আফতাব-এ-মৌসিকি ওস্তাদ ফৈয়াজ খাঁ । আগ্রা ঘরানা । শিল্পী জীবনী

ওস্তাদ ফৈয়াজ খাঁ (Ustad Faiyaz Khan) হলেন হিন্দুস্থানী শাস্ত্রীয় সঙ্গীতের একটি অমর নাম, যিনি আগ্রা ঘরাণার প্রধান প্রচারক এবং ২০শ শতাব্দীর অন্যতম শ্রেষ্ঠ গায়ক। তাঁকে “আফতাব-এ-মৌসিকি” (সঙ্গীতের সূর্য) উপাধিতে ভূষিত করা হয়েছে, যা তাঁর সঙ্গীত জগতে অসাধারণ প্রভাবের সাক্ষ্য বহন করে। ফৈয়াজ খাঁর গানের শৈলীতে ধ্রুপদ, খেয়াল, থুমরি এবং গজলের অসাধারণ মিশ্রণ ছিল, যা তাঁকে “মেহফিল কা বাদশাহ” (সম্মিলনের রাজা) উপনাম এনে দেয়। তাঁর গভীর, শক্তিশালী কণ্ঠ এবং রাগের গভীরতা শ্রোতাদের মুগ্ধ করত। তাঁর অবদান আগ্রা ঘরাণাকে বিশ্বমানে তুলে ধরেছে এবং পরবর্তী প্রজন্মের গায়কদের অনুপ্রাণিত করেছে। এই জীবনীতে আমরা তাঁর জীবনের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করব।

 

ওস্তাদ ফৈয়াজ খাঁ । শিল্পী জীবনী

 

ওস্তাদ ফৈয়াজ খাঁ । শিল্পী জীবনী

জন্ম ও পরিবারিক পটভূমি

ওস্তাদ ফৈয়াজ খাঁ ১৮৮৬ খ্রিস্টাব্দের ৮ ফেব্রুয়ারি উত্তর প্রদেশের আগ্রার কাছে সিকন্দরায় জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর জন্ম মাতুলালয়ে (মায়ের বাড়িতে) হয়। তাঁর পিতা সফদার হুসেন খাঁ (কিছু সূত্রে সাদাকত হুসেন খাঁ বলা হয়) ছিলেন একজন বিখ্যাত সঙ্গীতজ্ঞ, কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত ফৈয়াজ খাঁর জন্মের মাত্র ৩-৪ মাস আগে তিনি পরলোকগমন করেন। ফলে ফৈয়াজ খাঁ পিতৃহীন হয়ে বড় হন এবং তাঁর মাতামহ (মায়ের পিতা) গুলাম আব্বাস খাঁর গৃহে প্রতিপালিত হন। গুলাম আব্বাস খাঁ (১৮২৫-১৯৩৪) ছিলেন আগ্রা ঘরাণার একজন প্রখ্যাত গায়ক, যিনি ধ্রুপদ এবং খেয়ালে পারদর্শী ছিলেন।

ফৈয়াজ খাঁর পরিবারিক ঐতিহ্য সঙ্গীতময়। তাঁর পূর্বপুরুষদের লাইনেজ মিয়াঁ তানসেন (১৪৯৩-১৫৮৯), মোঘল সম্রাট আকবরের নবরত্নের একজন, পর্যন্ত পৌঁছায়। পরিবারের সদস্যরা যেমন আলখদাস, মালুকদাস এবং হাজি সুজান খাঁ (যিনি মুসলিম হয়ে গেলেন) সঙ্গীতের বিভিন্ন ধারায় অবদান রেখেছেন। এই ঐতিহ্য ফৈয়াজ খাঁকে সঙ্গীতের প্রতি আকৃষ্ট করে। তাঁর মাতা আব্বাসী বেগম ছিলেন, এবং তাঁর একটি বিবাহ হয় কিন্তু স্ত্রী অল্পকাল পরে মারা যান। তিনি পুনর্বিবাহ করেননি এবং কোনো সন্তান ছিল না।

 

ওস্তাদ ফৈয়াজ খাঁ । শিল্পী জীবনী

 

শৈশব ও সঙ্গীত শিক্ষা

ফৈয়াজ খাঁর শৈশব কাটে মাতামহ গুলাম আব্বাস খাঁর কাছে, যিনি তাঁকে সঙ্গীতের প্রাথমিক শিক্ষা দেন। গুলাম আব্বাসের কঠোর তত্ত্বাবধানে ফৈয়াজ খাঁ আগ্রা ঘরাণার গায়কী শিখেন, যা ধ্রুপদ এবং ধামারের প্রভাবে সমৃদ্ধ। এই ঘরাণার বিশেষ বৈশিষ্ট্য হলো রাগের আলাপে ধ্রুপদের গভীরতা, বোলতান (শব্দের সাথে তান), তানের দ্রুততা এবং লয়কারী (তালের খেলা)। ফৈয়াজ খাঁ ২৫ বছর বয়স পর্যন্ত মাতামহের কাছে শিক্ষা নেন।

পরবর্তীতে তিনি অন্যান্য গুরুর কাছে শিক্ষা লাভ করেন, যেমন তাঁর শ্বশুর উস্তাদ মেহবুব খাঁ “দরাসপিয়া”, নত্যান খাঁ এবং চাচা ফিদা হুসেন খাঁ। এই বিভিন্ন গুরুর প্রভাবে তাঁর শৈলী একটি নিও-ক্লাসিকাল রূপ নেয়, যা আগ্রা ঘরাণার ঐতিহ্যকে নতুন দিক দিয়েছে। ফৈয়াজ খাঁর কণ্ঠ ছিল শক্তিশালী এবং বহুমুখী—তিনি সি শার্প এবং সি স্কেলে গাইতেন, যা পরবর্তীকালে স্বাস্থ্যের কারণে বি ফ্ল্যাটে নেমে আসে। তাঁর শিক্ষা কেবল গান নয়, বরং সঙ্গীতের আধ্যাত্মিক দিকও শিখিয়েছে।

 

কর্মজীবনের শুরু ও স্বীকৃতি

ওস্তাদ ফৈয়াজ খাঁর পেশাদার সঙ্গীত জীবন শুরু হয় খুব অল্প বয়সেই। ১৯০০-এর দশকের শুরুতে তিনি বিভিন্ন সঙ্গীত সম্মেলনে অংশ নিতে শুরু করেন। আনুমানিক ১৯০৮ সালে মহীশূরের মহারাজা কৃষ্ণরাজ ওড়িয়ার তাঁকে প্রথমবার শুনে মুগ্ধ হন এবং “আফতাব-এ-মৌসিকি” (সঙ্গীতের সূর্য) উপাধি দেন। এই উপাধি তাঁর জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ স্বীকৃতি এবং তাঁর নামের সাথে চিরকাল যুক্ত হয়ে যায়। মহীশূরে কিছুদিন থাকার পর তিনি বরোদার (বর্তমানে ভাদোদরা) মহারাজা সয়াজিরাও গায়কোয়াড়ের আমন্ত্রণে বরোদা দরবারের সভাগায়কের পদ গ্রহণ করেন। এই পদ তিনি দীর্ঘকাল ধরে অলংকৃত করেন এবং মহারাজা তাঁকে “জ্ঞান রত্ন” (জ্ঞানের রত্ন) উপাধি দেন।

বরোদায় থাকাকালীন তিনি সারা ভারতে সুপ্রতিষ্ঠিত হন। তিনি লখনউ, এলাহাবাদ, কলকাতা, গোয়ালিয়র, বোম্বে (মুম্বাই) এবং মহীশূরের মতো বিভিন্ন সঙ্গীত সম্মেলনে নিয়মিত অংশ নিতেন। বিভিন্ন রাজপরিবারের দরবারে তাঁর অনুষ্ঠান হতো এবং রাজারা তাঁকে আমন্ত্রণ জানানোর জন্য প্রতিযোগিতা করতেন। তিনি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জোড়াসাঁকো ঠাকুরবাড়িতে অনুষ্ঠান করেছিলেন, যেখানে ঠাকুর তাঁর গানে মুগ্ধ হয়েছিলেন। তাঁর অনুরাগীদের মধ্যে ছিলেন তবলাবাদক আহমদ জান থিরাকওয়া, উস্তাদ আমির খাঁ, আলি আকবর খাঁ, বিলায়ত খাঁ এবং পণ্ডিত রবি শঙ্করের মতো কিংবদন্তিরা।

সঙ্গীত শৈলী ও আগ্রা ঘরাণার অবদান

ফৈয়াজ খাঁর গায়কী আগ্রা ঘরাণার সারাংশ। এই ঘরাণার বিশেষত্ব হলো ধ্রুপদ-ধামারের প্রভাবে রাগের আলাপ (নোম-তোম আলাপ), যা গভীর এবং কাঠামোগত। তিনি খেয়ালকে ধ্রুপদের গম্ভীরতা দিয়ে সমৃদ্ধ করেছেন, বোলতান (শব্দের সাথে তান), গমক (কম্পন), মীণ্ড (গ্লাইড) এবং লয়কারী (তালের খেলা) তাঁর গানের মূল বৈশিষ্ট্য। তাঁর কণ্ঠ ছিল অত্যন্ত শক্তিশালী—প্রাইমে তিনি সি শার্প এবং সি স্কেলে গাইতেন, কিন্তু ১৯৪৫ সালে টাইফয়েড এবং পরে টিউবারকুলোসিসের কারণে তাঁর পিচ B এবং B ফ্ল্যাটে নেমে আসে।

তিনি শুধু খেয়াল নয়, ধ্রুপদ, ঠুমরি, গজল সবকিছুতে দক্ষ ছিলেন। তাঁর বিখ্যাত ব্যান্ডিশগুলি পেন নামে “প্রেম পিয়া” রচিত। সবচেয়ে জনপ্রিয় ঠুমরি: “বাজুবন্দ খুল খুল জায়ে” (ভৈরবীতে)। অন্যান্য বিখ্যাত রাগ: দরবারী কানাড়া, পুরিয়া, জৈজয়ন্তী, জৌনপুরী, ললিত, রামকেলি, পুরবী ইত্যাদি। তাঁর আলাপ ছিল অত্যন্ত বিস্তৃত এবং রাগের সারাংশ তুলে ধরত। তিনি “মেহফিল কা বাদশাহ” নামে পরিচিত ছিলেন, কারণ তাঁর লাইভ পারফরম্যান্সে শ্রোতারা মুগ্ধ হয়ে যেতেন। তিনি সিল্কের শেরওয়ানি পরে পদকসহ মঞ্চে উঠতেন, যা তাঁর রাজকীয় মর্যাদা প্রকাশ করত।

রেকর্ডিং এবং প্রথম কলকাতা অনুষ্ঠান

তাঁর প্রথম রেকর্ডিং করেন কলকাতার হিন্দুস্থান রেকর্ড কোম্পানি (পরে HMV-তে)। আনুমানিক ১৯৩৫ সালে তিনি কলকাতায় প্রথম সঙ্গীতানুষ্ঠানে যোগ দেন এবং শ্রোতাদের মুগ্ধ করেন। তাঁর রেকর্ডিংগুলি প্রধানত ১৯৩৬-১৯৩৯ সালের মধ্যে করা, যার মধ্যে ১০টি ৭৮ RPM ডিস্ক (২০টি সাইড) রয়েছে। বিখ্যাত রেকর্ডিং: ললিতে “তড়পত হু জৈসে জল বিন মীনে”, রামকেলিতে “উন সঙ্গ লাগি অঙ্খিয়াঁ”, জৌনপুরিতে “চলো কাহে কো ঝুঠি বনাও” ইত্যাদি। তাঁর রেকর্ডিংগুলি পরবর্তীকালে লাইভ বুটলেগ এবং ক্যাসেট/সিডি-তে পুনর্মুদ্রিত হয়েছে।

শিষ্যবর্গ (Disciples / Shishya)

ওস্তাদ ফৈয়াজ খাঁ একজন উদার ও উত্তম গুরু ছিলেন। তিনি সঙ্গীতকে গোপন রাখার পরিবর্তে যে কেউ আগ্রহী হলে শিখিয়ে দিতেন। তাঁর শিষ্যদের মধ্যে আগ্রা ঘরাণার ঐতিহ্যকে সংরক্ষণ ও প্রসার করার জন্য অনেকেই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। উল্লেখযোগ্য শিষ্যদের মধ্যে রয়েছেন:

  • শরাফত হুসেন খাঁ (Sharafat Hussain Khan) — আগ্রা ঘরাণার একজন প্রধান প্রতিনিধি, যিনি ফৈয়াজ খাঁর শৈলীকে পরবর্তী প্রজন্মে পৌঁছে দিয়েছেন।
  • লতাফত হুসেন খাঁ (Latafat Hussain Khan) — তাঁর গানে ফৈয়াজ খাঁর নোম-তোম আলাপ এবং বোলতানের প্রভাব স্পষ্ট।
  • খাদিম হুসেন খাঁ (Khadim Hussain Khan) — পরিবারের সদস্য এবং ঘরাণার ধারাবাহিকতা রক্ষাকারী।
  • দীলিপ চন্দ্র বেদী (Dilip Chandra Vedi) — খেয়াল ও ধ্রুপদে দক্ষ, আগ্রা ঘরাণার প্রভাব ছড়িয়ে দিয়েছেন।
  • এস. এন. রতনঝঙ্কর (S. N. Ratanjankar) — বিখ্যাত সঙ্গীতজ্ঞ, যিনি ফৈয়াজ খাঁর কাছ থেকে শিখে পরে গুরু হয়ে উঠেছেন।
  • আতা হুসেন খাঁ (Ata Hussain Khan) — ২৫ বছর ধরে শিক্ষা নিয়েছেন এবং ঘরাণার রেপারটোয়ার সংরক্ষণ করেছেন।
  • কেএল সায়গল (K. L. Saigal) — বিখ্যাত ফিল্ম গায়ক, যিনি ফৈয়াজ খাঁর কাছ থেকে ক্লাসিক্যাল প্রভাব নিয়েছেন।
  • অন্যান্য: ভীষ্মদেব চট্টোপাধ্যায়, দিলীপচন্দ্র বেদী, সোহন সিংহ, আসাদ আলী খাঁ ইত্যাদি।

এই শিষ্যরা আগ্রা ঘরাণার ধ্রুপদ-প্রভাবিত খেয়াল, নোম-তোম আলাপ এবং বোল-বান্টকে সংরক্ষণ ও প্রচার করেছেন।

মৃত্যু

ওস্তাদ ফৈয়াজ খাঁর স্বাস্থ্য ১৯৪৫ সালে টাইফয়েডের আক্রমণে ক্ষতিগ্রস্ত হয়, তারপর টিউবারকুলোসিস (যক্ষ্মা) রোগে আক্রান্ত হন। এর ফলে তাঁর কণ্ঠের পিচ C শার্প থেকে B এবং B ফ্ল্যাটে নেমে আসে, যদিও তাঁর গানের গুণগত মান অটুট ছিল। ১৯৫০ খ্রিস্টাব্দের ৫ নভেম্বর বরোদায় (বর্তমানে ভাদোদরা) তিনি পরলোকগমন করেন। তাঁর সমাধি বরোদায়ই রয়েছে। তাঁর মৃত্যুতে সঙ্গীত জগতে একটি বিরাট শূন্যতা সৃষ্টি হয়, কারণ তিনি ছিলেন “আগ্রা ঘরাণার শেষ দানব” (the last of the race of giants)। তাঁর মৃত্যুর পরও তাঁর রেকর্ডিং এবং শিষ্যদের মাধ্যমে তাঁর সঙ্গীত জীবন্ত রয়েছে।

“He was the last of the race of giants. The like of him will not be born again. He was a gift—a national asset.”

অর্থাৎ: তিনি ছিলেন দানবদের (বা মহান প্রতিভাদের) বংশের শেষজন। তাঁর মতো কেউ আর জন্মাবেন না। তিনি ছিলেন একটি উপহার—একটি জাতীয় সম্পদ।

উত্তরাধিকার ও অমরত্ব

ওস্তাদ ফৈয়াজ খাঁর উত্তরাধিকার অত্যন্ত সমৃদ্ধ। তিনি আগ্রা ঘরাণাকে ধ্রুপদ-ধামারের গভীরতা দিয়ে খেয়ালের সাথে মিলিয়ে একটি নতুন রূপ দিয়েছেন। তাঁর নোম-তোম আলাপ, বোলতান এবং লয়কারী আজও আগ্রা ঘরাণার মূল বৈশিষ্ট্য। তাঁর সময়ে তিনি “মেহফিল কা বাদশাহ” ছিলেন—তাঁর লাইভ অনুষ্ঠানে শ্রোতারা মুগ্ধ হয়ে যেতেন।

তাঁর অবদানের মধ্যে রয়েছে:

  • আগ্রা ঘরাণার ধ্রুপদ-প্রভাবিত খেয়ালকে আধুনিক যুগে প্রতিষ্ঠিত করা।
  • বিভিন্ন রাগে অসাধারণ ব্যান্ডিশ রচনা (পেন নাম “প্রেম পিয়া”), যেমন বিখ্যাত ঠুমরি “বাজুবন্দ খুল খুল জায়ে” (ভৈরবীতে)।
  • রেকর্ডিংগুলি (প্রধানত ১৯৩০-এর দশকের শেষভাগে) আজও ক্লাসিক্যাল সঙ্গীতের মাইলফলক।
  • শিষ্যদের মাধ্যমে ঘরাণার ধারাবাহিকতা রক্ষা।

তাঁর সমসাময়িকরা যেমন উস্তাদ আব্দুল করিম খাঁকে প্রশংসা করতেন, তেমনি তাঁর অনুরাগীদের মধ্যে ছিলেন আহমদ জান থিরাকওয়া, আমির খাঁ, আলি আকবর খাঁ, বিলায়ত খাঁ এবং রবি শঙ্কর। সঙ্গীতজ্ঞ এস. কে. চৌবে তাঁকে “দানবদের শেষজন” বলে অভিহিত করেছেন।

ওস্তাদ ফৈয়াজ খাঁর সঙ্গীত আজও শুনলে মনে হয় সূর্যের মতো উজ্জ্বল এবং চিরকালীন। তাঁর গান শুনুন এবং অনুভব করুন—যেমন ললিতে “তড়পত হু জৈসে জল বিন মীনে” বা দরবারী কানাড়ায় তাঁর আলাপ। তিনি চিরকাল সঙ্গীত আকাশে উজ্জ্বল থাকবেন।

Tags :

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

জনপ্রিয় খবর

জনপ্রিয় বিভাগ

আমাদের সম্পর্কে

সঙ্গীত গুরুকুল, GOLN হলো সংগীতপ্রেমীদের জন্য একটি অনলাইন জ্ঞান ও তথ্যভান্ডার। এখানে থাকছে গানের কথা ও বাণী, শিল্পী ও সংগীত ব্যক্তিত্বের তথ্য, গানের ধরন, সংগীত শিক্ষা, ইতিহাস, রিভিউ এবং সংগীতজগতের সাম্প্রতিক নানা বিষয়। সংগীতকে জানা, শেখা ও ভালোবাসার একটি নির্ভরযোগ্য প্ল্যাটফর্ম গড়ে তোলাই আমাদের লক্ষ্য।

ইমেইল করুন:

Press Release: pr@bn.musicgoln.com

Complaint: complaint@bn.musicgoln.com

Contact: +8801775895618

© ২০২৬ সঙ্গীত গুরুকুল, GOLN। সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।