ্রিয়তা অর্জন করেন।

সংগীত জীবনে তিনি সাড়ে তিন হাজারেরও বেশি গান রেকর্ড করেন। সংগীত ভুবনে তাঁর এই অসামান্য অবদানের কথা স্বীকার করে ভারত সরকার ১৯৭১ খ্রিস্টাব্দে পদ্মশ্রী, ২০০৫ খ্রিস্টাব্দে পদ্মবিভূষণ এবং ২০০৭ খ্রিস্টাব্দে দাদাসাহেব ফালকে সম্মাননায় অভিষিক্ত করে। ২০১১ খ্রিস্টাব্দে পশ্চিমবঙ্গ সরকার তাঁকে রাজ্যের সর্বোচ্চ অসামরিক সম্মান বঙ্গবিভূষণ প্রদান করে।

 

 

জীবনে কি পাবো না [ Jibone ki pabo na ] নিয়ে কভার ঃ

 

Leave a Comment