“ভালবাসার সাধ” গানটি বাংলা চলচিত্র “বাঁচার লড়াই” এর মধ্যে গাওয়া হয়েছে । গানটি গেয়েছেন সংগীতশিল্পী মিতালী মুর্খাজী এবং কুমার সানু । গানটি লিখেছেন গীতিকবি ও লেখক মোহাম্মদ রফিকউজ্জামান । সুর করেছেন আলাউদ্দিন আলী ।
ভালোবাসার সাধ [ Valobashar shadh ]
গীতিকারঃ মোহাম্মদ রফিকউজ্জামান
প্রথম রেকর্ডের কন্ঠশিল্পীঃ মিতালী মুর্খাজী এবং কুমার সানু
Table of Contents
ভালোবাসার সাধ [ Valobashar shadh ]
ভালোবাসার সাধ পূর্ণ তো হয় না
কারো কোন দিন ,
ভালোবাসার সাধ পূর্ণ তো হয় না
কারো কোন দিন।
একটি জনমের শোধ করা যায় না
তোমার প্রেমের এই ঋণ,,,,,,,
ভালোবাসার সাধ পূর্ণ তো হয় না
কারো কোন দিন,
এ জীবন যেন এক স্বপ্নের ঘোর
সাজাতে সাজাতে হয়ে যায় ভোর,
তবুও যেটুকু সময় পাবো
শত জনমের প্রেম দিয়ে যাব।
প্রেমের সাগরে দুই ফোটা জল হয়ে
হব দুজনে বিলীন,,,,,,
ভালোবাসার সাধ পূর্ণ তো হয় না
কারো কোন দিন,
ভালোবাসার সাধ পূর্ণ তো হয় না
কারো কোন দিন।
পলাতক সময় কে থামিয়ে দিয়ে
জনম ও জনম রোবো তোমাকে নিয়ে।
তোমারি দুহাতে জগৎ আমার
তুমি ছাড়া কিছুই চাই না তো আর।
প্রেমের আবিরে দুই ফোটা রং হয়ে
হবো দুজনে রঙিন,,,,,
ভালোবাসার সাধ পূর্ণ তো হয় না
কারো কোন দিন,
মোহাম্মদ রফিকউজ্জামানঃ
মোহাম্মদ রফিকউজ্জামান বাংলাদেশের একজন গীতিকবি ও লেখক। তিনি শতাধিক চলচ্চিত্রের কাহিনী-চিত্রনাট্য-সংলাপ রচয়িতা। তিনি ১৯৮৪ ও ১৯৮৬ সালে শ্রেষ্ঠ গীতিকার হিসেবে এবং ২০০৮ সালে শ্রেষ্ঠ কাহিনীকার হিসেবে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পেয়েছেন।
১৯৪৩ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি মোহাম্মদ রফিকউজ্জামান ঝিনাইদহ জেলার লক্ষ্নীপুরের ফুরসুন্দিতে মামাবাড়িতে জন্মগ্রহণ করেন। তার পৈতৃক বাড়ি যশোর জেলার সদর উপজেলার খড়কীতে। তার বাবার নাম শাহাদাত আলী এবং মায়ের নাম সাজেদা খাতুন। ১৯৬৫ সাল থেকে বাংলাদেশে বেতারে নিয়মিত গীতিকার হিসেবে কাজ করছেন মোহাম্মদ রফিকউজ্জামান। ইতিমধ্যে তার প্রকাশিত গানের সংখ্যা প্রায় দুই হাজার। ১৯৭৩ সাল থেকে তিনি নিয়মিত ভাবে চলচ্চিত্রের জন্য গান লিখছেন ।
আলাউদ্দীন আলীঃ
আলাউদ্দিন আলী ১৯৫২ সালের ২৪শে ডিসেম্বর মুন্সীগঞ্জের টংগিবাড়ী থানার বাঁশবাড়ী গ্রামের এক সাংস্কৃতিক পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতার নাম জাবেদ আলী ও মাতা জোহরা খাতুন। আলাউদ্দিন তার পিতা ওস্তাদ জাবেদ আলী ও ছোট চাচা সাদেক আলীর কাছে প্রথম সঙ্গীতে শিক্ষা নেন। ১৯৬৮ সালে তিনি যন্ত্রশিল্পী হিসেবে চলচ্চিত্র জগতে আসেন এবং আলতাফ মাহমুদের সহযোগী হিসেবে যোগ দেন।
আলাউদ্দিন ১৯৭৫ সালে সঙ্গীত পরিচালনা করে বেশ প্রশংসিত হন। তিনি গোলাপী এখন ট্রেনে (১৯৭৯), সুন্দরী (১৯৮০), কসাই এবং যোগাযোগ চলচ্চিত্রের জন্য ১৯৮৮ সালে শ্রেষ্ঠ সঙ্গীত পরিচালক হিসেবে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার লাভ করেন।
তিনি ৯ আগস্ট ২০২০ সালে মৃত্যুবরণ করেন ।
মিতালী মুখার্জীঃ
একজন বাংলাদেশী শাস্ত্রীয় সঙ্গীতশিল্পী। মুখার্জি তার বাবা অমূল্য কুমার মুখার্জী ও মা কল্যাণী মুখোপাধ্যায়ের কাছে ময়মনসিংহ জেলায় জন্মগ্রহণ করেন। মুখার্জি পিটার মিঠুন দে’র তত্ত্বাবধানে উচ্চাঙ্গ সঙ্গীতে আনুষ্ঠানিক প্রশিক্ষণ শুরু করেন। তিনি বরোদার মহারাজা সায়াজিরাও বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গীতে শিক্ষা গ্রহণ করেন।
মুখার্জির প্রথম অ্যালবাম “Saahil” হয় এইচএমভি দ্বারা প্রকাশ করা হয়। তিনি তার অ্যালবাম ” চাঁদ পারোসা হ্যায় “-এর জন্য গীতিকার গুলজারের সঙ্গে সহযোগিতা করেন । তিনি পাঞ্জাবি, গুজরাটি, তামিলসহ বিভিন্ন ভাষায় গান গেয়েছেন।
কুমার সানুঃ
ভালোবাসার সাধ গানের গায়ক কুমার শানু ভারতের একজন উল্লেখযোগ্য বলিউডগায়ক ।কুমার শানুর বাবা পশুপতি ভট্টাচার্য্য ছিলেন একজন গায়ক ও সুরকার। তিনি শানুকে গান ও তবলা শিখান। ডিগ্রি পাওয়ার পর কুমার শানু ১৯৭৯ সালে প্রকাশ্যে কার্যক্রম করা শুরু করেন, গান গাওয়া শুরু করেন হোটেল ও বিভিন্ন অনুষ্টানে কলকাতায়। কিশোর কুমার এর পরে তিনি বলিউডের গায়কের মডেল হয়েছেন। পরবর্তিতে তিনি নিজের শৈলিতে গান গাওয়া শুরু করেন। তিনি ভারতীয় ছবির জন্য গানও তৈরি করেছেন এবং বলিউড ছবিও প্রযোজনা করেছেন তা নাম হচ্ছে উত্থান। বর্তমানে কুমার শানু’র দল কাজ করছে রাকেশ ভাটিয়া এর সাথে এবং তারা এক সাথে প্রযোজনা করছেন হিন্দি ছবি ।
সব ধরনের প্রচলিত ও অপ্রচলিত বাংলা গানের কথা সংগ্রহ করে সঙ্গীতপ্রেমীদের জন্য প্রকাশে কাজ করছে ‘লিরিক ডেস্ক’। আপনার কাঙ্ক্ষিত গানটি আমাদের ওয়েবসাইটে না পেলে জানান; আমরা তা সংগ্রহ করে দ্রুত আপলোড করে দেব।











