সঙ্গীত গুরুকুল ডেস্ক
প্রকাশ: ৫ই নভেম্বর ২০২৫, ১:১৫ পিএম

বাংলাদেশের তরুণ প্রজন্মের মধ্যে জনপ্রিয় হয়ে ওঠা বহুল প্রতীক্ষিত অনুষ্ঠান “কালচারাল ফেস্ট সিজন ৩” বৃহস্পতিবার বর্ণিল আয়োজনে শুরু হলো রাজধানীর তেজগাঁও লিঙ্ক রোডের আলোকী কনভেনশন সেন্টারে। দুদিনব্যাপী এই উৎসব আয়োজন করেছে ইভেন্ট বক্স, যারা গত কয়েক বছর ধরে যুবসমাজের সৃজনশীলতা, সংস্কৃতি ও সংগীতচর্চার বিকাশে নিয়মিত কাজ করে যাচ্ছে।
ফেস্টিভ্যালের মূল দর্শন—বাংলা সংস্কৃতি, আধুনিক সৃজনশীলতা ও শিল্পচর্চার এক যৌথ মেলবন্ধন তৈরি করা। তাই এবারের আয়োজনে সমান গুরুত্ব পেয়েছে সংগীত, ফাইন আর্ট, ঐতিহ্যবাহী পরিবেশনা, ফ্যাশন, জীবনধারা ও কুলিনারি কালচার।
Table of Contents
দুই দিনের উৎসবে মঞ্চ মাতাবেন দেশের সমাদৃত ব্যান্ড ও সংগীতশিল্পীরা। তালিকায় রয়েছে—
রক, অল্টারনেটিভ, ফিউশন এবং মডার্ন পপ—বিভিন্ন ঘরানার সঙ্গীত পরিবেশনায় উৎসবপ্রেমীরা উপভোগ করবেন এক বৈচিত্র্যময় মিউজিক্যাল অভিজ্ঞতা। শো–গুলোতে থাকছে ভিজ্যুয়াল লাইটিং, লাইভ সাউন্ড ডিজাইন এবং এনগেজিং পারফরম্যান্স—যা তরুণদের কাছে ফেস্টিভ্যালটিকে আরও বিশেষ করে তুলবে।
সঙ্গীত ছাড়াও ফেস্টিভ্যালে রয়েছে—
স্থানীয় ডিজাইনার ও ব্র্যান্ডের ফ্যাশন কালেকশন
হাতে তৈরি গয়না ও কারুশিল্প
বিশেষ ফুড কোর্ট
ফাইন আর্টস ও ইলাস্ট্রেশনের আর্ট এক্সিবিশন
ফটোগ্রাফি ও আর্ট প্রিন্টের ডিসপ্লে
তরুণ উদ্যোক্তাদের জন্য এটি এক দুর্দান্ত প্রদর্শনী প্ল্যাটফর্ম।
এই সিজনে বাড়তি আকর্ষণ হিসেবে রয়েছে বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠীর আদিবাসী নৃত্য, লোকসঙ্গীত, আঞ্চলিক পরিবেশনা ও ঐতিহ্যবাহী শিল্পরূপ। যা উৎসবটিকে আরও বহুমাত্রিক করেছে।
সময়সূচি
ফেস্টিভ্যাল প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত খোলা থাকবে। পরিবার, বন্ধু, তরুণ ক্রিয়েটর ও সংগীতপ্রেমী—সবার জন্যই এটি এক মুক্ত, সৃজনশীল ও উপভোগ্য আয়োজন।
| বিষয় | তথ্য |
|---|---|
| ইভেন্ট | কালচারাল ফেস্ট সিজন ৩ |
| তারিখ | দুই দিনব্যাপী |
| স্থান | আলোকী কনভেনশন সেন্টার, তেজগাঁও |
| আয়োজন | ইভেন্ট বক্স |
| প্রধান আকর্ষণ | লাইভ ব্যান্ড পারফরম্যান্স, আর্ট এক্সিবিশন, ফুড ও ফ্যাশন স্টল |
| অংশগ্রহণকারী ব্যান্ড | F Minor, Calypso, Mechanix, Nemesis, AvoidRafa, AK Rahul প্রমুখ |
| স্টল সংখ্যা | ১০০+ |
| বিশেষ পরিবেশনা | আদিবাসী নৃত্য, ঐতিহ্যবাহী সাংস্কৃতিক প্রদর্শনী |
| সময় | সকাল ১০টা – রাত ১০টা |
“কালচারাল ফেস্ট সিজন ৩” এবারও প্রমাণ করলো যে তরুণদের সৃজনশীলতা, শিল্পবোধ ও সংগীতপ্রেমকে একত্রিত করলে একটি উৎসব শুধু বিনোদন নয়—সংস্কৃতির উদযাপন হয়ে ওঠে। দুদিনের এই মহোৎসব দর্শকদের জন্য স্মরণীয় সাংস্কৃতিক অভিজ্ঞতা হয়ে থাকবে।
মন্তব্য