কেন পিরিতি বারাইলা রে বন্ধু [Keno piriti baraila re bondhu] | শাহ্‌ আব্দুল করিম

কেন পিরিতি বারাইলা রে বন্ধু [Keno piriti baraila re bondhu] | শাহ্‌ আব্দুল করিম

“কেন পিরিতি বাড়াইলারে বন্ধু” গানটি বাংলার একটি জনপ্রিয় বাউল গান । যা লিখেছেন বাউল শাহ্‌ আব্দুল করিম । শাহ্‌ আব্দুল করিম একজন বাংলাদেশী কিংবদন্তী সঙ্গীতশিল্পী, সুরকার, গীতিকার ও সঙ্গীত শিক্ষক। তিনি বাউল সঙ্গীতকে অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছেন।

কেন পিরিতি বারাইলা রে বন্ধু [Keno piriti baraila re bondhu] | শাহ্‌ আব্দুল করিম

গীতিকারঃ শাহ্‌ আব্দুল করিম ।

কেন পিরিতি বারাইলা রে বন্ধু লিরিক্স :

কেন-পিরিতি বারাইলা রে বন্ধু
ছেড়ে যাইবা যদি।
ক্যামনে রাখিব তোর মন
আমার আপন ঘরে বাঁধি রে বন্ধু।
ছেড়ে যাইবা যদি।
কেন-পিরিতি বারাইলা রে বন্ধু
ছেড়ে যাইবা যদি।।

পাড়াপড়শি বাদি আমার
বাদি কালনো নদী।
মরম জ্বালা সইতে নাড়ি
দিবানিশি কাঁদি রে বন্ধু।ছেড়ে যাইবা যদি।
কেন-পিরিতি বারাইলা রে বন্ধু
ছেড়ে যাইবা যদি।।
কারে কি বলিব আমি
নিজেই অপরাধী।
কেঁদে কেঁদে চোখের জলে
পাইলাম নদী রে বন্ধু।
ছেড়ে যাইবা যদি।
কেন-পিরিতি বারাইলা রে বন্ধু
ছেড়ে যাইবা যদি।।
পাগল আব্দুল করিম বলে
হল এ কি ব্যাধি।
তুমি বিনে এ ভুবনে
কে আছে ঔষধি রে বন্ধু।
ছেড়ে যাইবা যদি।
কেন-পিরিতি বারাইলা রে বন্ধু
ছেড়ে যাইবা যদি।।
কেন-পিরিতি বারাইলা রে বন্ধু
ছেড়ে যাইবা যদি।
ক্যামনে রাখিব তোর মন
আমার আপন ঘরে বাঁধি রে বন্ধু।
ছেড়ে যাইবা যদি।
কেন পিরিতি বারাইলা রে বন্ধু
ছেড়ে যাইবা যদি।।

শাহ্‌ আব্দুল করিমঃ

শাহ আবদুল করিম  একজন বাংলাদেশী কিংবদন্তী সঙ্গীতশিল্পী, সুরকার, গীতিকার ও সঙ্গীত শিক্ষক। তিনি বাউল সঙ্গীতকে অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছেন। কর্মজীবনে তিনি পাঁচশো-এর উপরে সংগীত রচনা করেছেন। বাংলা সঙ্গীতে তাঁকে “বাউল সম্রাট” হিসাবে সম্বোধন করা হয়। শাহ আবদুল করিম ইব্রাহিম আলী ও নাইওরজানের ঘরে ১৯১৬ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি সিলেটের সুনামগঞ্জ জেলার দিরাই উপজেলায় জন্মগ্রহণ করেন। তিনি খুব ছোটবেলায় তার গুরু বাউল শাহ ইব্রাহিম মাস্তান বকশ থেকে সঙ্গীতের প্রাথমিক শিক্ষা নেন।

 

YaifwwriN4BzRFCyqbslL4 কেন পিরিতি বারাইলা রে বন্ধু [Keno piriti baraila re bondhu] | শাহ্‌ আব্দুল করিম
আমাদেরকে গুগল নিউজে ফলো করুন

 

স্বশিক্ষিত বাউল শাহ আব্দুল করিম এ পর্যন্ত প্রায় পাঁচ শতাধিক গান লিখেছেন এবং সুরারোপ করেছেন। বাংলা একাডেমীর উদ্যোগে তার ১০টি গান ইংরেজিতে অনূদিত হয়েছে। কিশোর বয়স থেকে গান লিখলেও কয়েক বছর আগেও এসব গান শুধুমাত্র ভাটি অঞ্চলের মানুষের কাছেই জনপ্রিয় ছিল। তার মৃত্যুর কয়েক বছর আগে বেশ কয়েকজন শিল্পী বাউল শাহ আব্দুল করিমের গানগুলো নতুন করে গেয়ে ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করলে তিনি দেশব্যাপী পরিচিতি লাভ করেন।
বাউল শাহ আবদুল করিমের এ পর্যন্ত ৭টি গানের বই প্রকাশিত হয়েছে। তার মৃত্যুর কিছুদিন আগে সিলেট জেলা পরিষদ মিলনায়তনে তার রচনাসমগ্র (অমনিবাস)-এর মোড়ক উন্মোচিত হয়েছে।
২০০৯ সালের ১২ই সেপ্টেম্বর বাউল সম্রাট শাহ আবদুল করিম মৃত্যু বরণ করেন।

Leave a Comment