অবুঝ কালে যার অন্তরে [ Obujh kale jar ontore ] | মুজিব পরদেশী
“অবুঝ কালে যার অন্তরে” গানটি গেয়েছেন এবং লিখেছেন মুজিব পরদেশী । মুজিব পরদেশী বাংলাদেশি একজন জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী। তিনি লোকগীতি ধারার শিল্পী হিসেবেই বিশেষ পরিচিত। তাঁর প্রকৃত নাম মুজিবুর রহমান মোল্লা।
অবুঝ কালে যার অন্তরে [ Obujh kale jar ontore ] | মুজিব পরদেশী
গীতিকারঃ মুজিব পরদেশী
প্রথম রেকর্ডের কন্থশিল্পীঃ মুজিব পরদেশী
অবুঝ কালে যার অন্তরে লিরিক্স :
অবুজকালে যার অন্তোরে এ এএ…
প্রেমের ই দাগ লাগে এএএএ ..
তারে কি আর যায় রে ভোলা
মরণেরই কালে ।
অবুজকালে যার অন্তরে এ এ এ…
প্রমেরই দাগ লাগে এ এ এএএএএ…
তারে কি আর যায় রে ভোলা মরণেরই কাল এ এএ..
তারে কি আর যায়রে ভোলা মরণেরই কাল এ এএ..।।
প্রেম কভু যায় না করা, প্রেমি হইয়া যায়..
একবার মনে মন মিশিলে
ছাইড়া থাকা দায়।।
প্রেম কভু যায় না করা প্রেমী হইয়া যায়..
একবার মনে মন মিশিলে
ছাইরা থাকা দায়।।
আমার রাইতে চোখে ঘুম আসেনা রেএ এ …
সে কি নিশি জাগে এ এ এ..
তারে কি আর যায় রে ভোলা
মরণেরই কাল এ এএ..।।
প্রেমের জ্বালা তো সেই অনন
জ্বোলে যার অন্তরে এ এএএ…
সেবিনেকী হায়রে জ্বালা বুঝবে কেমনে…।
প্রেমের জ্বালা তো সেই অনন
জ্বোলে যার অন্তরে এ এএএ…
সেবিনেকী হায়রে জ্বালা বুঝবে কেমনে…।
আমার বন্ধু আছে পরম সুখে রে এ এএএ..
বেথ্যায় আমার মনে এ এএএ..
তারে কি আর যায়রে ভোলা
মরণেরই কাল এ এএ..।।
তারে কি আর যায়রে ভোলা
মরণেরই কাল এ এএ..।।
অবুজ কালে যার অন্তরে প্রেমের ই দাগ লাগে এ এ
তারে কি আর যায়রে ভোলা
মরণেরই কাল এ এএ..।।
তারে কি আর যায়রে ভোলা
মরণেরই কাল এ এএ..।।
মুজিব পরদেশীঃ
মুজিব’ পরদেশী পিতার নাম ইউসুফ আলী মোল্লা। তিনি পাকিস্তানের করাচিতে ব্যবসা করতেন। মুজিব ‘পরদেশী করাচীতে জন্মগ্রহণ করেন। ৬ বোন,৩ ভাইয়ের মধ্যে তিনি সবার বড়। ১৯৬৫ সালে ১১ বছর বয়সে ঢাকায় চলে আসেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে তিনি মাস্টার্স ডিগ্রী লাভ করেন।
করাচীতে ওস্তাদ আশিক আলীর কাছে তবলা শেখা শুরু করেন। শৈশবেই শাস্ত্রীয় সঙ্গীতে তালিম নিয়েছেন ওস্তাদ গোলাম হায়দার আলী খান, ওস্তাদ ফজলুল হক, ওস্তাদ আমানুল্লাহ’র নিকট। তবলা শিখেছেন ওস্তাদ মনির হোসেন খান ও ওস্তাদ সাজ্জাদ হোসেন খানের কাছে। তিনি দীর্ঘদিন গান করছেন লোকগীতির কিংবদন্তী আবদুল আলীমের সাথে। তিনি গণমানুষের জন্য গান করেছেন। তিনি স্বাধীন বাংলা বেতারকেন্দ্রের শিল্পী ছিলেন ।
বাংলা সঙ্গীত বাংলার সহস্রাব্দ প্রাচীন ধর্মীয় ও ধর্মনিরপেক্ষ সাংগীতিক ঐতিহ্যটিকে নির্দেশ করে। ঐতিহাসিক বাংলা অঞ্চলটি বর্তমানে স্বাধীন বাংলাদেশ ও ভারতীয় রাজ্য পশ্চিমবঙ্গে বিভক্ত। বাংলা ভাষায় রচিত ও বিভিন্ন শৈলীর সুরে সমৃদ্ধ বাংলা সঙ্গীতধারাটি এই উভয় অঞ্চলেই ব্যাপক জনপ্রিয়তার অধিকারী।
![অবুঝ কালে যার অন্তরে [ Obujh kale jar ontore ] | মুজিব পরদেশী 1 YaifwwriN4BzRFCyqbslL4 অবুঝ কালে যার অন্তরে [ Obujh kale jar ontore ] | মুজিব পরদেশী](https://bn.musicgoln.com/wp-content/uploads/1965/12/YaifwwriN4BzRFCyqbslL4-300x225.png)
বাংলার প্রাচীন সঙ্গীতকলা সংস্কৃত স্তোত্রসঙ্গীত প্রভাবিত। এই সময়কার বৈষ্ণব ভাবাশ্রিত কিছু ধর্মসঙ্গীতিগুলি আজও পূর্ব ভারতীয় মন্দিরগুলিতে গীত হয়। ত্রয়োদশ শতাব্দীতে কবি জয়দেব বিরচিত গীতগোবিন্দম্ এই জাতীয় সঙ্গীতের একটি বিশিষ্ট উদাহরণ। মধ্যযুগে নবাব ও বারো ভূঁইয়া নামে খ্যাত শক্তিশালী ভূস্বামীবর্গের পৃষ্ঠপোষকতায় প্রতিপালিত সঙ্গীতধারায় আবার হিন্দু ও মুসলমান সাংগীতিক রীতির এক অপূর্ব সমন্বয় দেখা যায়।
প্রাচীন ও মধ্যযুগীয় গানগুলির অধিকাংশই ছিল ধর্মীয় সঙ্গীত। মধ্যযুগের প্রথম পাদে বিদ্যাপতি, চণ্ডীদাস, গোবিন্দদাস, জ্ঞানদাস, ও বলরামদাস প্রমুখ বৈষ্ণব পদকর্তাগণ রাধা-কৃষ্ণ বিষয়ক গানে জাগতিক ও আধ্যাত্মিক প্রেমচেতনার একটি পার্থক্য দর্শিয়েছেন।
আবার মধ্যযুগের শেষ পাদে রামপ্রসাদ সেন ও কমলাকান্ত ভট্টাচার্য প্রমুখ শাক্তপদাবলিকারগণ তাদের গানে ঈশ্বরকে শুদ্ধ মাতৃরূপে বন্দনার কথা বলেছেন। বৈষ্ণব ও শাক্তপদাবলি (শ্যামাসংগীত ও উমাসঙ্গীত) উভয়েরই মূল উপজীব্য হিন্দু ভক্তিবাদ|ভক্তিবাদী দর্শন। বৈষ্ণব সঙ্গীতে যখন জীবাত্মা-পরমাত্মাকেন্দ্রিক প্রেমভক্তির তত্ত্ব প্রচারিত হয়, তখনই শাক্তগানে তন্ত্র ও শুদ্ধা মাতৃবন্দনার এক সম্মিলন গড়ে ওঠে।