“তুমি ডাক দিলে অবলার পানে চাইও” গানটি একটি বাউল গান । সাধারণত বাউলেরা যে সংগীত পরিবেশন করে তাকে বাউল গান বলে।
বাউল গান বাউল সম্প্রদায়ের সাধনসঙ্গীত। এটি লোকসঙ্গীতের অন্তর্গত।
তুমি ডাক দিলে অবলার পানে চাইও [ Tumi Dak Dile Obolar Pane Chaio ]
গানের জনরাঃ বাউল গান
তুমি ডাক দিলে অবলার পানে চাইও [ Tumi Dak Dile Obolar Pane Chaio ]
তুমি ডাক দিলে অবলার পানে চাই ও রে
ও প্রাণ বান্ধব রে
ধীরে ধীরে যাইও ফিইরা পানে চাইওরে (২)
আমি যেদিন চলে গো যাব আমার আপন বাড়ি
বাজার থেকে কিইনা আইনো সাদা মার্কিন শাড়ি (২)
তুমি নিজ হাতে বধু সাজাইয়া দিও রে
ও প্রাণ বান্ধব রে
ধীরে ধীরে যাইও ফিইরা পানে চাইওরে
চাঁদনী রাইতে আইসো গো বন্ধু চান্দেরও বাহার
তোমারে বানাইয়া রাখব আমার গলার হার রে (২)
তোমার আত্মাতে আত্মা মিশাইয়া রবো রে
ও প্রাণ বান্ধব রে
ধীরে ধীরে যাইও ফিইরা পানে চাইওরে
আমার বিয়ার বর যাত্রী চার জনারে দেখি
তারা আমায় রাইখা আসবে দিয়া মোরে ফাঁকি রে (২)
সাধক চান মিয়ারে সঙ্গে কইরা নিও রে
ও প্রাণ বান্ধব রে
ধীরে ধীরে যাইও ফিইরা পানে চাইওরে …. ।
বাউলসঙ্গীতঃ
তুমি ডাক দিলে অবলার পানে চাইও একটি বাউল সংগীত সাধারণত বাউলেরা যে সংগীত পরিবেশন করে তাকে বাউল গান বলে।
মন জানে আর কেউ জানে না একটি বাউল গান। বাউল শিল্পী বা বাউল সাধক বা বাউল একটি বিশেষ ধরণের গোষ্ঠী ও লোকাচার সঙ্গীত পরিবেশক, যারা গানের সাথে সাথে সুফিবাদ, দেহতত্ত্ব প্রভৃতি মতাদর্শ প্রচার করে থাকে। বাউল সাধক বাউল সঙ্গীত পরিবেশন করে থাকে। বাউল গান পঞ্চবিংশ শতাব্দীতে লক্ষ্য করা গেলেও মূলত কুষ্টিয়ার লালন সাঁইয়ের গানের মধ্য দিয়ে বাউল মত পরিচিতি লাভ করে বাংলাদেশসহ সারা বিশ্বের নিকট। বাংলাদেশের কুষ্টিয়া-পাবনা এলাকা থেকে শুরু করে পশ্চিমবঙ্গের বীরভূম-বোলপুর-জয়দেবকেন্দুলি পর্যন্ত বাউলদের বিস্তৃতি। বাউলদের মধ্যে গৃহী ও সন্ন্যাসী দুই প্রকারই রয়েছে। বাউলরা তাদের গুরুর আখড়ায় সাধনা করে।
বাউলরা তাদের দর্শন ও মতামত বাউল গানের মধ্য দিয়ে প্রকাশ করে। বাউল সাধকদের সাধনার মাধ্যম হচ্ছে গান। সাধকের কাছে সাধন ভজনের গূঢ়তত্ত্ব প্রকাশ পায় গানের মাধ্যমে। প্রত্যেক মানুষের অন্তরে যে পরম সুন্দর ঈশ্বরের উপস্থিতি, সেই অদেখাকে দেখা আর অধরাকে ধরাই বাউল সাধন-ভজনের উদ্দেশ্য। বাউলের ভূখণ্ড তার দেহ, পথপ্রদর্শক তার গুরু, জীবনসঙ্গী নারী, সাধনপথ বলতে সুর, আর মন্ত্র বলতে একতারা। ভিক্ষা করেই তার জীবনযাপন।